ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জ্বালানি খাত থেকে ভ্যাট আদায় বেড়েছে ৯২ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৫১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে পোয়াবারো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। গত অর্থবছরের এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় বেড়েছে ৯২ শতাংশ। এনবিআরের হিসাবে, পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পাঁচ কোম্পানি থেকে ভ্যাট আদায় হয়েছে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, এনবিআরের দুর্বলতায় সহজ উৎস থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করছে সরকার। যার চাপ পড়ছে ভোক্তার ওপর।

২০২০-২১ অর্থবছরে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রি থেকে দুই হাজার ৯০০ কোটি টাকা ভ্যাট পায় এনবিআর। পরের বছর আদায় বাড়ে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরের আগস্টে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ায় সরকার। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের কারণ দেখিয়ে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা, পেট্রলে ৪৪ ও অকটেনে ৪৬ টাকা বাড়ানো হয়। এর ফলে এনবিআরের ভ্যাট আদায়ও বাড়ে অস্বাভাবিক হারে।

সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান জানান, জ্বালানি তেল থেকে গত অর্থবছরে আদায় হয়েছে প্রায় সাত হাজার পাঁচশ ৭৬ কোটি টাকা। যা আগের বছরের চেয়ে ৯২ শতাংশ বেশি। তবে এ সময়ে বকেয়া আদায় কমেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে বকেয়া আদায় হয় ৬শ ৩১ কোটি টাকা। গত বছর যা কমে দাঁড়ায় ৩শ ৩৮ কোটিতে। ফলে সার্বিকভাবে জ্বালানি তেলে ভ্যাট আদায়ে প্রবৃদ্ধি ৭৪ শতাংশ।

পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, গত এক বছরে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের কথা একাধিকবার জানিয়েছেন নীতি নির্ধারকরা। কিন্তু কমানো হয় মাত্র পাঁচ শতাংশ।

এদিকে প্রায় পৌনে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদনে তেলের দাম বাজারভিত্তিক করার শর্ত দেয় দাতা সংস্থা আইএমএফ। সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ শর্ত পুরণ নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রিতে শুধু ভ্যাটই ১৫ শতাংশ। আমদানিশুল্ক, আয়কর, ভ্যাট মিলিয়ে প্রায় ৩৪ শতাংশ কর আদায় করে এনবিআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি খাত থেকে ভ্যাট আদায় বেড়েছে ৯২ শতাংশ

আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে পোয়াবারো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। গত অর্থবছরের এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় বেড়েছে ৯২ শতাংশ। এনবিআরের হিসাবে, পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পাঁচ কোম্পানি থেকে ভ্যাট আদায় হয়েছে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, এনবিআরের দুর্বলতায় সহজ উৎস থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করছে সরকার। যার চাপ পড়ছে ভোক্তার ওপর।

২০২০-২১ অর্থবছরে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রি থেকে দুই হাজার ৯০০ কোটি টাকা ভ্যাট পায় এনবিআর। পরের বছর আদায় বাড়ে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরের আগস্টে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ায় সরকার। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের কারণ দেখিয়ে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা, পেট্রলে ৪৪ ও অকটেনে ৪৬ টাকা বাড়ানো হয়। এর ফলে এনবিআরের ভ্যাট আদায়ও বাড়ে অস্বাভাবিক হারে।

সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান জানান, জ্বালানি তেল থেকে গত অর্থবছরে আদায় হয়েছে প্রায় সাত হাজার পাঁচশ ৭৬ কোটি টাকা। যা আগের বছরের চেয়ে ৯২ শতাংশ বেশি। তবে এ সময়ে বকেয়া আদায় কমেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে বকেয়া আদায় হয় ৬শ ৩১ কোটি টাকা। গত বছর যা কমে দাঁড়ায় ৩শ ৩৮ কোটিতে। ফলে সার্বিকভাবে জ্বালানি তেলে ভ্যাট আদায়ে প্রবৃদ্ধি ৭৪ শতাংশ।

পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, গত এক বছরে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের কথা একাধিকবার জানিয়েছেন নীতি নির্ধারকরা। কিন্তু কমানো হয় মাত্র পাঁচ শতাংশ।

এদিকে প্রায় পৌনে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদনে তেলের দাম বাজারভিত্তিক করার শর্ত দেয় দাতা সংস্থা আইএমএফ। সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ শর্ত পুরণ নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রিতে শুধু ভ্যাটই ১৫ শতাংশ। আমদানিশুল্ক, আয়কর, ভ্যাট মিলিয়ে প্রায় ৩৪ শতাংশ কর আদায় করে এনবিআর।