ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কোনো হরতাল-কারফিউ মানব না, খুলনায় সমাবেশ করবই : ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২
  • / ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কোনো প্রতিবন্ধকতাই খুলনার বিভাগীয় সমাবেশের জনস্রোতকে রুখতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বুধবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের দুই শরিক জাতীয় দল ও ইসলামিক পার্টির সাথে বৈঠক শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সমাবেশে পরিবহন ধর্মঘটের এতটুকু প্রভাব পড়বে না। ময়মনসিংহে আপনারা দেখেছেন কিভাবে মানুষ এসেছে। ট্রলারে করে, নৌকায় করে বিভিন্নভাবে। একইভাবে রিকশায় করে, রিকশাওয়ালারা মানুষজন নিয়ে এসেছে তারা ভাড়া পর্যন্ত নেয়নি। এটাই হচ্ছে জনগণের অংশগ্রহণ। ক্ষমতাসীনরা যত গাড়ি বন্ধ করুক, যা কিছু করুক জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে খুলনার সমাবেশে উপস্থিত হবে। আমরা কোনো প্রতিবন্ধকতা, কোনো হরতাল মানব না। আমরা কোনো কারফিউও মানব না, আমরা সেখানে উপস্থিত হবই।

গত ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের বিভাগীয় সমাবেশের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ময়মনসিংহেও এভাবে তারা গাড়ি-ঘোড়াসহ পরিবহন বন্ধ করেছিল। ঠেকাতে পারেনি। আপনারা সবাই ছিলেন। সরকার জনগণের ঢল প্রতিরোধ করতে পারেনি।

সরকারি দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া হবে না বলা হলেও কেন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে- এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ পর্যন্ত কী আওয়ামী লীগ তাদের কোনো কথা রাখতে পেরেছে? রাখতে পারেনি। কারণ তারা বিশ্বাসই করে যা বলব, তা করব না। ঠিক উল্টাটা করে। সুতরাং আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।

বিএনপি আরেকটা ১/১১ সৃষ্টির দিবাস্বপ্ন দেখছে- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ রকম বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১/১১ তো তারা করেছে। সেই অভ্যাস তাদের আছে। সেজন্য তারা এই কথা মনে করে। আমরা কোনো দিবাস্বপ্ন দেখি না। আমরা স্বপ্ন দেখি একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের, আমরা স্বপ্ন দেখি মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার, আমরা স্বপ্ন দেখি সত্যিকার একটা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার।

আওয়ামী লীগও রাজপথে নামবে- এ রকম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতে তো আমাদের কোনো আপত্তি নাই। তাদের সেই গণতান্ত্রিক অধিকার আছে, রাজপথে তারা নামতেই পারেন। কিন্তু একই সঙ্গে সমস্ত বিরোধীদলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এটা সরকার হিসেবে তাদের দায়িত্ব।

গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিকাল ৪টায় প্রথমে জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং বিকাল ৫টায় ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরীর সঙ্গে দলীয় নেতাদের নিয়ে দ্বিতীয় দফায় সংলাপে বসেন বিএনপি মহাসচিব। দুইটি বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় দলের অন্য সদস্যরা হলেন রফিকুল ইসলাম, শামসুল আহাদ, সারোয়ার আলম, লুতফুল হাবিব, মাসুদ চৌধুরী, সাইফুল আলম রুমেল, শহীদ আলী, বেলায়েত হোসেন শামীম, আতিকুর রহমান ও মো. রফিকুল ইসলাম।

ইসলামিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন আবুল কাসেম, এজাজ হোসেন, সিদ্দিক আহমেদ নোমান, সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রহমান, আদেল উদ্দিন মাহমুদ, সুজন মাহমুদ ও সাইফুর রহমান।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কোনো হরতাল-কারফিউ মানব না, খুলনায় সমাবেশ করবই : ফখরুল

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কোনো প্রতিবন্ধকতাই খুলনার বিভাগীয় সমাবেশের জনস্রোতকে রুখতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বুধবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের দুই শরিক জাতীয় দল ও ইসলামিক পার্টির সাথে বৈঠক শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সমাবেশে পরিবহন ধর্মঘটের এতটুকু প্রভাব পড়বে না। ময়মনসিংহে আপনারা দেখেছেন কিভাবে মানুষ এসেছে। ট্রলারে করে, নৌকায় করে বিভিন্নভাবে। একইভাবে রিকশায় করে, রিকশাওয়ালারা মানুষজন নিয়ে এসেছে তারা ভাড়া পর্যন্ত নেয়নি। এটাই হচ্ছে জনগণের অংশগ্রহণ। ক্ষমতাসীনরা যত গাড়ি বন্ধ করুক, যা কিছু করুক জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে খুলনার সমাবেশে উপস্থিত হবে। আমরা কোনো প্রতিবন্ধকতা, কোনো হরতাল মানব না। আমরা কোনো কারফিউও মানব না, আমরা সেখানে উপস্থিত হবই।

গত ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের বিভাগীয় সমাবেশের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ময়মনসিংহেও এভাবে তারা গাড়ি-ঘোড়াসহ পরিবহন বন্ধ করেছিল। ঠেকাতে পারেনি। আপনারা সবাই ছিলেন। সরকার জনগণের ঢল প্রতিরোধ করতে পারেনি।

সরকারি দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া হবে না বলা হলেও কেন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে- এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ পর্যন্ত কী আওয়ামী লীগ তাদের কোনো কথা রাখতে পেরেছে? রাখতে পারেনি। কারণ তারা বিশ্বাসই করে যা বলব, তা করব না। ঠিক উল্টাটা করে। সুতরাং আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।

বিএনপি আরেকটা ১/১১ সৃষ্টির দিবাস্বপ্ন দেখছে- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ রকম বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১/১১ তো তারা করেছে। সেই অভ্যাস তাদের আছে। সেজন্য তারা এই কথা মনে করে। আমরা কোনো দিবাস্বপ্ন দেখি না। আমরা স্বপ্ন দেখি একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের, আমরা স্বপ্ন দেখি মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার, আমরা স্বপ্ন দেখি সত্যিকার একটা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার।

আওয়ামী লীগও রাজপথে নামবে- এ রকম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতে তো আমাদের কোনো আপত্তি নাই। তাদের সেই গণতান্ত্রিক অধিকার আছে, রাজপথে তারা নামতেই পারেন। কিন্তু একই সঙ্গে সমস্ত বিরোধীদলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এটা সরকার হিসেবে তাদের দায়িত্ব।

গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিকাল ৪টায় প্রথমে জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং বিকাল ৫টায় ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরীর সঙ্গে দলীয় নেতাদের নিয়ে দ্বিতীয় দফায় সংলাপে বসেন বিএনপি মহাসচিব। দুইটি বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় দলের অন্য সদস্যরা হলেন রফিকুল ইসলাম, শামসুল আহাদ, সারোয়ার আলম, লুতফুল হাবিব, মাসুদ চৌধুরী, সাইফুল আলম রুমেল, শহীদ আলী, বেলায়েত হোসেন শামীম, আতিকুর রহমান ও মো. রফিকুল ইসলাম।

ইসলামিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন আবুল কাসেম, এজাজ হোসেন, সিদ্দিক আহমেদ নোমান, সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রহমান, আদেল উদ্দিন মাহমুদ, সুজন মাহমুদ ও সাইফুর রহমান।