ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

চিতলমারী কৃষি দপ্তর ৪ হাজার একর জমিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে কাজ করছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩
  • / ৪৮২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

// চিতলমারী প্রতিনিধি //

বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রায় চার একর জমিতে গ্রীষ্ম কালিন বিভিন্ন সবজি উৎপাদন হচ্ছে। এখানের ৭টি ইউনিয়নে ২১টি ব্লক রয়েছে। সেই সবজি নিরাপদ ভাবে উৎপাদনের জন্য স্থানীয় কৃষি দপ্তরের একাধিক টিম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ উপায়ে সবজি চাষ ও উৎপাদন করতে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করার পাশাপাশি তথ্য সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধু করা হয়েছে। তাইতো এখন ভোক্তাদের হাতে চাষিরা ‘নিরাপদ সবজি’ তুলে দিতে পারছে। দেশে বিভিন্ন এলাকার সবজির চাহিদা মেটাচ্ছে এ অঞ্চলের চাষিরা। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দুপুরে এমনটাই জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সিফাত-আল-মারুফ।

 

আরও পড়ুন : শ্রীনগরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে নানা আয়োজন 

তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ১ হাজার ৯শ’ ৪৯ একর জমিতে শসা, ৪শ’ ৪০ একর জমিতে করল্লা, ১শ’ ১৬ একর জমিতে উচ্ছে, ৭২ একর জমিতে পুইশাক, ১শ’ ১৯ একর জমিতে চালকুমড়া, ৭২ একর জমিতে ঢেঁড়স, ৫০ একর জমিতে ঝিংগা, ৬০ একর জমিতে চিচিংগা, ৭০ একর জমিতে ডাটা, ৬২ একর জমিতে বেগুন, ৩৫ একর জমিতে কচুরলতি, ৬৭ একর জমিতে বরবটি, ৫শ’ ৪ একর জমিতে মিষ্টি কুমড়া, ৩ একর জমিতে কাকরোল, ৩০ একর জমিতে কচুরমুখি, ১শ’ ২৬ একর জমিতে লাউ ও ৪২ একর জমিতে পানি কচু চাষ হচ্ছে। প্রতিটি খেত থেকে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের লক্ষে চাষিদের জৈব বালাই নাশক, ফেরোমন ট্রাপ (গন্ধ), আঠালো ফাঁদ ও অপেক্ষমান সময়ে বিষ প্রয়োগের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সে ভাবেই কাজ করছে এ অঞ্চলের সবজি চাষিরা। সে জন্যই ভোক্তাদের হাতে চাষিরা ‘নিরাপদ সবজি’ তুলে দিতে পারছে। প্রতিদিন দেশে বিভিন্ন এলাকার শতাধিক ট্রাক ভারে যাচ্ছে এ সবজি।

সোমবার (২৪ জুলাই) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহন কুমার ঘোষ, বাগেরহাট খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম নিরাপদ সবজি উৎপাদনের বিভিন্ন খেত পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে খলিশাখালী গ্রামের সবজি চাষি সুমন পোদ্দার, চরবানিয়ারী উত্তরপাড়া গ্রামের রুবেল গাইন, টেকের বাজারের সাধন গাইন ও চরবানিয়ারী পশ্চিমপাড়া গ্রামের কানাই মজুমদার বলেন, নিরাপদ সবজি চাষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা নিয়মিত আমাদের খোজ-খবর রাখেন। এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে আমরা লাভবান।

নিউজটি শেয়ার করুন

চিতলমারী কৃষি দপ্তর ৪ হাজার একর জমিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে কাজ করছে

আপডেট সময় : ০৫:২১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩

// চিতলমারী প্রতিনিধি //

বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রায় চার একর জমিতে গ্রীষ্ম কালিন বিভিন্ন সবজি উৎপাদন হচ্ছে। এখানের ৭টি ইউনিয়নে ২১টি ব্লক রয়েছে। সেই সবজি নিরাপদ ভাবে উৎপাদনের জন্য স্থানীয় কৃষি দপ্তরের একাধিক টিম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ উপায়ে সবজি চাষ ও উৎপাদন করতে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করার পাশাপাশি তথ্য সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধু করা হয়েছে। তাইতো এখন ভোক্তাদের হাতে চাষিরা ‘নিরাপদ সবজি’ তুলে দিতে পারছে। দেশে বিভিন্ন এলাকার সবজির চাহিদা মেটাচ্ছে এ অঞ্চলের চাষিরা। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দুপুরে এমনটাই জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সিফাত-আল-মারুফ।

 

আরও পড়ুন : শ্রীনগরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে নানা আয়োজন 

তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ১ হাজার ৯শ’ ৪৯ একর জমিতে শসা, ৪শ’ ৪০ একর জমিতে করল্লা, ১শ’ ১৬ একর জমিতে উচ্ছে, ৭২ একর জমিতে পুইশাক, ১শ’ ১৯ একর জমিতে চালকুমড়া, ৭২ একর জমিতে ঢেঁড়স, ৫০ একর জমিতে ঝিংগা, ৬০ একর জমিতে চিচিংগা, ৭০ একর জমিতে ডাটা, ৬২ একর জমিতে বেগুন, ৩৫ একর জমিতে কচুরলতি, ৬৭ একর জমিতে বরবটি, ৫শ’ ৪ একর জমিতে মিষ্টি কুমড়া, ৩ একর জমিতে কাকরোল, ৩০ একর জমিতে কচুরমুখি, ১শ’ ২৬ একর জমিতে লাউ ও ৪২ একর জমিতে পানি কচু চাষ হচ্ছে। প্রতিটি খেত থেকে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের লক্ষে চাষিদের জৈব বালাই নাশক, ফেরোমন ট্রাপ (গন্ধ), আঠালো ফাঁদ ও অপেক্ষমান সময়ে বিষ প্রয়োগের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সে ভাবেই কাজ করছে এ অঞ্চলের সবজি চাষিরা। সে জন্যই ভোক্তাদের হাতে চাষিরা ‘নিরাপদ সবজি’ তুলে দিতে পারছে। প্রতিদিন দেশে বিভিন্ন এলাকার শতাধিক ট্রাক ভারে যাচ্ছে এ সবজি।

সোমবার (২৪ জুলাই) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহন কুমার ঘোষ, বাগেরহাট খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম নিরাপদ সবজি উৎপাদনের বিভিন্ন খেত পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে খলিশাখালী গ্রামের সবজি চাষি সুমন পোদ্দার, চরবানিয়ারী উত্তরপাড়া গ্রামের রুবেল গাইন, টেকের বাজারের সাধন গাইন ও চরবানিয়ারী পশ্চিমপাড়া গ্রামের কানাই মজুমদার বলেন, নিরাপদ সবজি চাষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা নিয়মিত আমাদের খোজ-খবর রাখেন। এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে আমরা লাভবান।