ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গুরুদাসপুরে যৌতুকের দাবীতে নির্যাতনে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৫০২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

// গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি //

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ চম্পা খাতুনকে (৩৮) শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী নরশেদ আলীর বিরুদ্ধে। নিহতের ভাই সাইদুল ইসলাম অভিযোগ দিলেও থানায় হত্যা মামলা রুজু হয়নি। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

নিহত চম্পা খাতুন গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের নরশেদ আলীর স্ত্রী ছিলেন। গত সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে চম্পা হত্যাকান্ডের শিকার হন। রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।

নিহতের ভাই সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সোমবার সন্ধ্যায় তার বোনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবেশিদের দেয়া খবরে তিনি বোনের বাড়িতে আসেন। এসময় বোন চম্পার লাশটি ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। ঘরের আশবাবগুলো এলোমেলো ছিল। ঘরের ডাবে ঝুলছিল এক টুকো দড়ি।

তিনি বলেন, প্রায় ১৮ বছর আগে নরশেদ আলীর সাথে ছোট বোনকে বিয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি যৌতুকের জন্য চম্পাকে নির্যাতন করছিলেন বোনজামাই। সপ্তাহখানেক আগে চম্পা তাকে প্রাণ শংশয়ের কথা জানিয়ে ছিলেন। অবশেষে হত্যা করা হলো তার বোনকে। তিনি হত্যাকারিদের বিচার দাবি করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করলেই প্রকৃত ঘটনা উদঘান হবে। চেষ্টা করেও নরশেদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার রাতে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের দেয়া হত্যা দাবীর অভিযোগটি স্থলে অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গুরুদাসপুরে যৌতুকের দাবীতে নির্যাতনে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

// গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি //

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ চম্পা খাতুনকে (৩৮) শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী নরশেদ আলীর বিরুদ্ধে। নিহতের ভাই সাইদুল ইসলাম অভিযোগ দিলেও থানায় হত্যা মামলা রুজু হয়নি। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

নিহত চম্পা খাতুন গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের নরশেদ আলীর স্ত্রী ছিলেন। গত সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে চম্পা হত্যাকান্ডের শিকার হন। রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।

নিহতের ভাই সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সোমবার সন্ধ্যায় তার বোনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবেশিদের দেয়া খবরে তিনি বোনের বাড়িতে আসেন। এসময় বোন চম্পার লাশটি ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। ঘরের আশবাবগুলো এলোমেলো ছিল। ঘরের ডাবে ঝুলছিল এক টুকো দড়ি।

তিনি বলেন, প্রায় ১৮ বছর আগে নরশেদ আলীর সাথে ছোট বোনকে বিয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি যৌতুকের জন্য চম্পাকে নির্যাতন করছিলেন বোনজামাই। সপ্তাহখানেক আগে চম্পা তাকে প্রাণ শংশয়ের কথা জানিয়ে ছিলেন। অবশেষে হত্যা করা হলো তার বোনকে। তিনি হত্যাকারিদের বিচার দাবি করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করলেই প্রকৃত ঘটনা উদঘান হবে। চেষ্টা করেও নরশেদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার রাতে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের দেয়া হত্যা দাবীর অভিযোগটি স্থলে অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।