ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

চীনা নেতৃত্বের বক্তব্য উড়িয়ে দিলেন বাইডেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাউডেন চলতি সপ্তাহে বেইজিংয়ের দেওয়া কঠোর বাগাড়ম্বরপূর্ণ বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন। ওই বক্তব্যে কমিউনিষ্ট এ দেশের নেতৃত্ব বিপজ্জনকভাবে একটি আক্রমনাত্মক ভঙ্গি গ্রহণ করায় ওয়াশিংটনকে অভিযুক্ত করেছে। খবর এএফপি’র।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং অন্যদের অস্বাভাবিকভাবে সরাসরি সমালোচনার বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বাইডেন বলেন, ‘বেশি কিছু নয়।’
শি’র উদ্ধৃতি দিয়ে সোমবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ‘চীনকে সর্বাত্মক নিয়ন্ত্রণ, ঘেরাও এবং দমনের’ পশ্চিমা প্রচেষ্টা নেতৃত্ব দিচ্ছে।

শি বলেন, এটি ‘আমাদের দেশের উন্নয়নে অভূতপূর্ব গুরুতর চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে।’

মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক্ষেত্রে মার্কিন নীতি অপরিবর্তিত থাকলে ‘বিপর্যয়কর পরিণতি’ হতে পারে।
কিন আরো বলেন, এক্ষেত্রে ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র না থেমে ভুল পথে গতি বাড়াতে থাকে, তাহলে কোন রেলিংই লাইনচ্যুত হওয়া ঠেকাতে পারবে না এবং অবশ্যই সংঘাত ও সংঘর্ষ হবে।’

বাইডেন প্রতিদ্বন্দ্বী পরাশক্তিগুলোর মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি যেটিতে কূটনৈতিক ‘রেলিং’ বলেছেন তা দাঁড় করাতে চেয়েছেন।
যাই হোক গত নভেম্বরে বাইডেন ও শি’র সম্মেলনের পর সম্পর্কের উন্নতির লক্ষণ দেখা দেওয়া সত্ত্বেও মার্কিন সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় উড়ে বেড়ানো চীনের একটি গুপ্তচর বেলুন গুলি করে ভূপাতিত করার পর দু’দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনা নেতৃত্বের বক্তব্য উড়িয়ে দিলেন বাইডেন

আপডেট সময় : ০২:১৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাউডেন চলতি সপ্তাহে বেইজিংয়ের দেওয়া কঠোর বাগাড়ম্বরপূর্ণ বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন। ওই বক্তব্যে কমিউনিষ্ট এ দেশের নেতৃত্ব বিপজ্জনকভাবে একটি আক্রমনাত্মক ভঙ্গি গ্রহণ করায় ওয়াশিংটনকে অভিযুক্ত করেছে। খবর এএফপি’র।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং অন্যদের অস্বাভাবিকভাবে সরাসরি সমালোচনার বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বাইডেন বলেন, ‘বেশি কিছু নয়।’
শি’র উদ্ধৃতি দিয়ে সোমবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ‘চীনকে সর্বাত্মক নিয়ন্ত্রণ, ঘেরাও এবং দমনের’ পশ্চিমা প্রচেষ্টা নেতৃত্ব দিচ্ছে।

শি বলেন, এটি ‘আমাদের দেশের উন্নয়নে অভূতপূর্ব গুরুতর চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে।’

মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক্ষেত্রে মার্কিন নীতি অপরিবর্তিত থাকলে ‘বিপর্যয়কর পরিণতি’ হতে পারে।
কিন আরো বলেন, এক্ষেত্রে ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র না থেমে ভুল পথে গতি বাড়াতে থাকে, তাহলে কোন রেলিংই লাইনচ্যুত হওয়া ঠেকাতে পারবে না এবং অবশ্যই সংঘাত ও সংঘর্ষ হবে।’

বাইডেন প্রতিদ্বন্দ্বী পরাশক্তিগুলোর মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি যেটিতে কূটনৈতিক ‘রেলিং’ বলেছেন তা দাঁড় করাতে চেয়েছেন।
যাই হোক গত নভেম্বরে বাইডেন ও শি’র সম্মেলনের পর সম্পর্কের উন্নতির লক্ষণ দেখা দেওয়া সত্ত্বেও মার্কিন সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় উড়ে বেড়ানো চীনের একটি গুপ্তচর বেলুন গুলি করে ভূপাতিত করার পর দু’দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়।