ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

‘জাতিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে যে পরিণতির দিকে সরকার নিয়ে যাচ্ছে তা ভয়াবহ। জাতিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ মঙ্গলবার (১১ই এপ্রিল) রাজধানীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক কাঠামো শীর্ষক এক সেমিনারে এ অভিযোগ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টের মতো নানা আইন দিয়ে মানুষকে কথা বলা থেকে বন্ধ রাখছে সরকার। সরকার নানা মারণাস্ত্র ব্যবহার করছে নাগরিকদের তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে। এখন একটাই পথ সরকারকে সরাতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। সরকারের মানুষের সমস্যার দিকে কোন খেয়াল নেই।

তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন, একে সামনে রেখে কেউ যাতে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে না পারে, কেউ যাতে নির্বাচনে বাধা দিতে না পারে সেজন্য এসব আইনের আশ্রয় নিচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সম্পূর্ণ দূরে রেখে পার পেতে চায়।

বিএনপি জোটকে ক্ষমতায় নিতে নয়, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। সকল কালাকানুন সবার আগে ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট বাতিল করতে হবে।

সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এই আইন গণতন্ত্র, মানবাধিকার পরিপন্থী। সরকার অত্যাবশ্যক পরিষেবা বিল উত্থাপন করেছে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায়। ভবিষ্যতে আন্দোলন সংগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করতে এমন আইন করছে। ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।গণআন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। তাহলেই মুক্তি মিলবে।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এত বছর রাজনীতি করে এখন খুব অসহায় বোধ করছি, সরকারের সাথে পেরে ওঠা যাচ্ছে না। সরকার একের পর এক নিবর্তনমূলক আইন করছে। সরকার ক্ষমতা হারাবার ভয়ে বিভিন্ন আইনের ওপর ভর করে দমিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এখনই সঠিক সময় সরকারকে হটানোর। নইলে মুক্তি মিলবে না। সামনে সরকারের অনেক ষড়যন্ত্র আসবে সেগুলো সতর্কভাবে মোকাবেলা করতে হবে।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কেউ রেহাই পাবে না। যত দ্রুত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সরকারকে সরানো যাবে ততই মঙ্গল।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘জাতিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার’

আপডেট সময় : ০২:৪২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে যে পরিণতির দিকে সরকার নিয়ে যাচ্ছে তা ভয়াবহ। জাতিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ মঙ্গলবার (১১ই এপ্রিল) রাজধানীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক কাঠামো শীর্ষক এক সেমিনারে এ অভিযোগ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টের মতো নানা আইন দিয়ে মানুষকে কথা বলা থেকে বন্ধ রাখছে সরকার। সরকার নানা মারণাস্ত্র ব্যবহার করছে নাগরিকদের তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে। এখন একটাই পথ সরকারকে সরাতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। সরকারের মানুষের সমস্যার দিকে কোন খেয়াল নেই।

তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন, একে সামনে রেখে কেউ যাতে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে না পারে, কেউ যাতে নির্বাচনে বাধা দিতে না পারে সেজন্য এসব আইনের আশ্রয় নিচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সম্পূর্ণ দূরে রেখে পার পেতে চায়।

বিএনপি জোটকে ক্ষমতায় নিতে নয়, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। সকল কালাকানুন সবার আগে ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট বাতিল করতে হবে।

সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এই আইন গণতন্ত্র, মানবাধিকার পরিপন্থী। সরকার অত্যাবশ্যক পরিষেবা বিল উত্থাপন করেছে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায়। ভবিষ্যতে আন্দোলন সংগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করতে এমন আইন করছে। ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।গণআন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। তাহলেই মুক্তি মিলবে।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এত বছর রাজনীতি করে এখন খুব অসহায় বোধ করছি, সরকারের সাথে পেরে ওঠা যাচ্ছে না। সরকার একের পর এক নিবর্তনমূলক আইন করছে। সরকার ক্ষমতা হারাবার ভয়ে বিভিন্ন আইনের ওপর ভর করে দমিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এখনই সঠিক সময় সরকারকে হটানোর। নইলে মুক্তি মিলবে না। সামনে সরকারের অনেক ষড়যন্ত্র আসবে সেগুলো সতর্কভাবে মোকাবেলা করতে হবে।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কেউ রেহাই পাবে না। যত দ্রুত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সরকারকে সরানো যাবে ততই মঙ্গল।