ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
ব্রেকিং নিউজ ::
পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা ছাড়াই আজকের মতো আন্দোলন স্থগিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছেড়েছেন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা। আপাতত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী হাসনাত আব্দুল্লাহ :: সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে :: শেষ খবর পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছেন :: চলমান এইচএসসি ও সমমানের আগামী ১৮ জুলাইয়ের (বৃহস্পতিবার) পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তবে আগামী ২১ জুলাই থেকে পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা যথারীতি চলবে :: ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন :: জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনের ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি :: চার শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ, উত্তাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা

তাড়াশে বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে আউশ আবাদে মাঠে কৃষক

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪
  • / ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আউশ শব্দের অর্থ আগাম। বাংলা আশু শব্দ থেকে আউশ শব্দের উৎপত্তি। আউশ মানে আশু ধান। আশি থেকে ১২০ দিনের ভেতর এ ধান ঘরে তোলা যায়। আশু মানে দ্রুত ফসল উৎপন্ন হওয়ার বিচারে এই ধানের এমন নামকরণ হয়েছে। ‘খনার বচনে আছে- আউশ ধানের চাষ, লাগে তিন মাস’। ফাঁক ফাঁক করে লাগালে গোছা মোটা হয় এবং ফলনও বেশি হয়। আরো সহজ কথায় আউশে আমন বোরোর মতো যত্ন নিলে বাম্পার ফলন হয়। কথায় আছে, জ্যৈষ্ঠে খরা ধানে ভরা। অর্থাৎ জ্যৈষ্ঠ মাসে একটু বৃষ্টি পেলেই আউশের জমি সবুজ ধানে ভরে যায়। আউশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি প্রণোদনা পেয়ে কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কৃষকরা।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আউস ধানের চাষ বাড়াতে সরকারী বরাদ্দ ১হাজার ৮শত ৬০ জন কৃষককে বিনামুল্যে প্রণোদনার আওতায় প্রতি কৃষককে এক বিঘা জমিতে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে, খাদ্য সংকট কাটাতে কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রম আর সরকারের দেওয়া কৃষি প্রণোদনায় আউশ চাষে নবদিগন্ত উন্মোচন হয়েছে। আউশ চাষাবাদ পুরোটাই বৃষ্টি নির্ভর। ফলে এ ধান উৎপাদনের সেচ খরচ সাশ্রয় হয়। বিনামূল্যে সার ও বীজ পাওয়ায় কৃষকরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় দিন-রাত ফসল ফলানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এই উপজেলায় চলতি বছরে ৩হাজার ৪শত ৭৫ হেক্টর জমিতে আউস আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩হাজার ৬শত ৫৭ হেক্টর জমিতে আউস ধানের আবাদ হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের কাটাগাড়ী গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, উপজেলার মধ্যে আমাদের এলাকায় আউস ধানের আবাদ বেশি হয়। আউসের আবাদে খরচ কম, লাভ বেশি। এছাড়া কৃষকেরা উফসি ও স্থানীয় জাতের আউস ধানের আবাদ বেশি করেন। সরকার বিনামুল্যে সার ও বীজ দেওয়ায় কৃষকেরা এখন বেশি ঝুঁকছেন আউস আবাদে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আউস ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কৃষকদের বিনামুল্যে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। আউস ধান চাষাবাদে কৃষকদের খরচ কম হওয়ায় ও বিনামুল্যে সার,বীজ পেয়ে আউস চাষাবাদে কৃষকেরা ঝুকছেন। আমাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কৃষকদের সব সময় পরামর্শ এবং সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

তাড়াশে বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে আউশ আবাদে মাঠে কৃষক

আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪

আউশ শব্দের অর্থ আগাম। বাংলা আশু শব্দ থেকে আউশ শব্দের উৎপত্তি। আউশ মানে আশু ধান। আশি থেকে ১২০ দিনের ভেতর এ ধান ঘরে তোলা যায়। আশু মানে দ্রুত ফসল উৎপন্ন হওয়ার বিচারে এই ধানের এমন নামকরণ হয়েছে। ‘খনার বচনে আছে- আউশ ধানের চাষ, লাগে তিন মাস’। ফাঁক ফাঁক করে লাগালে গোছা মোটা হয় এবং ফলনও বেশি হয়। আরো সহজ কথায় আউশে আমন বোরোর মতো যত্ন নিলে বাম্পার ফলন হয়। কথায় আছে, জ্যৈষ্ঠে খরা ধানে ভরা। অর্থাৎ জ্যৈষ্ঠ মাসে একটু বৃষ্টি পেলেই আউশের জমি সবুজ ধানে ভরে যায়। আউশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি প্রণোদনা পেয়ে কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কৃষকরা।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আউস ধানের চাষ বাড়াতে সরকারী বরাদ্দ ১হাজার ৮শত ৬০ জন কৃষককে বিনামুল্যে প্রণোদনার আওতায় প্রতি কৃষককে এক বিঘা জমিতে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে, খাদ্য সংকট কাটাতে কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রম আর সরকারের দেওয়া কৃষি প্রণোদনায় আউশ চাষে নবদিগন্ত উন্মোচন হয়েছে। আউশ চাষাবাদ পুরোটাই বৃষ্টি নির্ভর। ফলে এ ধান উৎপাদনের সেচ খরচ সাশ্রয় হয়। বিনামূল্যে সার ও বীজ পাওয়ায় কৃষকরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় দিন-রাত ফসল ফলানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এই উপজেলায় চলতি বছরে ৩হাজার ৪শত ৭৫ হেক্টর জমিতে আউস আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩হাজার ৬শত ৫৭ হেক্টর জমিতে আউস ধানের আবাদ হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের কাটাগাড়ী গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, উপজেলার মধ্যে আমাদের এলাকায় আউস ধানের আবাদ বেশি হয়। আউসের আবাদে খরচ কম, লাভ বেশি। এছাড়া কৃষকেরা উফসি ও স্থানীয় জাতের আউস ধানের আবাদ বেশি করেন। সরকার বিনামুল্যে সার ও বীজ দেওয়ায় কৃষকেরা এখন বেশি ঝুঁকছেন আউস আবাদে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আউস ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কৃষকদের বিনামুল্যে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। আউস ধান চাষাবাদে কৃষকদের খরচ কম হওয়ায় ও বিনামুল্যে সার,বীজ পেয়ে আউস চাষাবাদে কৃষকেরা ঝুকছেন। আমাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কৃষকদের সব সময় পরামর্শ এবং সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

বাখ//আর