ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জীবনের ঝূঁকি নিয়ে মানুষের পারাপার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩
  • / ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

// ফিরোজ কবীর, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি //

ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ঘোড়াঘাট উপজেলার সাথে পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা ও রংপুরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে চলেছে। এই পথে প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার মানুষ চলাচল করে। করতোয়া নদীর উপর বেলি ব্রিজটি খুলে ঢালাই সেতুর কাজ শুরু করে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু জনসাধারনের চলাচলের জন্য করতোয়া নদীর উপর একটি দায়সারা কাঠদ্বারা বিকল্প সেতু তৈরি করে দেয়া হয়। ওই সেতুতে শুধু মাত্র লোকজন হেটে পারাপার হতো। অন্যান্য যানবাহন পারাপারের জন্য দুটি জোড়া নৌকার ব্যবস্থা করে দেন স্থানীয় চেয়ারম্যান। কিন্তু সেই নৌকায় পারাপারের জন্য টাকা গুনতে হতো দিগুনেরও বেশী। বন্যার স্রোতে ভেসে আসা কচুরীপানা জমাট বাধাঁর কারণে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

শনিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বন্যায় দ্রুত পানি বাড়তে শুরু করলে বিকল্প পথে চলাচলের জন্য কাঠের সেতুটি ১০/১২ইঞ্চি পানির নীচে তলিয়ে আছে। আর কোন বিকল্প রাস্তা না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে ডুবন্ত সেতুর উপর দিয়ে নারী পুরুষ শিশুরা পারাপার হচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে কাঠের সেতুটি সম্পুর্ন তলিয়ে যাবে । ফলে পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধার সাথে ঘোড়াঘাট উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবার বন্ধ হয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জীবনের ঝূঁকি নিয়ে মানুষের পারাপার

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

// ফিরোজ কবীর, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি //

ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ঘোড়াঘাট উপজেলার সাথে পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা ও রংপুরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে চলেছে। এই পথে প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার মানুষ চলাচল করে। করতোয়া নদীর উপর বেলি ব্রিজটি খুলে ঢালাই সেতুর কাজ শুরু করে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু জনসাধারনের চলাচলের জন্য করতোয়া নদীর উপর একটি দায়সারা কাঠদ্বারা বিকল্প সেতু তৈরি করে দেয়া হয়। ওই সেতুতে শুধু মাত্র লোকজন হেটে পারাপার হতো। অন্যান্য যানবাহন পারাপারের জন্য দুটি জোড়া নৌকার ব্যবস্থা করে দেন স্থানীয় চেয়ারম্যান। কিন্তু সেই নৌকায় পারাপারের জন্য টাকা গুনতে হতো দিগুনেরও বেশী। বন্যার স্রোতে ভেসে আসা কচুরীপানা জমাট বাধাঁর কারণে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

শনিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বন্যায় দ্রুত পানি বাড়তে শুরু করলে বিকল্প পথে চলাচলের জন্য কাঠের সেতুটি ১০/১২ইঞ্চি পানির নীচে তলিয়ে আছে। আর কোন বিকল্প রাস্তা না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে ডুবন্ত সেতুর উপর দিয়ে নারী পুরুষ শিশুরা পারাপার হচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে কাঠের সেতুটি সম্পুর্ন তলিয়ে যাবে । ফলে পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধার সাথে ঘোড়াঘাট উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবার বন্ধ হয়ে যাবে।