ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির, নমনীয় সবজি বাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৬৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: রমজানের প্রথম সপ্তাহে সবজির দাম কিছুটা বাড়লেও এখন অনেকটা নমনীয়। তবে ৪০ টাকা কেজি প্রতি দিয়ে সবজির বাজার শুরু করতে হবে ক্রেতাদের। সবজির পাশাপাশি ডিমের দামও সামান্য কমেছে। মুরগির বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। ব্রয়লার মুরগির দাম তিন থেকে চার দিন আগে ২১০ টাকায় বিক্রি হলেও শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ অন্যান্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৩০ টাকায়।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির ডিমের হালি ৪০ টাকা যা গত সপ্তাহের থেকে দাম কিছুটা কমেছে। আর দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকা, হাসের ডিম ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডি, রায়ের বাজার, মোহাম্মদপুর ও মধুবাজার এলাকার বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বাজারে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ টাকা কেজি দরে। বাড়তি দামের কী কারণ, তার কোনো সদুত্তর নেই বিক্রেতাদের কাছে। কখন দাম কমবে তাও জানে না কেউ। সরকারি সংস্থার অভিযান লোকদেখানো মন্তব্য করে অনেক ক্রেতা বলছেন, এতে কোনো লাভ হচ্ছে না।

বিভিন্ন দোকানিদের তথ্যমতে, বাজারে কেজি প্রতি তেলাপিয়া মাছ ১৮০ টাকা (আগে ১৫০-১৬০ টাকা), বড় পাঙাস ২০০ টাকা (আগে ১৮০ টাকা), ছোট পাঙাস ১৮০ (আগে ১৫০ টাকা), কই মাছ ২৮০-৩০০ টাকা, রুই মাছ ৩২০ টাকা, কাতলা ৩৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, শিং ৪০০-৪৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০-৫৫০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০-৭০০ টাকা এবং গুলশা মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে গরু ও খাসির মাংসের দামও চড়া। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০, আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১শ টাকায়। মাংসের দাম বেশি হওয়ার চাহিদা বেড়েছে মাছের। এ সুযোগে মাছের দামও বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কমেছে। তবে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম তেমন কমেনি। দুই-একটি সবজির দাম কম হলেও বাকি সব সবজির দাম বাড়তি। কমেছে লেবুর দামও। তবে শশা, টমেটো, বেগুনসহ বেশির ভাগ সবজির দাম এখনও অনেকটাই বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

রায়ের বাজারে দেখা যায়, সকাল থেকেই বাজারে কোনো সবজির কমতি নেই। সুন্দর করেই সাজানো রয়েছে সবজি। টমেটো, শিম, লাউ, কাঁচা-পাকা মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, মুলা, লাল শাক, পালং শাক, লাউ শাক সবকিছুই বাজারে ভরপুর। এ বাজারে টমেটো প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লেবু রয়েছে তিন ধরনের প্রতি হালি ৩০, ৪০ ও ৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা ৩০ টাকা হালি, বেগুন প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৮০-১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, আম (কাঁচা) ১২০, গাজর ৫০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা ও সাজনা প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই চিত্র ধানমন্ডির প্রায় সব বাজারেই। প্রতিটি বাজারেই ৫ টাকা কম বেশি রয়েছে।

পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে। বড় রসুনের কেজি ১২০-১৩০ টাকা। ছোট রসুনের (দেশি) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা দরে। বাজারে আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। প্যাকেট আটার কেজি ৬৫ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। দেশি মসুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। ইন্ডিয়ান মসুরের ডালের কেজি ১২০-১২৫ টাকা। বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ টাকা দরে। এসব বাজারে লবণের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা দরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির, নমনীয় সবজি বাজার

আপডেট সময় : ১২:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: রমজানের প্রথম সপ্তাহে সবজির দাম কিছুটা বাড়লেও এখন অনেকটা নমনীয়। তবে ৪০ টাকা কেজি প্রতি দিয়ে সবজির বাজার শুরু করতে হবে ক্রেতাদের। সবজির পাশাপাশি ডিমের দামও সামান্য কমেছে। মুরগির বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। ব্রয়লার মুরগির দাম তিন থেকে চার দিন আগে ২১০ টাকায় বিক্রি হলেও শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ অন্যান্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৩০ টাকায়।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির ডিমের হালি ৪০ টাকা যা গত সপ্তাহের থেকে দাম কিছুটা কমেছে। আর দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকা, হাসের ডিম ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডি, রায়ের বাজার, মোহাম্মদপুর ও মধুবাজার এলাকার বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বাজারে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ টাকা কেজি দরে। বাড়তি দামের কী কারণ, তার কোনো সদুত্তর নেই বিক্রেতাদের কাছে। কখন দাম কমবে তাও জানে না কেউ। সরকারি সংস্থার অভিযান লোকদেখানো মন্তব্য করে অনেক ক্রেতা বলছেন, এতে কোনো লাভ হচ্ছে না।

বিভিন্ন দোকানিদের তথ্যমতে, বাজারে কেজি প্রতি তেলাপিয়া মাছ ১৮০ টাকা (আগে ১৫০-১৬০ টাকা), বড় পাঙাস ২০০ টাকা (আগে ১৮০ টাকা), ছোট পাঙাস ১৮০ (আগে ১৫০ টাকা), কই মাছ ২৮০-৩০০ টাকা, রুই মাছ ৩২০ টাকা, কাতলা ৩৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, শিং ৪০০-৪৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০-৫৫০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০-৭০০ টাকা এবং গুলশা মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে গরু ও খাসির মাংসের দামও চড়া। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০, আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১শ টাকায়। মাংসের দাম বেশি হওয়ার চাহিদা বেড়েছে মাছের। এ সুযোগে মাছের দামও বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কমেছে। তবে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম তেমন কমেনি। দুই-একটি সবজির দাম কম হলেও বাকি সব সবজির দাম বাড়তি। কমেছে লেবুর দামও। তবে শশা, টমেটো, বেগুনসহ বেশির ভাগ সবজির দাম এখনও অনেকটাই বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

রায়ের বাজারে দেখা যায়, সকাল থেকেই বাজারে কোনো সবজির কমতি নেই। সুন্দর করেই সাজানো রয়েছে সবজি। টমেটো, শিম, লাউ, কাঁচা-পাকা মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, মুলা, লাল শাক, পালং শাক, লাউ শাক সবকিছুই বাজারে ভরপুর। এ বাজারে টমেটো প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লেবু রয়েছে তিন ধরনের প্রতি হালি ৩০, ৪০ ও ৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা ৩০ টাকা হালি, বেগুন প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৮০-১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, আম (কাঁচা) ১২০, গাজর ৫০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা ও সাজনা প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই চিত্র ধানমন্ডির প্রায় সব বাজারেই। প্রতিটি বাজারেই ৫ টাকা কম বেশি রয়েছে।

পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে। বড় রসুনের কেজি ১২০-১৩০ টাকা। ছোট রসুনের (দেশি) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা দরে। বাজারে আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। প্যাকেট আটার কেজি ৬৫ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। দেশি মসুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। ইন্ডিয়ান মসুরের ডালের কেজি ১২০-১২৫ টাকা। বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ টাকা দরে। এসব বাজারে লবণের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা দরে।