ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

চামড়া ব্যবসায় এবার সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না : র‍্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪
  • / ৪১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেছেন, ‘মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের আমরা সতর্ক করতে চাই, চামড়া ব্যবসায় নিয়ে এবার কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না।’

আজ শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক হাটে উপস্থিত আছেন। অসুস্থ, রোগাক্রান্ত কিংবা মোটা-তাজা করতে ওষুধ প্রয়োগ করা কোনো পশু বিক্রি করা যাবে না। এ ধরনের কার্যক্রম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণিসম্পদ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাটে কোরবানির পশু কিনতে আসা ক্রেতাদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’

র‍্যাব কর্মকর্তা আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘গাবতলী পশুর হাটসহ প্রতিটি হাটে আমার ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় র‍্যাব সদস্যরা কাজ করছে। র‍্যাব ব্যাটালিয়ন কন্ট্রোল রুম প্যাট্রলিংয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া কোনো ক্রেতা-বিক্রেতা কোনো ধরনের ভোগান্তি বা সমস্যায় পড়লে আমাদের কন্ট্রোল রুমে অথবা র‍্যাব সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা করব।’

কোরবানির পশুর চামড়া সিন্ডিকেটের বিষয়ে সতর্ক করে আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের আমরা সতর্ক করতে চাই। চামড়া ব্যবসায় নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না। চামড়ার ব্যবসা নিয়ে যাতে কোনো এলাকায় গোলমাল সৃষ্টি না হয়। সে ব্যাপারে আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলবে।’

কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘রাজধানীর প্রতিটা মহল্লা ও রাস্তাঘাটে আমাদের টহল টিম ও স্ট্রাইকিং টিম আছে। কোরবানির পশু নিয়ে অথবা পশু কিনতে হাটে যাওয়ার সময় রাস্তায় যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারেও আমরা সতর্ক আছি। তবে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী গরুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। রাস্তার ওপরে বা হাটের সীমানার বাইরে গরু নিয়ে বসেছি কি না, সেটি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলব। যাতে ব্যাপারীর কোনো অসুবিধায় না পড়েন।’

অনেক হাট আবাসিক এলাকার মধ্যে বসেছে, এ বিষয় জানতে চাইলে কমান্ডার আরাফাত বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করব। আমি জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান করব, তারা যেন তাদের দায়িত্ব পালন করেন এবং এই বিষয়টি দেখেন।’

এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন ও কোনো অভিযোগ থাকলে আমাদের জানান। কেউ যদি এ রকম কার্যক্রম করে থাকেন যা আইনবিরোধী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে, কেউ এক হাটের গরু অন্য হাটে নিতে পারবে না। এ ব্যাপারে গরু বিক্রেতার অভিযোগ জানালে আমার অবশ্যই যথাযথ পদক্ষেপ নেব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

চামড়া ব্যবসায় এবার সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না : র‍্যাব

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেছেন, ‘মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের আমরা সতর্ক করতে চাই, চামড়া ব্যবসায় নিয়ে এবার কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না।’

আজ শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক হাটে উপস্থিত আছেন। অসুস্থ, রোগাক্রান্ত কিংবা মোটা-তাজা করতে ওষুধ প্রয়োগ করা কোনো পশু বিক্রি করা যাবে না। এ ধরনের কার্যক্রম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণিসম্পদ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাটে কোরবানির পশু কিনতে আসা ক্রেতাদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’

র‍্যাব কর্মকর্তা আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘গাবতলী পশুর হাটসহ প্রতিটি হাটে আমার ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় র‍্যাব সদস্যরা কাজ করছে। র‍্যাব ব্যাটালিয়ন কন্ট্রোল রুম প্যাট্রলিংয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া কোনো ক্রেতা-বিক্রেতা কোনো ধরনের ভোগান্তি বা সমস্যায় পড়লে আমাদের কন্ট্রোল রুমে অথবা র‍্যাব সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা করব।’

কোরবানির পশুর চামড়া সিন্ডিকেটের বিষয়ে সতর্ক করে আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের আমরা সতর্ক করতে চাই। চামড়া ব্যবসায় নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না। চামড়ার ব্যবসা নিয়ে যাতে কোনো এলাকায় গোলমাল সৃষ্টি না হয়। সে ব্যাপারে আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলবে।’

কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘রাজধানীর প্রতিটা মহল্লা ও রাস্তাঘাটে আমাদের টহল টিম ও স্ট্রাইকিং টিম আছে। কোরবানির পশু নিয়ে অথবা পশু কিনতে হাটে যাওয়ার সময় রাস্তায় যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারেও আমরা সতর্ক আছি। তবে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী গরুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। রাস্তার ওপরে বা হাটের সীমানার বাইরে গরু নিয়ে বসেছি কি না, সেটি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলব। যাতে ব্যাপারীর কোনো অসুবিধায় না পড়েন।’

অনেক হাট আবাসিক এলাকার মধ্যে বসেছে, এ বিষয় জানতে চাইলে কমান্ডার আরাফাত বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করব। আমি জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান করব, তারা যেন তাদের দায়িত্ব পালন করেন এবং এই বিষয়টি দেখেন।’

এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আরাফাত ইসলাম বলেন, ‘তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন ও কোনো অভিযোগ থাকলে আমাদের জানান। কেউ যদি এ রকম কার্যক্রম করে থাকেন যা আইনবিরোধী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে, কেউ এক হাটের গরু অন্য হাটে নিতে পারবে না। এ ব্যাপারে গরু বিক্রেতার অভিযোগ জানালে আমার অবশ্যই যথাযথ পদক্ষেপ নেব।’