ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দ্রুত মেরামতের দাবী ভুক্তভোগিদের

ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে পাইকগাছার কপিলমুনিতে ভেঙ্গে গেছে ৫০টি ঘর

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪
  • / ৪৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়নের ৭,৮ও ৯নং ওয়ার্ডের সিলেমানপুর, মালথ ও বিরাশি-বারুইডাঙ্গা গ্রামের প্রায় ৫০টি ঘর ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ভেঙ্গে গেছে। ভুক্তভোগিরা ঘর মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

কপিলমুনির সংরক্ষিত ৭,৮ও ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাজিয়া সুলতানা জানান,গত সোমবার দুপুরে কপোতাক্ষের জোয়ারের পানিতে সিলেমানপুর, মালথ ও বিরাশি-বারুইডাঙ্গা প্লাবিত হয় এবং রাতের ঝড়ো হাওয়ায় ঐ তিনটি ওয়ার্ডে বারুইডাঙ্গা আবাসনের ৪টি ঘর সহ সর্বমোট ৫০টি ঘর ভেঙ্গে গেছে।ঝড়ে ঘর ভেঙ্গে সিলেমানপুর মান্নান সরদারের মাতা আমেনা বেগম(৭০)ঘরের ভিতর আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে আমি এলাকার লোকজন কে সাথে নিয়ে আমেনা কে উদ্ধার নিরাপদ আশ্রয়ে পৌছে দিই এবং পানিবন্দী পরিবারের খোজ খবর নিয়েছি। এছাড়াও অনেক চিংড়ি ঘের ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগি আমেনা বেগম বলেন, ঝড়ের সময় আমি ঘরের ভিতরে ছিলাম। মুহূর্তের মধ্যে ঘরটি ভেঙ্গে পড়লে ঘরের ভিতরে আমি আটকা পড়ি।খবর পেয়ে মেম্বর রাজিয়া সহ এলাকাবাসি আমাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্হানে নিয়ে যায়।

আমি সরকারের কাছে একটি ঘরের দাবি জানাই। কপোতাক্ষ পড়ে বসবাসরত মীর আকবার আলী(৭৫) ও ফতেমা (৬৫)সহ অনেকেই জানান,তাদের কোন জমা-জমি নাই। তাই কপোতাক্ষের পাড়ে সরকারি ছাবড়া বেঁধে প্রায় ৩০বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। জনপ্রতিনিধি যায় আসে কিন্তু তাদের খোজ কেউ রাখেননি বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

আর প্রতিবছর দুর্যোগ আসলেই আতংকে দিন কাটে তাদের। কখন না কপোতাক্ষের পানি তাদের ভাসিয়ে নিয়ে যায় ! তাই সরকারের কাছে একটু মাথা গোজার ঠাই চেয়েছেন কপোতাক্ষের পাড়ে বসবাসরত প্রায় ২০টি পরিবার।

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

দ্রুত মেরামতের দাবী ভুক্তভোগিদের

ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে পাইকগাছার কপিলমুনিতে ভেঙ্গে গেছে ৫০টি ঘর

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়নের ৭,৮ও ৯নং ওয়ার্ডের সিলেমানপুর, মালথ ও বিরাশি-বারুইডাঙ্গা গ্রামের প্রায় ৫০টি ঘর ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ভেঙ্গে গেছে। ভুক্তভোগিরা ঘর মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

কপিলমুনির সংরক্ষিত ৭,৮ও ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাজিয়া সুলতানা জানান,গত সোমবার দুপুরে কপোতাক্ষের জোয়ারের পানিতে সিলেমানপুর, মালথ ও বিরাশি-বারুইডাঙ্গা প্লাবিত হয় এবং রাতের ঝড়ো হাওয়ায় ঐ তিনটি ওয়ার্ডে বারুইডাঙ্গা আবাসনের ৪টি ঘর সহ সর্বমোট ৫০টি ঘর ভেঙ্গে গেছে।ঝড়ে ঘর ভেঙ্গে সিলেমানপুর মান্নান সরদারের মাতা আমেনা বেগম(৭০)ঘরের ভিতর আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে আমি এলাকার লোকজন কে সাথে নিয়ে আমেনা কে উদ্ধার নিরাপদ আশ্রয়ে পৌছে দিই এবং পানিবন্দী পরিবারের খোজ খবর নিয়েছি। এছাড়াও অনেক চিংড়ি ঘের ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগি আমেনা বেগম বলেন, ঝড়ের সময় আমি ঘরের ভিতরে ছিলাম। মুহূর্তের মধ্যে ঘরটি ভেঙ্গে পড়লে ঘরের ভিতরে আমি আটকা পড়ি।খবর পেয়ে মেম্বর রাজিয়া সহ এলাকাবাসি আমাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্হানে নিয়ে যায়।

আমি সরকারের কাছে একটি ঘরের দাবি জানাই। কপোতাক্ষ পড়ে বসবাসরত মীর আকবার আলী(৭৫) ও ফতেমা (৬৫)সহ অনেকেই জানান,তাদের কোন জমা-জমি নাই। তাই কপোতাক্ষের পাড়ে সরকারি ছাবড়া বেঁধে প্রায় ৩০বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। জনপ্রতিনিধি যায় আসে কিন্তু তাদের খোজ কেউ রাখেননি বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

আর প্রতিবছর দুর্যোগ আসলেই আতংকে দিন কাটে তাদের। কখন না কপোতাক্ষের পানি তাদের ভাসিয়ে নিয়ে যায় ! তাই সরকারের কাছে একটু মাথা গোজার ঠাই চেয়েছেন কপোতাক্ষের পাড়ে বসবাসরত প্রায় ২০টি পরিবার।

বাখ//আর