সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আমি বৈবাহিক ধর্ষণের শিকার : বাঁধন বিদেশি লবিস্টদের পরামর্শে ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভারতের বিপক্ষে জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এই পারফরম্যান্স আমার জন্য সত্যিই স্মরণীয়: মিরাজ নাইজেরিয়ায় মসজিদে বন্দুক হামলা, ইমামসহ নিহত ১২ এম্বাপ্পের জাদুতে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স মশক নিধন কার্যক্রমে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা : মেয়র আতিক নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ভারতের বিপক্ষে জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে রাসিক মেয়রের অভিনন্দন ১০ তারিখে বিএনপি পাকিস্তানিদের মতোই আত্মসমর্পণ করবে: তথ্যমন্ত্রী রাজশাহীতে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ মনি’র জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আজ অব্দি শাকিব খানের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিইনি: বুবলী রাজশাহীতে লোকাল গর্ভনমেন্ট কোভিড-১৯ রিসপন্স এন্ড রিকভারি প্রজেক্ট বাস্তবায়ন ভিত্তিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাসিক মেয়রের সাথে লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রিসপন্স এন্ড রিকভারি প্রজেক্টের প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ মিরাজের বীরত্বে রুদ্ধশ্বাস জয় বাংলাদেশের

গোপন কক্ষে ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না : তথ্যমন্ত্রী

গোপন কক্ষে ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না : তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভোটের সময় ভোট কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না বলে মনে করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, গোপন কক্ষ, গোপন কক্ষই। সেখানে মানুষ গোপনে ভোট দেবে। কিন্তু সেখানে যদি ক্যামেরা লাগানো হয় তাহলে তো সেটা গোপন থাকে না। এটা সাধারণ মানুষ ও আইনজ্ঞদের অভিমত।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এটা দেখে ও অন্যদের দেখায় তাহলে সেটা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন। সিসি ক্যামেরা লাগানো যেতে পারে। কিন্তু সেটা গোপন কক্ষে সিসিটিভি নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এতে ভোটারের ভোটার হিসেবে অধিকার লঙ্ঘন হয় বলে আইনজ্ঞরা বলছেন। আমি বলছি না আইনজ্ঞরা বলছেন। এটি সবার অভিমত। সিসি ক্যামেরা থাকতে পারে তবে কে কোথায় ভোট দিচ্ছে, সেটা দেখলে কি সেটা গোপন থাকলো?

সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া নতুন ঘটনা নয় বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া নতুন ঘটনা নয়। ২০০৯ সালেও তথ্য সচিবকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া, তিন পুলিশ সুপারকে অবসর দেয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে গাফিলতি ছিল বলেই অবসর দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গাইবান্ধার উপনির্বাচনে সিসি ক্যামেরায় ভোটে কারচুপির ধরা পড়ার অভিযোগ তুলে নির্বাচন স্থগিত করে দেয় ইসি। এর প্রেক্ষিতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ইসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *