ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জাপানে আঘাত হেনেছে টাইফুন নানমাডল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৪৮০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাপানে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন নানমাডল। রোববার (১৮ই সেপ্টেম্বর) কিউশু দ্বীপে টাইফুনটি আঘাত হানে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে আগেই বলা হয়, সুপার টাইফুন নানমাডল ঘণ্টায় ২৭০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানতে পারে। ঝড়টি আগামী সপ্তাহের শুরুতে পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে জাপানের প্রধান দ্বীপ হোনশুর ওপর দিয়ে যেতে পারে।

জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, দক্ষিণ কিউশু অঞ্চলের কাগোশিমা, কুমামোতো, মিয়াজাকির বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কাগোশিমা অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া বিভাগ। কাগোশিমার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানকার সাড়ে ৮ হাজার বাসিন্দাকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সেইসাথে জারি করা হয়েছে ভূমিধস ও বন্যা সতকর্তা। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করেছে জাপান এয়ারলাইন। টাইফুনটিকে ‘বিধ্বংসী’ বলে উল্লেখ করে অঞ্চলটির প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গত ২০ বছর ধরে জাপান বেশ কয়েকটি বড় ধরনের টাইফুনের মুখোমুখি হয়েছে। এতে বন্যা ও ভূমিধস সৃষ্টি হয়। ২০১৮ সালে বর্ষার মৌসুমে ভূমিধস-ঝড়ে ২০০ জনের বেশি প্রাণহানি হয়। ২০১৯-এ টাইফুন হাগিবিস জাপানের উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়লে শতাধিক মানুষ মারা যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাপানে আঘাত হেনেছে টাইফুন নানমাডল

আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাপানে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন নানমাডল। রোববার (১৮ই সেপ্টেম্বর) কিউশু দ্বীপে টাইফুনটি আঘাত হানে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে আগেই বলা হয়, সুপার টাইফুন নানমাডল ঘণ্টায় ২৭০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানতে পারে। ঝড়টি আগামী সপ্তাহের শুরুতে পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে জাপানের প্রধান দ্বীপ হোনশুর ওপর দিয়ে যেতে পারে।

জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, দক্ষিণ কিউশু অঞ্চলের কাগোশিমা, কুমামোতো, মিয়াজাকির বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কাগোশিমা অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া বিভাগ। কাগোশিমার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানকার সাড়ে ৮ হাজার বাসিন্দাকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সেইসাথে জারি করা হয়েছে ভূমিধস ও বন্যা সতকর্তা। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করেছে জাপান এয়ারলাইন। টাইফুনটিকে ‘বিধ্বংসী’ বলে উল্লেখ করে অঞ্চলটির প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গত ২০ বছর ধরে জাপান বেশ কয়েকটি বড় ধরনের টাইফুনের মুখোমুখি হয়েছে। এতে বন্যা ও ভূমিধস সৃষ্টি হয়। ২০১৮ সালে বর্ষার মৌসুমে ভূমিধস-ঝড়ে ২০০ জনের বেশি প্রাণহানি হয়। ২০১৯-এ টাইফুন হাগিবিস জাপানের উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়লে শতাধিক মানুষ মারা যান।