ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ঘোড়াঘাটে পিঠা উৎসব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৩৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর প্রতিনিধি :

ঘোড়াঘাটে এই প্রথম কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। এমন উৎসবে এলাকার লোকজন পিঠা মেলা দেখতে হুমরী খেয়ে পরে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের আগমন এতটাই বেশী ছিল যে, পিঠা উৎসব প্রাঙ্গনে তীল ধারনের ঠাই ছিল না।

গতকাল শনিবার দিনব্যাপি এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে ঘোড়াঘাট ট্যালেন্ট প্রী-ক্যাডেট স্কুল। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বর্তমান সভাপতি আরব আলী দেওয়ানের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৬শর বেশি ছাত্র ছাত্রী লেখা পড়া করছে।

প্রধান শিক্ষক ফিরোজ কাদির বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পিঠাপুলির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই পিঠার আয়োজন ।

সহকারি শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, এই প্রথম আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামীতে আরো বড় পরিসরে আয়োজন করার আশা করছি।

সহকারি শিক্ষিকা আয়েশা খাতুন বলেন, পিঠা উৎসবে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশুদের আগমন দেখে আমরা ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছি, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্ত্বর কানায় কানায় ভরে যায়।

উল্লেখ্য, পিঠা উৎসবে ৮টি ষ্টলে প্রায় অর্ধশত প্রকারের পিঠা প্রদর্শন করা হয়। জানা যায়, মেলায় আসা দর্শনার্থীরা প্রায় সব পিঠাই ক্রয় করে নিয়ে যান।

 

বা/খ: জই

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘোড়াঘাটে পিঠা উৎসব

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩

ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর প্রতিনিধি :

ঘোড়াঘাটে এই প্রথম কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। এমন উৎসবে এলাকার লোকজন পিঠা মেলা দেখতে হুমরী খেয়ে পরে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের আগমন এতটাই বেশী ছিল যে, পিঠা উৎসব প্রাঙ্গনে তীল ধারনের ঠাই ছিল না।

গতকাল শনিবার দিনব্যাপি এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে ঘোড়াঘাট ট্যালেন্ট প্রী-ক্যাডেট স্কুল। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বর্তমান সভাপতি আরব আলী দেওয়ানের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৬শর বেশি ছাত্র ছাত্রী লেখা পড়া করছে।

প্রধান শিক্ষক ফিরোজ কাদির বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পিঠাপুলির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই পিঠার আয়োজন ।

সহকারি শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, এই প্রথম আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামীতে আরো বড় পরিসরে আয়োজন করার আশা করছি।

সহকারি শিক্ষিকা আয়েশা খাতুন বলেন, পিঠা উৎসবে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশুদের আগমন দেখে আমরা ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছি, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্ত্বর কানায় কানায় ভরে যায়।

উল্লেখ্য, পিঠা উৎসবে ৮টি ষ্টলে প্রায় অর্ধশত প্রকারের পিঠা প্রদর্শন করা হয়। জানা যায়, মেলায় আসা দর্শনার্থীরা প্রায় সব পিঠাই ক্রয় করে নিয়ে যান।

 

বা/খ: জই