ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় পরাজয় বাংলাদেশের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৫৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্পোর্টস ডেস্ক : 
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০৫ রান। ২০৬ রানের লক্ষ্যে নেমে ১০১ রানে অলআউট বাংলাদেশ। ১০৪ রানে হারলো তারা। এই হার বিশ্বকাপে তো বটেই টি-টোয়েন্টিতেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হার।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হার ৭৫ রানে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৬ সালের আসরে।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হওয়া দরকার ছিল বাংলাদেশের। সৌম্য সরকারের ব্যাটে তেমন কিছুর ইঙ্গিতও ছিল। প্রথম ওভারের শেষ দুই বলে কাগিসো রাবাদাকে টানা দুই ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটার। তবে তৃতীয় ওভারেই আউট হয়েছেন তিনি। অ্যানরিচ নরকিয়াকে অ্যাক্রোস দ্য লাইন খেলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েছেন সৌম্য (৬ বলে ২ ছক্কায় ১৫)।

এরপর ৯ বলে ৯ রান করে নরকিয়ার ওই ওভারেই বোল্ড হয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। সাকিব হন নরকিয়ার তৃতীয় শিকার। ৪ বলে ১ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন টাইগার দলপতি। ৬ ওভার শেষে টাইগারদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৪৭ রান।

উইকেট আটকাতেই যেন মেহেদি হাসান মিরাজকে প্রমোশন দিয়ে ছয় নম্বরে পাঠানো হয়। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ বলে ১১ করে তাবরেজ শামসিকে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ লং অফে ক্যাচ হন এই অলরাউন্ডার।

কেশভ মহারাজকে দুই পা এগিয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং মোসাদ্দেক হোসেন (০)। ছ্ক্কা মারতে গিয়ে ২ করে ফেরেন নুরুল হাসান সোহানও। ৭৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হার নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। লিটন দাস তবু একটা প্রান্ত ধরে পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছিলেন। ১৪তম ওভারে তাকেও সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন তাবরেজ শামসি। স্কয়ার লেগ বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন ৩১ বলে একটি করে চার-ছক্কায় ৩৪ করা লিটন। এরপর আর বেশিদূর এগোতে পারেনি টাইগাররা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যানরিচ নরকিয়া। ১০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। ৩টি উইকেট পান তাবরেজ শামসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় পরাজয় বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০১:১৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২

স্পোর্টস ডেস্ক : 
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০৫ রান। ২০৬ রানের লক্ষ্যে নেমে ১০১ রানে অলআউট বাংলাদেশ। ১০৪ রানে হারলো তারা। এই হার বিশ্বকাপে তো বটেই টি-টোয়েন্টিতেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হার।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হার ৭৫ রানে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৬ সালের আসরে।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হওয়া দরকার ছিল বাংলাদেশের। সৌম্য সরকারের ব্যাটে তেমন কিছুর ইঙ্গিতও ছিল। প্রথম ওভারের শেষ দুই বলে কাগিসো রাবাদাকে টানা দুই ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটার। তবে তৃতীয় ওভারেই আউট হয়েছেন তিনি। অ্যানরিচ নরকিয়াকে অ্যাক্রোস দ্য লাইন খেলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েছেন সৌম্য (৬ বলে ২ ছক্কায় ১৫)।

এরপর ৯ বলে ৯ রান করে নরকিয়ার ওই ওভারেই বোল্ড হয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। সাকিব হন নরকিয়ার তৃতীয় শিকার। ৪ বলে ১ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন টাইগার দলপতি। ৬ ওভার শেষে টাইগারদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৪৭ রান।

উইকেট আটকাতেই যেন মেহেদি হাসান মিরাজকে প্রমোশন দিয়ে ছয় নম্বরে পাঠানো হয়। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ বলে ১১ করে তাবরেজ শামসিকে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ লং অফে ক্যাচ হন এই অলরাউন্ডার।

কেশভ মহারাজকে দুই পা এগিয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং মোসাদ্দেক হোসেন (০)। ছ্ক্কা মারতে গিয়ে ২ করে ফেরেন নুরুল হাসান সোহানও। ৭৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হার নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। লিটন দাস তবু একটা প্রান্ত ধরে পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছিলেন। ১৪তম ওভারে তাকেও সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন তাবরেজ শামসি। স্কয়ার লেগ বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন ৩১ বলে একটি করে চার-ছক্কায় ৩৪ করা লিটন। এরপর আর বেশিদূর এগোতে পারেনি টাইগাররা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যানরিচ নরকিয়া। ১০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। ৩টি উইকেট পান তাবরেজ শামসি।