ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কাজীপুরে যমুনায় অভিযান চালিয়ে তিন জেলেকে অর্থদণ্ড : জাল পুড়িয়ে ধ্বংস 

কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩
  • / ৫৬১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে যমুনায় ইলিশ ধরার দায়ে তিন জেলেকে ভ্রাম্যমাণ আধালতে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ সময় ইলিশ ধরার কাজে ব্যবহৃত বিশ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। উপজেলা মৎস্য অফিসের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুখময় সরকার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই যমুনার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় ইলিশ ধরা বন্ধে। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে যমুনার তেকানি ও শুভগাছা ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ইলিশ ধরার দায়ে তিন জনকে আটক করা হয়। আটক তিন জেলেকে তিন হাজার করে মোট নয় হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে দুপুরে মেঘাই নৌবন্দর এলাকায় জব্দকৃত বিশ হাজার মিটার কারেন্টজাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় একটি এতিম খানায় দেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের তৌহিদুল ইসলাম, মেছড়া ইউনিয়নের এরশাদ আলি ও ছোনগাছা ইউনিয়নের পারসাকুড়ি গ্রামের আমিনুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুখময় সরকার বলেন, ‘মা ইলিশ সংরক্ষণে যমুনায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় হচ্ছে।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

কাজীপুরে যমুনায় অভিযান চালিয়ে তিন জেলেকে অর্থদণ্ড : জাল পুড়িয়ে ধ্বংস 

আপডেট সময় : ০৩:২১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে যমুনায় ইলিশ ধরার দায়ে তিন জেলেকে ভ্রাম্যমাণ আধালতে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ সময় ইলিশ ধরার কাজে ব্যবহৃত বিশ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। উপজেলা মৎস্য অফিসের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুখময় সরকার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই যমুনার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় ইলিশ ধরা বন্ধে। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে যমুনার তেকানি ও শুভগাছা ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ইলিশ ধরার দায়ে তিন জনকে আটক করা হয়। আটক তিন জেলেকে তিন হাজার করে মোট নয় হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে দুপুরে মেঘাই নৌবন্দর এলাকায় জব্দকৃত বিশ হাজার মিটার কারেন্টজাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় একটি এতিম খানায় দেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের তৌহিদুল ইসলাম, মেছড়া ইউনিয়নের এরশাদ আলি ও ছোনগাছা ইউনিয়নের পারসাকুড়ি গ্রামের আমিনুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুখময় সরকার বলেন, ‘মা ইলিশ সংরক্ষণে যমুনায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় হচ্ছে।
বাখ//আর