ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় মহান বিজয় দিবসে ফুল হাতে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল নেমেছে।

শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহর থেকেই এ ঢল নামতে শুরু করে।

সবুজ ঘাস, রঙিন ফুলের গাছের পাশে খয়েরি ইটের সড়ক। মধ্যখানে সাত স্তম্ভের স্মৃতিসৌধ একা দাঁড়িয়ে। অগ্রহায়ণের সকালে এখানে প্রতিদিন রোদ পোহায় শিশির ভেজা ঘাস। তবে ১৬ ডিসেম্বর এলে বদলে যায় পরিবেশ। মানুষের আনাগোনায় ভরে উঠে চারপাশ। সৌধের সামনে বেদি ভরে উঠে ফুলে ফুলে। এবছরেও দেখা গেল একই চিত্র। মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ভোরের আলো ফুটতেই স্মৃতিসৌধে ছুটে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তাদের স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগের পরেই সৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সবার জন্য। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকায় নামে লাখো মানুষের ঢল। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফুলে ভরে উঠে স্মৃতিসৌধের বেদি।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ফুল হাতে শহীদদের জন্য তৈরি বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান হাজারো মানুষ। আনন্দ উচ্ছ্বাসে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে স্মৃতিসৌধ এলাকা। বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই শিশু-ছেলে-বুড়োসহ সব বয়সী মানুষ ছুটে আসেন সাভারে। শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারাও। তাদের অনেকের হাতে শোভা পাচ্ছে লাল-সবুজের পতাকা। পোশাকে লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি, কণ্ঠে দেশের গান।

এতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বেদিতে ফুল দিয়েছেন। শহিদদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আবেগ জানিয়েছেন তারা।

এ ছাড়া শ্রদ্ধা জানাতে আসেন রাজনীতিক, কূটনীতিক, সমাজকর্মী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী শিল্পী-বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা, পেশাজীবী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, সর্বোপরি সাধারণ মানুষ। এতে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধার পুষ্পাঞ্জলিতে ঢেকে যায় বেদি।

সকাল থেকেই নানান রঙে সাজসজ্জা করে ফুল দিতে এসেছেন অনেকেই। তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণির অনেককে দেখা গেল, স্মৃতিস্তম্ভ পেছনে রেখে একা, যুগল, দলবেঁধে মুঠোফোনে সেলফি তুলছেন।

সকাল থেকেই নানান রঙে সাজসজ্জা করে ফুল দিতে এসেছেন অনেকেই। তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণির অনেককে দেখা গেল, স্মৃতিস্তম্ভ পেছনে রেখে একা, যুগল, দলবেঁধে মুঠোফোনে সেলফি তুলছেন।

ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শুরু হয় বিজয় দিবসের কর্মসূচি। সাড়ে ছয়টার পর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাদের চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বস্তরের মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এরপর ফুল হাতে জনতার ঢল নামে। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহীদের স্মৃতির মিনার।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল

আপডেট সময় : ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় মহান বিজয় দিবসে ফুল হাতে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল নেমেছে।

শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহর থেকেই এ ঢল নামতে শুরু করে।

সবুজ ঘাস, রঙিন ফুলের গাছের পাশে খয়েরি ইটের সড়ক। মধ্যখানে সাত স্তম্ভের স্মৃতিসৌধ একা দাঁড়িয়ে। অগ্রহায়ণের সকালে এখানে প্রতিদিন রোদ পোহায় শিশির ভেজা ঘাস। তবে ১৬ ডিসেম্বর এলে বদলে যায় পরিবেশ। মানুষের আনাগোনায় ভরে উঠে চারপাশ। সৌধের সামনে বেদি ভরে উঠে ফুলে ফুলে। এবছরেও দেখা গেল একই চিত্র। মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ভোরের আলো ফুটতেই স্মৃতিসৌধে ছুটে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তাদের স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগের পরেই সৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সবার জন্য। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকায় নামে লাখো মানুষের ঢল। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফুলে ভরে উঠে স্মৃতিসৌধের বেদি।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ফুল হাতে শহীদদের জন্য তৈরি বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান হাজারো মানুষ। আনন্দ উচ্ছ্বাসে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে স্মৃতিসৌধ এলাকা। বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই শিশু-ছেলে-বুড়োসহ সব বয়সী মানুষ ছুটে আসেন সাভারে। শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারাও। তাদের অনেকের হাতে শোভা পাচ্ছে লাল-সবুজের পতাকা। পোশাকে লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি, কণ্ঠে দেশের গান।

এতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বেদিতে ফুল দিয়েছেন। শহিদদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আবেগ জানিয়েছেন তারা।

এ ছাড়া শ্রদ্ধা জানাতে আসেন রাজনীতিক, কূটনীতিক, সমাজকর্মী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী শিল্পী-বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা, পেশাজীবী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, সর্বোপরি সাধারণ মানুষ। এতে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধার পুষ্পাঞ্জলিতে ঢেকে যায় বেদি।

সকাল থেকেই নানান রঙে সাজসজ্জা করে ফুল দিতে এসেছেন অনেকেই। তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণির অনেককে দেখা গেল, স্মৃতিস্তম্ভ পেছনে রেখে একা, যুগল, দলবেঁধে মুঠোফোনে সেলফি তুলছেন।

সকাল থেকেই নানান রঙে সাজসজ্জা করে ফুল দিতে এসেছেন অনেকেই। তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণির অনেককে দেখা গেল, স্মৃতিস্তম্ভ পেছনে রেখে একা, যুগল, দলবেঁধে মুঠোফোনে সেলফি তুলছেন।

ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শুরু হয় বিজয় দিবসের কর্মসূচি। সাড়ে ছয়টার পর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাদের চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বস্তরের মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এরপর ফুল হাতে জনতার ঢল নামে। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহীদের স্মৃতির মিনার।