ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জহির হত্যা : আবারও বিবাদীদের বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

জহির হত্যা : বিবাদীদের বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাট

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি জহির হত্যার জের ধরে বাদী পক্ষের লোকজন নতুন করে আবারও বিবাদী পক্ষের লোকজনের  বাড়ী-ঘর ভাংচুর করে লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রবিবার  ভুক্তভোগী  শামসুন নাহার, শাহিদা আক্তার, আখি আক্তার, সালেহা বেগম ও দেলোয়ারা বেগম বলেন, জহির হত্যার ঘটনার সময় তাদের স্বামীরা বাড়িতে ছিলেননা । তারা নিরপরাধ দাবী করে বলেন, আমাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিচার চাই, পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যাক্তিদের জহির হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ারও দাবী জানান তারা। এছাড়া তারা আরো বলেন মোহন ভূইয়ার ৪ ছেলের ৪ টি ঘর, সফিক ভূইয়ার ২টি ঘর, আলম ভূইয়ার ১টি ঘর ভাংচুর করে লুটপাট করে করে নিয়ে যায় বাদী পক্ষের লোকজন এবং আলম ভূইয়ার ১টি সিএনজিতে অগ্নিসংযোগ করে দেয় বলে অভিযোগ তোলেন তারা।
মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা লাইলি আক্তার বলেন, আজ সকালে দেখেছি করিম ভূইয়ার মেয়েরা এসে অটোরিক্সায় ভরে মালামাল নিয়ে গেছে।
নিহত যুবলীগ নেতা  জহির মোল্লার ছোট ভাই মামলার বাদী এসহাক মোল্লা বলেন, আমার ভাইকে ৬ ডিসেম্বর বিকেলে বাবুল চেয়ারম্যান ঢেকে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে। ভাইকে নিয়ে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছিলাম। আমরা বাড়িতে গিয়ে জানতে পাই জহির মোল্লার হত্যাকারীরা তাদের মালামাল নিয়ে গেছে।
আমরা বিষয়টি ওসি সাহেবকে জানিয়েছি।
হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা  ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম  বলেন, জহির হত্যাকে কেন্দ্র করে মানিককান্দি গ্রামে যা ঘটেছে তা জহির হত্যার পরপরই ঘটেছে। এখন মানিককান্দি গ্রাম শান্ত আছে।
উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর বিকেলে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদ সমর্থক সাইফুল ইসলাম গ্রুপ ও  সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা গ্রুপের মধ্যে মানিককান্দিতে জমির মালিকানা নিয়ে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে  সংঘর্ষের সময় যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লাকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

জহির হত্যা : আবারও বিবাদীদের বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাট

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি জহির হত্যার জের ধরে বাদী পক্ষের লোকজন নতুন করে আবারও বিবাদী পক্ষের লোকজনের  বাড়ী-ঘর ভাংচুর করে লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রবিবার  ভুক্তভোগী  শামসুন নাহার, শাহিদা আক্তার, আখি আক্তার, সালেহা বেগম ও দেলোয়ারা বেগম বলেন, জহির হত্যার ঘটনার সময় তাদের স্বামীরা বাড়িতে ছিলেননা । তারা নিরপরাধ দাবী করে বলেন, আমাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিচার চাই, পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যাক্তিদের জহির হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ারও দাবী জানান তারা। এছাড়া তারা আরো বলেন মোহন ভূইয়ার ৪ ছেলের ৪ টি ঘর, সফিক ভূইয়ার ২টি ঘর, আলম ভূইয়ার ১টি ঘর ভাংচুর করে লুটপাট করে করে নিয়ে যায় বাদী পক্ষের লোকজন এবং আলম ভূইয়ার ১টি সিএনজিতে অগ্নিসংযোগ করে দেয় বলে অভিযোগ তোলেন তারা।
মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা লাইলি আক্তার বলেন, আজ সকালে দেখেছি করিম ভূইয়ার মেয়েরা এসে অটোরিক্সায় ভরে মালামাল নিয়ে গেছে।
নিহত যুবলীগ নেতা  জহির মোল্লার ছোট ভাই মামলার বাদী এসহাক মোল্লা বলেন, আমার ভাইকে ৬ ডিসেম্বর বিকেলে বাবুল চেয়ারম্যান ঢেকে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে। ভাইকে নিয়ে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছিলাম। আমরা বাড়িতে গিয়ে জানতে পাই জহির মোল্লার হত্যাকারীরা তাদের মালামাল নিয়ে গেছে।
আমরা বিষয়টি ওসি সাহেবকে জানিয়েছি।
হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা  ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম  বলেন, জহির হত্যাকে কেন্দ্র করে মানিককান্দি গ্রামে যা ঘটেছে তা জহির হত্যার পরপরই ঘটেছে। এখন মানিককান্দি গ্রাম শান্ত আছে।
উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর বিকেলে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদ সমর্থক সাইফুল ইসলাম গ্রুপ ও  সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা গ্রুপের মধ্যে মানিককান্দিতে জমির মালিকানা নিয়ে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে  সংঘর্ষের সময় যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লাকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ।