ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জ্বালানি, বিমানবন্দর ও সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৫২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে জ্বালানি, বিমানবন্দর ও সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি আরব। আজ (শনিবার) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে সৌদি সরকারের এই আগ্রহের কথা জানান দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এতথ্য জানান। তিনি আরো জানান, বিদেশি বিনিয়োগে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর হয়েছে।

এসময় সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি বলেন, ‘বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অনেক ভালো, এখানে অনেক তরুণ জনশক্তি আছে। বাংলাদেশের শক্তিশালী অংশীদার সৌদি আরব, কৃষি ও জ্বালানিখাতে তারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী’।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবকে বাংলাদেশে একটি তেল শোধনাগার স্থাপনের আহ্বান জানান, যেখানে অপরিশোধিত তেলসহ সব ধরনের তেল পরিশোধন করা যাবে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, সৌদি আরবের প্রধান বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সৌদি মন্ত্রী। এই প্রেক্ষাপটে তিনি আমলাতান্ত্রিক বিলম্বের সমাধান করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ইতোমধ্যে কর্মকর্তাদের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। প্রতিবেশী দেশগুলোতে বিশাল বাজার রয়েছে উল্লেখ করে আরো বলেন, যে তার সরকার নৌপথসহ সব ধরনের যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন সহজ করতে কাজ করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সৌদি আরবে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভালোভাবে আরবি ভাষা জানার সুবিধার্থে একটি আরবি ভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলতে চায়, যাতে তারা সহজেই আরবি ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।

সৌদি মন্ত্রী বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ওমরাহ পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি, বিমানবন্দর ও সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে জ্বালানি, বিমানবন্দর ও সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি আরব। আজ (শনিবার) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে সৌদি সরকারের এই আগ্রহের কথা জানান দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এতথ্য জানান। তিনি আরো জানান, বিদেশি বিনিয়োগে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর হয়েছে।

এসময় সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি বলেন, ‘বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অনেক ভালো, এখানে অনেক তরুণ জনশক্তি আছে। বাংলাদেশের শক্তিশালী অংশীদার সৌদি আরব, কৃষি ও জ্বালানিখাতে তারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী’।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবকে বাংলাদেশে একটি তেল শোধনাগার স্থাপনের আহ্বান জানান, যেখানে অপরিশোধিত তেলসহ সব ধরনের তেল পরিশোধন করা যাবে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, সৌদি আরবের প্রধান বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সৌদি মন্ত্রী। এই প্রেক্ষাপটে তিনি আমলাতান্ত্রিক বিলম্বের সমাধান করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ইতোমধ্যে কর্মকর্তাদের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। প্রতিবেশী দেশগুলোতে বিশাল বাজার রয়েছে উল্লেখ করে আরো বলেন, যে তার সরকার নৌপথসহ সব ধরনের যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন সহজ করতে কাজ করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সৌদি আরবে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভালোভাবে আরবি ভাষা জানার সুবিধার্থে একটি আরবি ভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলতে চায়, যাতে তারা সহজেই আরবি ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।

সৌদি মন্ত্রী বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ওমরাহ পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান।