ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

চাখারে ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাহাদ সুমন,বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
  • / ৪২২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখারে ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত নাদিয়া আক্তার মিমি (১৪) নামের ৮ম শ্রেণির মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১ জুলাই ) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে প্রকৃত মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে মুঠোফোনে কথা বলা নিয়ে মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে সে আত্মহত্যা করেছে। জানাগেছে, নরসিংদিতে মিমির বাবা নজরুল ইসলাম মারা যাওয়ার পরে তার মা তানিয়া বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের দড়িকর গ্রামে রিপন নামের একজনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মায়ের কাছে থেকে মিমি স্থানীয় চাখার দরবার শরীফ মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

রবিবার (৩০ জুন) সাঝের বেলায় বাড়ির সামনের রাস্তায় গিয়ে নরসিংদির চাচার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে মিমি। এনিয়ে তার মায়ের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘরের সিলিং ফ্যানে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মাইনুল ইসলাম জানান, এ ব্যপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। প্রকৃত মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

চাখারে ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখারে ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত নাদিয়া আক্তার মিমি (১৪) নামের ৮ম শ্রেণির মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১ জুলাই ) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে প্রকৃত মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে মুঠোফোনে কথা বলা নিয়ে মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে সে আত্মহত্যা করেছে। জানাগেছে, নরসিংদিতে মিমির বাবা নজরুল ইসলাম মারা যাওয়ার পরে তার মা তানিয়া বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের দড়িকর গ্রামে রিপন নামের একজনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মায়ের কাছে থেকে মিমি স্থানীয় চাখার দরবার শরীফ মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

রবিবার (৩০ জুন) সাঝের বেলায় বাড়ির সামনের রাস্তায় গিয়ে নরসিংদির চাচার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে মিমি। এনিয়ে তার মায়ের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘরের সিলিং ফ্যানে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মাইনুল ইসলাম জানান, এ ব্যপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। প্রকৃত মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

বাখ//আর