ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

তিতাসে ১১ মাসের শিশু হাসিব জানে না তার বাবা কে?

মোঃ আসলাম, কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১১ মাসের শিশু হাসিব সবেমাত্র কথা বলতে শিখেছে। বাবাকে বাবা আর মাকে মা বলে ডাকতে পারে। কিন্তু সে জানে না তার বাবা কে? এদিকে হাসিবের নানী সাজু বেগম নাতীর পিতৃ পরিচয় দাবি করে আদালতে যে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেন সে যুবকের সংশ্লিষ্টতার প্রমান পাননি ডিএনএ পরীক্ষায়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লা তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে।
আজ সোমবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা মাদবর মিয়ার মেয়ে ইতি আক্তার (১৯)। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে বিয়ে হয় একই উপজেলার সাহাবৃদ্দি গ্রামে। সেখানে ১৫/২০ দিন সংসার করার পর তার স্বামী এবং স্বামীর পরিবার বুঝতে পারে নববধূ ইতি অন্তঃসত্ত্বা। তখনই ইতির ডিভোর্স হয়ে যায়। ডিভোর্স হওয়ার পর ইতির পেটে থাকা ৬ মাসের বাচ্চার পিতৃ ও স্বামীর পরিচয় দাবি করে ইতির মা সাজু বেগম বাদী হয়ে ২০২৩ সালে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে একই গ্রামের মো: হক মিয়ার ছেলে হাসান মিয়াসহ তার পরিবারের ৭ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মামলায় হাসানকে অভিযুক্ত করা হলেও আদালতে হাসান নিজেকে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দোষ প্রমাণ করেছে বলে দাবি করে হাসানের মা হেলেনা বেগম বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ, আমার ছেলের সাথে ইতি ও তার বাচ্চার কোন সম্পৃক্ততা নাই এবং এই মেয়ের একাধিক ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল তাদেরকে আড়াল করে একটি কুচক্রী মহল শত্রুতা করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হামলা করছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
অন্যদিকে ইতির মা সাজু বেগম বলেন,  আমারদের বাড়ি আর হাসানের বাড়ি পাশাপাশি। আমরা গরিব মানুষ। আমাদের এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে হাসান আমার নাবালিকা মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গর্ভপাত করে। বিষয়টি এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানাইলে হাসান তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি দমকি দিতে থাকেন।  আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভিকটিম আদালতে একটি মামলা করেছে এবং ওই মামলায় অভিযুক্ত হাসান অনেক দিন হাজতে ছিল, পরে ডিএনএ পরীক্ষা করে অভিযুক্ত হাসান নির্দোষ প্রমাণ হলে আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। এখন শুনতেছি ভিকটিম পরীক্ষা রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি দিয়েছে।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

তিতাসে ১১ মাসের শিশু হাসিব জানে না তার বাবা কে?

আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
১১ মাসের শিশু হাসিব সবেমাত্র কথা বলতে শিখেছে। বাবাকে বাবা আর মাকে মা বলে ডাকতে পারে। কিন্তু সে জানে না তার বাবা কে? এদিকে হাসিবের নানী সাজু বেগম নাতীর পিতৃ পরিচয় দাবি করে আদালতে যে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেন সে যুবকের সংশ্লিষ্টতার প্রমান পাননি ডিএনএ পরীক্ষায়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লা তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে।
আজ সোমবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা মাদবর মিয়ার মেয়ে ইতি আক্তার (১৯)। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে বিয়ে হয় একই উপজেলার সাহাবৃদ্দি গ্রামে। সেখানে ১৫/২০ দিন সংসার করার পর তার স্বামী এবং স্বামীর পরিবার বুঝতে পারে নববধূ ইতি অন্তঃসত্ত্বা। তখনই ইতির ডিভোর্স হয়ে যায়। ডিভোর্স হওয়ার পর ইতির পেটে থাকা ৬ মাসের বাচ্চার পিতৃ ও স্বামীর পরিচয় দাবি করে ইতির মা সাজু বেগম বাদী হয়ে ২০২৩ সালে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে একই গ্রামের মো: হক মিয়ার ছেলে হাসান মিয়াসহ তার পরিবারের ৭ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মামলায় হাসানকে অভিযুক্ত করা হলেও আদালতে হাসান নিজেকে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দোষ প্রমাণ করেছে বলে দাবি করে হাসানের মা হেলেনা বেগম বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ, আমার ছেলের সাথে ইতি ও তার বাচ্চার কোন সম্পৃক্ততা নাই এবং এই মেয়ের একাধিক ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল তাদেরকে আড়াল করে একটি কুচক্রী মহল শত্রুতা করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হামলা করছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
অন্যদিকে ইতির মা সাজু বেগম বলেন,  আমারদের বাড়ি আর হাসানের বাড়ি পাশাপাশি। আমরা গরিব মানুষ। আমাদের এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে হাসান আমার নাবালিকা মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গর্ভপাত করে। বিষয়টি এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানাইলে হাসান তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি দমকি দিতে থাকেন।  আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভিকটিম আদালতে একটি মামলা করেছে এবং ওই মামলায় অভিযুক্ত হাসান অনেক দিন হাজতে ছিল, পরে ডিএনএ পরীক্ষা করে অভিযুক্ত হাসান নির্দোষ প্রমাণ হলে আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। এখন শুনতেছি ভিকটিম পরীক্ষা রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি দিয়েছে।
বাখ//আর