ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কসবায় টুং টাং শব্দ জানান দিচ্ছে কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা

মো. শরীফুল ইসলাম, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪
  • / ৪১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কসবা টুং টাং শব্দে মুখরিতে এখন কামারবাড়ি, আগামী সোমবার ১৭ জুন ঈদুল আযহা। এ ঈদে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা অনেক পশু কোরবানি করেন। এসব পশুর মাংস কাটার জন্য ছুরি, দা, বঁটিসহ নানা হাতিয়ার দরকার। কেউ নতুন করে তা তৈরি করবেন, কেউ বা দেবেন শাণ। তাই ঈদ যত এগিয়ে আসছে। ততই ভিড় বাড়ছে কামারশালায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কামার সম্প্রদায়ের লোকজন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। লোকজননেসর চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল বেলা হাপর জ¦লে ওঠে কামারবাড়িতে, নেভে গভীর রাতে। হাতুড়ি-লোহার টুংটাং শব্দে মুখর এখন কামারবাড়ি।

আজ শনিবার উপজেলার বিভিন্ন কামারশালা ঘুরে দেখা যায়, কামারেরা প্রচন্ড ব্যস্ত। কেউ শিকল টেনে হাপর জালিয়ে রাখছেন। কেউ হাপরে গলাচ্ছেন লোহা। সেই লোহা পিটিয়ে চাহিদামতো হাতিয়ার তৈরি করা হচ্ছে। কেউ বা পুরোনো হাতিয়ার দিচ্ছে শাণ।

কসবাপুরাতন বাজারে কামারশালায় কাজ করছিলেন দিলীপ কর্মকার। তিনি বলেন, সারা বছর কাজ কর্ম থাকলেও ঈদ সামনে রেখে কাজ অনেক বেড়ে গেছে। তবে এ বছর তার কাছে পুরোনো কাজ বেশি। নতুন হাতিয়ারও হচ্ছে, তবে পরিমাণে কম। তুলসী কর্মকার বলেন, ঈদ সামনে রেখে কাজ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তাই তাদেও দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

কসবায় টুং টাং শব্দ জানান দিচ্ছে কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা

আপডেট সময় : ১১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

কসবা টুং টাং শব্দে মুখরিতে এখন কামারবাড়ি, আগামী সোমবার ১৭ জুন ঈদুল আযহা। এ ঈদে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা অনেক পশু কোরবানি করেন। এসব পশুর মাংস কাটার জন্য ছুরি, দা, বঁটিসহ নানা হাতিয়ার দরকার। কেউ নতুন করে তা তৈরি করবেন, কেউ বা দেবেন শাণ। তাই ঈদ যত এগিয়ে আসছে। ততই ভিড় বাড়ছে কামারশালায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কামার সম্প্রদায়ের লোকজন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। লোকজননেসর চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল বেলা হাপর জ¦লে ওঠে কামারবাড়িতে, নেভে গভীর রাতে। হাতুড়ি-লোহার টুংটাং শব্দে মুখর এখন কামারবাড়ি।

আজ শনিবার উপজেলার বিভিন্ন কামারশালা ঘুরে দেখা যায়, কামারেরা প্রচন্ড ব্যস্ত। কেউ শিকল টেনে হাপর জালিয়ে রাখছেন। কেউ হাপরে গলাচ্ছেন লোহা। সেই লোহা পিটিয়ে চাহিদামতো হাতিয়ার তৈরি করা হচ্ছে। কেউ বা পুরোনো হাতিয়ার দিচ্ছে শাণ।

কসবাপুরাতন বাজারে কামারশালায় কাজ করছিলেন দিলীপ কর্মকার। তিনি বলেন, সারা বছর কাজ কর্ম থাকলেও ঈদ সামনে রেখে কাজ অনেক বেড়ে গেছে। তবে এ বছর তার কাছে পুরোনো কাজ বেশি। নতুন হাতিয়ারও হচ্ছে, তবে পরিমাণে কম। তুলসী কর্মকার বলেন, ঈদ সামনে রেখে কাজ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তাই তাদেও দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে।

 

বাখ//আর