ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

তাড়াশে জেলেদের হাতে চায়না জাল, মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ নিধনের মহোৎসব

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:১১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪
  • / ৪৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলনবিল অধ্যাসিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাছের প্রজনন মৌসুমে জেলেদের হাতে চায়না দুয়ারী জালে মাছ নিধনের মহোৎসব। দেশী মাছের প্রজনন মৌসুমে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর এবার চায়না জালের ফাঁদে দেশীয় প্রজাতীর সব মাছ। সহজে অনেক মাছ ধরা আশায় খাল ও ফসলি মাঠ জুড়ে জেলেরা মাছ ধরছেন চায়না জাল দিয়ে। নদ-নদীতে থাকা মিঠা পানির সব ধরণের দেশীয় মাছ সূক্ষ এই চায়না জালে ধরা পড়ছে। বিশেষ করে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এই প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা চিংড়ি, পুঁটি, টেংরা, কই, শিং ,মাগুর, বোয়াল, শোল, টাকি সহ নানা প্রজাতির মাছ চায়না জালে নিধন হচ্ছে।

জানা যায়, জেলেরা এক পিস চায়না জালের দাম ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। সাধারণত ৫২ হাত লম্বা হয়ে থাকে এ জাল, লোহার ৪টি সিক দিয়ে খোঁপ- খোঁপ আকারে থাকে। সূক্ষ ঘন চায়না জালের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো নদীতে মাটির সাথে লম্বা-লম্বি ভাবে লেগে থাকে এবং দুদিক থেকে মাছ ঢুকতে পারে। জেলেদের চেয়ে এই চায়না জালের সহজ ফাঁদে মাছ ধরতে নেমেছে মৌসুমী শিকারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। চায়না জালে মাছ ধরার মহোৎসবে মেতেছে এক শ্রেণীর মৌসুমী মাছ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।

মাছ শিকারী করতে আব্দুল করিম বলেন, এই জাল সারারাত খালে পেতে রাখা হয়। পরদিন সকাল হলেই জাল তোলা হলে জালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পেয়ে থাকি। এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করা ঠিক না, জেনেও কিছু মাছ পাওয়ার আশায় এ কাজ করে থাকি। এভাবে চায়না জাল দিয়ে মাছ মারলে, কিছুদিন পর খাল,বিলে আর কোন মাছ পাওয়া যাবে না।

তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ বলেন, চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার একটা বে-আইনী কাজ, কারন এসকল চায়না জালে ছোট-বড় সকল প্রকার মাছ ধরা পড়ে। এ বিষয়ে দ্রæত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

তাড়াশে জেলেদের হাতে চায়না জাল, মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ নিধনের মহোৎসব

আপডেট সময় : ১১:১১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

চলনবিল অধ্যাসিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাছের প্রজনন মৌসুমে জেলেদের হাতে চায়না দুয়ারী জালে মাছ নিধনের মহোৎসব। দেশী মাছের প্রজনন মৌসুমে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর এবার চায়না জালের ফাঁদে দেশীয় প্রজাতীর সব মাছ। সহজে অনেক মাছ ধরা আশায় খাল ও ফসলি মাঠ জুড়ে জেলেরা মাছ ধরছেন চায়না জাল দিয়ে। নদ-নদীতে থাকা মিঠা পানির সব ধরণের দেশীয় মাছ সূক্ষ এই চায়না জালে ধরা পড়ছে। বিশেষ করে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এই প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা চিংড়ি, পুঁটি, টেংরা, কই, শিং ,মাগুর, বোয়াল, শোল, টাকি সহ নানা প্রজাতির মাছ চায়না জালে নিধন হচ্ছে।

জানা যায়, জেলেরা এক পিস চায়না জালের দাম ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। সাধারণত ৫২ হাত লম্বা হয়ে থাকে এ জাল, লোহার ৪টি সিক দিয়ে খোঁপ- খোঁপ আকারে থাকে। সূক্ষ ঘন চায়না জালের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো নদীতে মাটির সাথে লম্বা-লম্বি ভাবে লেগে থাকে এবং দুদিক থেকে মাছ ঢুকতে পারে। জেলেদের চেয়ে এই চায়না জালের সহজ ফাঁদে মাছ ধরতে নেমেছে মৌসুমী শিকারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। চায়না জালে মাছ ধরার মহোৎসবে মেতেছে এক শ্রেণীর মৌসুমী মাছ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।

মাছ শিকারী করতে আব্দুল করিম বলেন, এই জাল সারারাত খালে পেতে রাখা হয়। পরদিন সকাল হলেই জাল তোলা হলে জালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পেয়ে থাকি। এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করা ঠিক না, জেনেও কিছু মাছ পাওয়ার আশায় এ কাজ করে থাকি। এভাবে চায়না জাল দিয়ে মাছ মারলে, কিছুদিন পর খাল,বিলে আর কোন মাছ পাওয়া যাবে না।

তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ বলেন, চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার একটা বে-আইনী কাজ, কারন এসকল চায়না জালে ছোট-বড় সকল প্রকার মাছ ধরা পড়ে। এ বিষয়ে দ্রæত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

বাখ//আর