ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

তাহিরপুরে রঙে রঙিন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ শিমুল বাগান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ৫০৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিমন  মিয়া, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :

স্থানীয় নন্দিত জনপ্রতিনিধি প্রয়াত হাজী জয়নাল আবেদীনের শখের বসে করা শিমুল বাগান আজ দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শিমুল বাগানে পরিণত হয়েছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষে এ বাগানে অবস্থান। এ শিমুল বাগানের সৌন্দর্য দেখতে প্রতি বছর ফাল্গুণের শুরুতেই ছুঁটে আসে এখানে দেশি বিদেশি দর্শনার্থীরা। ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, মাঝে সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ যাদুকাটা নদী আর এপারে শিমুল বাগান। সব মিলিয়ে বাগানটি গড়ে তুলেছে প্রকৃতির অনবদ্য এক কাব্য। লাল পাপড়ি মেলে থাকা রক্তিম আভায় যেনো পর্যটকদের মনে আলাদাভাবে স্থান করে নিয়েছে এশিয়ার বৃহৎ এ শিমুল বাগান।

উপজেলার মানিগাঁও গ্রামে শখের বসে বাদাঘাট ইউনিয়নের নন্দিত চেয়ারম্যান প্রয়াত হাজী জয়নাল আবেদীন গত
২০০০ সালে ১শ’ বিঘা জমির ওপর তিন হাজার শিমুল গাছ লাগিয়ে বাগানটি গড়ে তোলেন। বর্তমানে তার ছেলে-মেয়েরা এ বাগনের দেখাশোনা করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে এখানে নতুন করে আরও ১ হাজার ৫শ’ শিমুলের চারা রোপণ করেছেন।

জানা গেছে, দেশি-বিদেশি পর্যটক মিলে প্রতিদিন সহস্রাধিক লোকের সমাগম হয় এ বাগানে। জনপ্রতি ২০ টাকা করে টিকিট কেটে বাগানে প্রবেশ করতে হয়। সময়ের পরিক্রমায় এটি দেশের ও দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় দৃষ্টিনন্দন শিমুল বাগানে পরিণত হয়েছে আজ। ফাল্গুনের রাঙা রঙে যেনো লাল হয়ে আছে পুরো বাগান।

প্রয়াত হাজী জয়নাল আবেদীনের ছেলে বাগান মালিক বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাখাব উদ্দিন বলেন, পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পর্যটকদের সুবিধার জন্য বাগানে ক্যান্টিন ক্যাফে সার্ভিসসহ বিভিন্ন সেবা চালু করা হয়েছে। রয়েছে ওয়াশ রুমেরও ব্যবস্থা। বাগানকে কেন্দ্র করে এখানে একটি দৃষ্টিনন্দন রিসোর্ট গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান, পর্যটকদের নিরাপত্বার জন্য পুলিশ সবসময় তৎপর রয়েছে। বিশেষ বিশেষ দিনে বাগান ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ টহল দিয়ে যাচ্ছে।

বা/খ : এসআর।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

তাহিরপুরে রঙে রঙিন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ শিমুল বাগান

আপডেট সময় : ০১:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

লিমন  মিয়া, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :

স্থানীয় নন্দিত জনপ্রতিনিধি প্রয়াত হাজী জয়নাল আবেদীনের শখের বসে করা শিমুল বাগান আজ দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শিমুল বাগানে পরিণত হয়েছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষে এ বাগানে অবস্থান। এ শিমুল বাগানের সৌন্দর্য দেখতে প্রতি বছর ফাল্গুণের শুরুতেই ছুঁটে আসে এখানে দেশি বিদেশি দর্শনার্থীরা। ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, মাঝে সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ যাদুকাটা নদী আর এপারে শিমুল বাগান। সব মিলিয়ে বাগানটি গড়ে তুলেছে প্রকৃতির অনবদ্য এক কাব্য। লাল পাপড়ি মেলে থাকা রক্তিম আভায় যেনো পর্যটকদের মনে আলাদাভাবে স্থান করে নিয়েছে এশিয়ার বৃহৎ এ শিমুল বাগান।

উপজেলার মানিগাঁও গ্রামে শখের বসে বাদাঘাট ইউনিয়নের নন্দিত চেয়ারম্যান প্রয়াত হাজী জয়নাল আবেদীন গত
২০০০ সালে ১শ’ বিঘা জমির ওপর তিন হাজার শিমুল গাছ লাগিয়ে বাগানটি গড়ে তোলেন। বর্তমানে তার ছেলে-মেয়েরা এ বাগনের দেখাশোনা করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে এখানে নতুন করে আরও ১ হাজার ৫শ’ শিমুলের চারা রোপণ করেছেন।

জানা গেছে, দেশি-বিদেশি পর্যটক মিলে প্রতিদিন সহস্রাধিক লোকের সমাগম হয় এ বাগানে। জনপ্রতি ২০ টাকা করে টিকিট কেটে বাগানে প্রবেশ করতে হয়। সময়ের পরিক্রমায় এটি দেশের ও দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় দৃষ্টিনন্দন শিমুল বাগানে পরিণত হয়েছে আজ। ফাল্গুনের রাঙা রঙে যেনো লাল হয়ে আছে পুরো বাগান।

প্রয়াত হাজী জয়নাল আবেদীনের ছেলে বাগান মালিক বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাখাব উদ্দিন বলেন, পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পর্যটকদের সুবিধার জন্য বাগানে ক্যান্টিন ক্যাফে সার্ভিসসহ বিভিন্ন সেবা চালু করা হয়েছে। রয়েছে ওয়াশ রুমেরও ব্যবস্থা। বাগানকে কেন্দ্র করে এখানে একটি দৃষ্টিনন্দন রিসোর্ট গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান, পর্যটকদের নিরাপত্বার জন্য পুলিশ সবসময় তৎপর রয়েছে। বিশেষ বিশেষ দিনে বাগান ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ টহল দিয়ে যাচ্ছে।

বা/খ : এসআর।