ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গাজায় ‘দুর্ভিক্ষ প্রায় অনিবার্য’: জাতিসংঘ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে কোন পরিবর্তন না আসলে ‘গাজায় দুর্ভিক্ষ প্রায় অনিবার্য।’ জাতিসংঘ শুক্রবার এ কথা বলেছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় যে ইসরায়েলী আগ্রাসন চলছে তাতে সেখানকার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তা সত্ত্বেও জাতিসংঘসহ অন্যান্য মানবিক কর্তৃপক্ষ গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেনি।

এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএ’র মুখপাত্র জেন্স লার্কে বলেছেন, একবার দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হলে তা অনেকের জন্যেই অনেক দেরী হয়ে যাবে। আমরা সেই পরিস্থিতি চাই না এবং তার আগেই পরিস্থিতি উন্নতি করতে চাই। মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, গাজার ২২ লাখ লোকের জন্যে সেখানকার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ।

লার্কে বলেছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবং বর্তমানের একই ধারায় চলতে থাকলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ঠেকানো যাবে না।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সোমালিয়ায় যখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয় তখন মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই না খেয়ে মারা গেছে।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমিয়ার বলেছেন, হামাস নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে গাজায় ১০ শিশুর মৃত্যু সরকারিভাবে নথিভুক্ত হয়েছে। এরা ক্ষুধায় মারা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ‘দুর্ভিক্ষ প্রায় অনিবার্য’: জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে কোন পরিবর্তন না আসলে ‘গাজায় দুর্ভিক্ষ প্রায় অনিবার্য।’ জাতিসংঘ শুক্রবার এ কথা বলেছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় যে ইসরায়েলী আগ্রাসন চলছে তাতে সেখানকার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তা সত্ত্বেও জাতিসংঘসহ অন্যান্য মানবিক কর্তৃপক্ষ গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেনি।

এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএ’র মুখপাত্র জেন্স লার্কে বলেছেন, একবার দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হলে তা অনেকের জন্যেই অনেক দেরী হয়ে যাবে। আমরা সেই পরিস্থিতি চাই না এবং তার আগেই পরিস্থিতি উন্নতি করতে চাই। মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, গাজার ২২ লাখ লোকের জন্যে সেখানকার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ।

লার্কে বলেছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবং বর্তমানের একই ধারায় চলতে থাকলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ঠেকানো যাবে না।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সোমালিয়ায় যখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয় তখন মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই না খেয়ে মারা গেছে।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমিয়ার বলেছেন, হামাস নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে গাজায় ১০ শিশুর মৃত্যু সরকারিভাবে নথিভুক্ত হয়েছে। এরা ক্ষুধায় মারা গেছে।