ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে আরও অন্তত ৭৯ জন মারা গেছেন। যাদের মধ্যে বেশি সংখ্যকই শিশু। এনিয়ে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

তীব্র মানবিক সংকটের এ অবস্থায় অপুষ্টির শিকার হয়ে বেশি মারা যাচ্ছে শিশুরা। বুধবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে পানিশূন্যতা ও অপুষ্টিতে ছয় শিশু মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আজ (বৃহস্পতিবার) এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক আহমেদ আল-কাহলুত বলেছেন, জেনারেটর চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে হাসপাতালটির পরিষেবা বন্ধ হয়ে পড়ছে। উত্তর গাজার হাসপাতালে পানিশূন্যতা ও অপুষ্টিতে শিশু মারা যাচ্ছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। গুরুতর অবস্থায় রয়েছে অসংখ্য শিশু।

হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শহীদ সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। গতরাতে কমপক্ষে ৭৯ জন মারা গেছে।

এদিকে গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে একমাত্র সচল হাসপাতালটি বুধবার জ্বালানির ঘাটতির কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। এতে করে গাজার এই অঞ্চলের বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবেন।

এক বিবৃতিতে গাজাভিত্তিক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্বালানির অভাব এবং জেনারেটর পরিচালনার অক্ষমতার কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এখন থেকে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা ডায়ালাইসিস পরিষেবা, নিবিড় পরিচর্যা সেবা, পেডিয়াট্রিক কেয়ার, মেডিসিন সেবা, কার্ডিওলজি কেয়ার, জেনারেল সার্জারি এবং পেডিয়াট্রিক জরুরি পরিষেবা পাবেন না বলেও এতে বলা হয়েছে।

এছাড়া ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় যে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে তাতে ফিলিস্তিনিরা বিশেষ করে উত্তর গাজার বাসিন্দারা অনাহারের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

গাজায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে আরও অন্তত ৭৯ জন মারা গেছেন। যাদের মধ্যে বেশি সংখ্যকই শিশু। এনিয়ে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

তীব্র মানবিক সংকটের এ অবস্থায় অপুষ্টির শিকার হয়ে বেশি মারা যাচ্ছে শিশুরা। বুধবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে পানিশূন্যতা ও অপুষ্টিতে ছয় শিশু মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আজ (বৃহস্পতিবার) এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক আহমেদ আল-কাহলুত বলেছেন, জেনারেটর চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে হাসপাতালটির পরিষেবা বন্ধ হয়ে পড়ছে। উত্তর গাজার হাসপাতালে পানিশূন্যতা ও অপুষ্টিতে শিশু মারা যাচ্ছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। গুরুতর অবস্থায় রয়েছে অসংখ্য শিশু।

হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শহীদ সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। গতরাতে কমপক্ষে ৭৯ জন মারা গেছে।

এদিকে গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে একমাত্র সচল হাসপাতালটি বুধবার জ্বালানির ঘাটতির কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। এতে করে গাজার এই অঞ্চলের বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবেন।

এক বিবৃতিতে গাজাভিত্তিক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্বালানির অভাব এবং জেনারেটর পরিচালনার অক্ষমতার কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এখন থেকে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা ডায়ালাইসিস পরিষেবা, নিবিড় পরিচর্যা সেবা, পেডিয়াট্রিক কেয়ার, মেডিসিন সেবা, কার্ডিওলজি কেয়ার, জেনারেল সার্জারি এবং পেডিয়াট্রিক জরুরি পরিষেবা পাবেন না বলেও এতে বলা হয়েছে।

এছাড়া ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় যে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে তাতে ফিলিস্তিনিরা বিশেষ করে উত্তর গাজার বাসিন্দারা অনাহারের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।