ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ঘোড়া মার্কা প্রতীক পেয়েই নানীর দোয়া নিয়ে মাঠে সাবেক চেয়ারম্যান মারুফ

মোঃ খাদেমুল ইসলাম, দিনাজপুর থেকে
  • আপডেট সময় : ০২:০০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার পাঁচ নং বিরল ইউনিয়ন, ২নং ফরক্কা বাদ ইউনিয়ন ও ১ নং আজিমপুর ইউনিয়নের প্রার্থীগণ মার্কা পেয়ে স্ব স্ব নিকট আত্মীয়দের কাছ থেকে দোয়া নিয়ে মাঠে ব্যস্ত ও তৎপর চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদের প্রার্থীরা।

প্রতীক বরাদ্দের শেষ দিনে ৫ নং বিরল ইউনিয়ন থেকে ঘোড়া মার্কা প্রতীক পেয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মারুফ হোসেন।

প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই প্রথমেই ইউনিয়নের মাধববাটি গ্রামের পূর্ব শাহাপাড়া মহল্লায় এসে প্রথমে দেখা করেন নানি প্রায় ৭৭ বছর বয়সী নানী আরজু বেগম ও নানা শয্যাশায়ী আব্দুস সামাদের সাথে। এ সময় নানীকে জড়িয়ে ধরে সফলতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা করেন।

এই সময় এলাকার সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের সমাদৃত মানুষ আলহাজ্ব শহিদুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাথায় হাত বুলিয়ে নিয়ে সফলতার জন্য আশীর্বাদ চান। এ সময় ওই মহল্লার মোঃ মোজাহার আলী বাবুসহ এলাকার বেশ কিছু পরিবারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ঘোড়া মার্কা প্রতীকেভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

এবার নিয়ে দ্বিতীয় বারের মত নির্বাচনী প্রচারণায় মোঃ মারুফ হোসেন। শতভাগ আশাবাদী তিনি দ্বিতীয়বারের মতো ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিত করে বিজয়ের মালা গলায় পড়বেন।অবশ্য জনগণের আপাত অদৃশ্য ইংগিত এমন এমনটাই বলে মন্তব্য করেন ববিপুর এলাকার মকছেদ এ পুত্র দিনমজুর হামু।

এদিকে একই ইউনিয়নের মাধববাটি গ্রামের কাবলি পাড়া এলাকা থেকে চেয়ারম্যান পদে মোঃ আতিকুর রহমান মোটরসাইকেল মার্কা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। বরাদ্দ পেয়েই ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ‌।জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনিও।

এদিকে ৫ নং বিরল উপজেলার মোকলেসপুর জয়হার এলাকার বিএনপি সমমনা প্রার্থী সাদিক আলী পেয়েছেন আনারস প্রতীক। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান গেল বারের নির্বাচনে প্রশাসন জোর করে তাকে ৮০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজয় দেখান। তবে এবারে ভোট সুষ্ঠভাবে ও নিরপেক্ষ হবে বলে এখন পর্যন্ত এমন বিশ্বাসে বিশ্বাসী তিনি।

৫ নং বিরল ইউনিয়নের দশটি ওয়ার্ডে মোট পুরুষ ভোটার ৯৯১৭ জন এবং মহিলা ভোটার ৯৭২০ জন মোট ভোটার ১৯৬৩৭ জন।

এর মধ্যে এক নং ওয়ার্ডের করলা গ্রামে মোট ভোটার ৮২২ জন, দুর্গাপুর গ্রামে ভোটার ৩৬৭ জন, বুজরুক বাসুদেবপুর গ্রামে মোট ভোটার ৪৭৩ জন, ছোট তিলাইন মোট ভোটার ৩৯৬ জন, পচাকান্দর ৩৭১ জন, মাধববাটি আংশিক ১৮৫০ জন, বিনোদপুর ৩২১ জন, মাদকবাটি আংশিক ১৯৪৬ জন, চক সীমানা ১৫৭ জন, ভাটপাড়া ২১৮ জন, রামচন্দ্রপুর ৪০৪ জন, সাবইল ৩২০ জন ,শংকরপুর আংশিক ১৫ জন, পূর্বমহেশপুর ৯৪১ জন, রবিপুর ১৪১৮ জন, পুরিয়া ৯৫০ জন, ভরতপুর ৭৪০ জন, বিরল ধর্মদহ ৩৬৭ জন, বিরল ৭ নং অংশ ১৪৯২ জন, আলিপুর ২৯০ জন ,দরবারপুর ৬৪৪ জন, দুলহরী ১০৭১ জন, নরোত্তমপুর ৮৫০ জন মোকলেসপুর ২২১৪ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ এপ্রিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘোড়া মার্কা প্রতীক পেয়েই নানীর দোয়া নিয়ে মাঠে সাবেক চেয়ারম্যান মারুফ

আপডেট সময় : ০২:০০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪

দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার পাঁচ নং বিরল ইউনিয়ন, ২নং ফরক্কা বাদ ইউনিয়ন ও ১ নং আজিমপুর ইউনিয়নের প্রার্থীগণ মার্কা পেয়ে স্ব স্ব নিকট আত্মীয়দের কাছ থেকে দোয়া নিয়ে মাঠে ব্যস্ত ও তৎপর চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদের প্রার্থীরা।

প্রতীক বরাদ্দের শেষ দিনে ৫ নং বিরল ইউনিয়ন থেকে ঘোড়া মার্কা প্রতীক পেয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মারুফ হোসেন।

প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই প্রথমেই ইউনিয়নের মাধববাটি গ্রামের পূর্ব শাহাপাড়া মহল্লায় এসে প্রথমে দেখা করেন নানি প্রায় ৭৭ বছর বয়সী নানী আরজু বেগম ও নানা শয্যাশায়ী আব্দুস সামাদের সাথে। এ সময় নানীকে জড়িয়ে ধরে সফলতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা করেন।

এই সময় এলাকার সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের সমাদৃত মানুষ আলহাজ্ব শহিদুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাথায় হাত বুলিয়ে নিয়ে সফলতার জন্য আশীর্বাদ চান। এ সময় ওই মহল্লার মোঃ মোজাহার আলী বাবুসহ এলাকার বেশ কিছু পরিবারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ঘোড়া মার্কা প্রতীকেভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

এবার নিয়ে দ্বিতীয় বারের মত নির্বাচনী প্রচারণায় মোঃ মারুফ হোসেন। শতভাগ আশাবাদী তিনি দ্বিতীয়বারের মতো ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিত করে বিজয়ের মালা গলায় পড়বেন।অবশ্য জনগণের আপাত অদৃশ্য ইংগিত এমন এমনটাই বলে মন্তব্য করেন ববিপুর এলাকার মকছেদ এ পুত্র দিনমজুর হামু।

এদিকে একই ইউনিয়নের মাধববাটি গ্রামের কাবলি পাড়া এলাকা থেকে চেয়ারম্যান পদে মোঃ আতিকুর রহমান মোটরসাইকেল মার্কা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। বরাদ্দ পেয়েই ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ‌।জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনিও।

এদিকে ৫ নং বিরল উপজেলার মোকলেসপুর জয়হার এলাকার বিএনপি সমমনা প্রার্থী সাদিক আলী পেয়েছেন আনারস প্রতীক। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান গেল বারের নির্বাচনে প্রশাসন জোর করে তাকে ৮০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজয় দেখান। তবে এবারে ভোট সুষ্ঠভাবে ও নিরপেক্ষ হবে বলে এখন পর্যন্ত এমন বিশ্বাসে বিশ্বাসী তিনি।

৫ নং বিরল ইউনিয়নের দশটি ওয়ার্ডে মোট পুরুষ ভোটার ৯৯১৭ জন এবং মহিলা ভোটার ৯৭২০ জন মোট ভোটার ১৯৬৩৭ জন।

এর মধ্যে এক নং ওয়ার্ডের করলা গ্রামে মোট ভোটার ৮২২ জন, দুর্গাপুর গ্রামে ভোটার ৩৬৭ জন, বুজরুক বাসুদেবপুর গ্রামে মোট ভোটার ৪৭৩ জন, ছোট তিলাইন মোট ভোটার ৩৯৬ জন, পচাকান্দর ৩৭১ জন, মাধববাটি আংশিক ১৮৫০ জন, বিনোদপুর ৩২১ জন, মাদকবাটি আংশিক ১৯৪৬ জন, চক সীমানা ১৫৭ জন, ভাটপাড়া ২১৮ জন, রামচন্দ্রপুর ৪০৪ জন, সাবইল ৩২০ জন ,শংকরপুর আংশিক ১৫ জন, পূর্বমহেশপুর ৯৪১ জন, রবিপুর ১৪১৮ জন, পুরিয়া ৯৫০ জন, ভরতপুর ৭৪০ জন, বিরল ধর্মদহ ৩৬৭ জন, বিরল ৭ নং অংশ ১৪৯২ জন, আলিপুর ২৯০ জন ,দরবারপুর ৬৪৪ জন, দুলহরী ১০৭১ জন, নরোত্তমপুর ৮৫০ জন মোকলেসপুর ২২১৪ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ এপ্রিল।