ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গভীর রাতের ঝড়ে লন্ডভন্ড দিনাজপুর শহরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলা

মো: খাদেমুল ইসলাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
  • / ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত রাত আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত চলা প্রচন্ড গতির ঝড়ে লন্ডভন্ড দিনাজপুর শহরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তার দুই ধারের প্রচুর পরিমাণ গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। এর ফলে গেল রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দিনাজপুর শহরের অর্ধেক অংশসহ আরো কয়েকটি উপজেলা। জেলা শহরের মধ্যে তান্ডব চলেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা ও দায়রা জজ কার্যালয় সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়ে। সকাল থেকেই এসব রাস্তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে ব্যস্ত দিনাজপুর পৌরসভা ও বিদ্যুৎ বিভাগ।

দিনাজপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আবু তৈয়ব হোসেন দুলাল জানান, গভীর রাতের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দিনাজপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা। এরমধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, জেলা দায়রা ও জেলা জজ কার্যালয়, মাহুতপাড়া, ঈদগাহ আবাসিক এলাকা, নিউ টাউন পুলহাটসহ বিভিন্ন এলাকা। পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মীরা রাত থেকে কাজ করছে ঝড়ে উপরে পড়া গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি সরাতে। সহযোগিতা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় জানায়, পুরো জেলায় কি পরিমাণ গাছ, বাড়ি, অফিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরূপণ করা হচ্ছে। আমরা ক্ষতির পরিমান নিরূপণ করার পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিব। তবে এরই মধ্যে কিছু কিছু এলাকায় পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে গত রাত থেকে বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছে পুরো শহরসহ জেলার কয়েকটি উপজেলা রয়েছে বিদ্যুৎ বিহীন। ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা গুলোর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর সদর, বিরল, কাহারোল, চিরিরবন্দর ও পার্বতীপুর এর কিছু অংশ। বিদ্যুৎ সংযোগ প্রতিস্থাপনে কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুৎ।

এদিকে স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: তোফাজ্জল হোসেন জানান, গেল মধ্যরাতে বয়ে যাওয়া ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ছিল ৫৫ কিলোমিটার থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। যে কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। উপরে পড়েছে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি।

এদিকে জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ জানান, এরই মধ্যে দিনাজপুর সদর উপজেলায় ১৫ টন, চারটি উপজেলায় বিশ টন এবং ৩০ বান্ডিল তিন বিতরণ করা হয়েছে। পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান পুরোপুরি সামনে এলে পুনর্বাসনের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের পর্যাপ্ত সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

গভীর রাতের ঝড়ে লন্ডভন্ড দিনাজপুর শহরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলা

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

গত রাত আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত চলা প্রচন্ড গতির ঝড়ে লন্ডভন্ড দিনাজপুর শহরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তার দুই ধারের প্রচুর পরিমাণ গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। এর ফলে গেল রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দিনাজপুর শহরের অর্ধেক অংশসহ আরো কয়েকটি উপজেলা। জেলা শহরের মধ্যে তান্ডব চলেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা ও দায়রা জজ কার্যালয় সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়ে। সকাল থেকেই এসব রাস্তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে ব্যস্ত দিনাজপুর পৌরসভা ও বিদ্যুৎ বিভাগ।

দিনাজপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আবু তৈয়ব হোসেন দুলাল জানান, গভীর রাতের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দিনাজপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা। এরমধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, জেলা দায়রা ও জেলা জজ কার্যালয়, মাহুতপাড়া, ঈদগাহ আবাসিক এলাকা, নিউ টাউন পুলহাটসহ বিভিন্ন এলাকা। পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মীরা রাত থেকে কাজ করছে ঝড়ে উপরে পড়া গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি সরাতে। সহযোগিতা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় জানায়, পুরো জেলায় কি পরিমাণ গাছ, বাড়ি, অফিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরূপণ করা হচ্ছে। আমরা ক্ষতির পরিমান নিরূপণ করার পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিব। তবে এরই মধ্যে কিছু কিছু এলাকায় পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে গত রাত থেকে বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছে পুরো শহরসহ জেলার কয়েকটি উপজেলা রয়েছে বিদ্যুৎ বিহীন। ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা গুলোর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর সদর, বিরল, কাহারোল, চিরিরবন্দর ও পার্বতীপুর এর কিছু অংশ। বিদ্যুৎ সংযোগ প্রতিস্থাপনে কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুৎ।

এদিকে স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: তোফাজ্জল হোসেন জানান, গেল মধ্যরাতে বয়ে যাওয়া ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ছিল ৫৫ কিলোমিটার থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। যে কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। উপরে পড়েছে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি।

এদিকে জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ জানান, এরই মধ্যে দিনাজপুর সদর উপজেলায় ১৫ টন, চারটি উপজেলায় বিশ টন এবং ৩০ বান্ডিল তিন বিতরণ করা হয়েছে। পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান পুরোপুরি সামনে এলে পুনর্বাসনের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের পর্যাপ্ত সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

 

বাখ//আর