ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গোপন কক্ষে ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না : তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভোটের সময় ভোট কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না বলে মনে করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, গোপন কক্ষ, গোপন কক্ষই। সেখানে মানুষ গোপনে ভোট দেবে। কিন্তু সেখানে যদি ক্যামেরা লাগানো হয় তাহলে তো সেটা গোপন থাকে না। এটা সাধারণ মানুষ ও আইনজ্ঞদের অভিমত।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এটা দেখে ও অন্যদের দেখায় তাহলে সেটা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন। সিসি ক্যামেরা লাগানো যেতে পারে। কিন্তু সেটা গোপন কক্ষে সিসিটিভি নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এতে ভোটারের ভোটার হিসেবে অধিকার লঙ্ঘন হয় বলে আইনজ্ঞরা বলছেন। আমি বলছি না আইনজ্ঞরা বলছেন। এটি সবার অভিমত। সিসি ক্যামেরা থাকতে পারে তবে কে কোথায় ভোট দিচ্ছে, সেটা দেখলে কি সেটা গোপন থাকলো?

সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া নতুন ঘটনা নয় বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া নতুন ঘটনা নয়। ২০০৯ সালেও তথ্য সচিবকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া, তিন পুলিশ সুপারকে অবসর দেয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে গাফিলতি ছিল বলেই অবসর দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গাইবান্ধার উপনির্বাচনে সিসি ক্যামেরায় ভোটে কারচুপির ধরা পড়ার অভিযোগ তুলে নির্বাচন স্থগিত করে দেয় ইসি। এর প্রেক্ষিতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ইসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপন কক্ষে ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভোটের সময় ভোট কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগালে সেটা গোপন থাকে না বলে মনে করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, গোপন কক্ষ, গোপন কক্ষই। সেখানে মানুষ গোপনে ভোট দেবে। কিন্তু সেখানে যদি ক্যামেরা লাগানো হয় তাহলে তো সেটা গোপন থাকে না। এটা সাধারণ মানুষ ও আইনজ্ঞদের অভিমত।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এটা দেখে ও অন্যদের দেখায় তাহলে সেটা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন। সিসি ক্যামেরা লাগানো যেতে পারে। কিন্তু সেটা গোপন কক্ষে সিসিটিভি নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এতে ভোটারের ভোটার হিসেবে অধিকার লঙ্ঘন হয় বলে আইনজ্ঞরা বলছেন। আমি বলছি না আইনজ্ঞরা বলছেন। এটি সবার অভিমত। সিসি ক্যামেরা থাকতে পারে তবে কে কোথায় ভোট দিচ্ছে, সেটা দেখলে কি সেটা গোপন থাকলো?

সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া নতুন ঘটনা নয় বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া নতুন ঘটনা নয়। ২০০৯ সালেও তথ্য সচিবকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া, তিন পুলিশ সুপারকে অবসর দেয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে গাফিলতি ছিল বলেই অবসর দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গাইবান্ধার উপনির্বাচনে সিসি ক্যামেরায় ভোটে কারচুপির ধরা পড়ার অভিযোগ তুলে নির্বাচন স্থগিত করে দেয় ইসি। এর প্রেক্ষিতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ইসি।