ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ কিম জং উনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৪৯৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে অস্ত্র কারখানার কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে তিনি এ নির্দেশ দিলেন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, গতকাল রোববার একটি অস্ত্র কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে কিম এ নির্দেশ দিয়েছেন।

সম্প্রতি রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অস্ত্র কেনার ব্যাপারে কথা বলেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনে রাশিয়ার অনেক অস্ত্র দরকার। রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে আগ্রহী। এ জন্য সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, কিম জং উন গত শুক্র ও শনিবার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র, মোবাইল উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম, সাঁজোয়া যান এবং আর্টিলারি শেল তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর মতাদর্শিক পার্থক্য তৈরি হলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ভেঙে পড়ে। এর পর থেকে কিম তাঁর ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করন। ২০২২ সালের শুরু থেকে কিমের সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত ১০০ টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন কিম জং উন। এ ছাড়া তিনি শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে শত্রু দেশের নাম উল্লেখ করেননি কিম। সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের একটি বৈঠকে তিনি উত্তর কোরিয়া সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ পাক সু ইলকে বরখাস্ত করার কথা জানান। তাঁর পরিবর্তে এ দায়িত্ব পালন করবেন জেনারেল রি ইয়ং গিল।

আগামী ২১ থেকে ২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হবে। এ মহড়াকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে উত্তর কোরিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ কিম জং উনের

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে অস্ত্র কারখানার কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে তিনি এ নির্দেশ দিলেন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, গতকাল রোববার একটি অস্ত্র কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে কিম এ নির্দেশ দিয়েছেন।

সম্প্রতি রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অস্ত্র কেনার ব্যাপারে কথা বলেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনে রাশিয়ার অনেক অস্ত্র দরকার। রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে আগ্রহী। এ জন্য সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, কিম জং উন গত শুক্র ও শনিবার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র, মোবাইল উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম, সাঁজোয়া যান এবং আর্টিলারি শেল তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর মতাদর্শিক পার্থক্য তৈরি হলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ভেঙে পড়ে। এর পর থেকে কিম তাঁর ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করন। ২০২২ সালের শুরু থেকে কিমের সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত ১০০ টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন কিম জং উন। এ ছাড়া তিনি শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে শত্রু দেশের নাম উল্লেখ করেননি কিম। সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের একটি বৈঠকে তিনি উত্তর কোরিয়া সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ পাক সু ইলকে বরখাস্ত করার কথা জানান। তাঁর পরিবর্তে এ দায়িত্ব পালন করবেন জেনারেল রি ইয়ং গিল।

আগামী ২১ থেকে ২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হবে। এ মহড়াকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে উত্তর কোরিয়া।