ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন ১২৯ পরিবারের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩
  • / ৬২১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন ১২৯ পরিবারের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার  বেলা ১০টায় কলাপাড়া প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে কলাপাড়া সম্মিলিত নাগরিক অধিকার জোট ও পায়রা বন্দর নির্মাণ অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন সমূহের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন সরকার তৃতীয় সমুদ্র বন্দর নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহন করায় এল এস নং ১৪/২০১৫-১৬, ১৬/২০১৫-১৬, ০৭/২০১৬-১৭-এর অধীনে  লালুয়া ইউনিয়নের নয়াকাটা, বানাতীপাড়া, চান্দুপাড়া মৌজা জেএলনং ১৫, ১৬, ১৭তে অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের  বসত ঘর-বাড়ি অন্তভূক্ত হয়, যাহা যৌথ তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। যেখানে ক্ষতিগ্রস্থদের সকল ঘর-বাড়ি বিদ্যমান ছিলো যা বিগত দিনে সরকার পায়রা বন্দর নির্মাণের জন্য অধিগ্রহন করেছে বিধায় এখন তারা খোলা আকাশের নীচে বসবাস করতেছে, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে তারা কোন ঘর বরাদ্ধ পায়নি, তাই এ সব অসহায়-গরীব লোকজনদের যদি তাদের ক্ষতিগ্রস্থ নামের পাশে পুনর্বাসন দিয়ে অসহায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাথা গোঁজার ঠাই হয়, এ জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট জোড় দাবি জানান বক্তারা। ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের শতাধিক সদস্য, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গনমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ মানববন্ধনে কলাপাড়া সম্মিলিত নাগরিক অধিকার জোটের সভাপতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক, সংবাদকর্মী সৈয়দ রাসেলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস, লালুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.তারিকুল ইসলাম খান, সাধারন সম্পাদক মো. ফোরকান প্যাদা, সিনিয়র সাংবাদিক মো. এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক ও পটুয়াখালী-৪, কলাপাড়া আসনে ১৪ দলীয় জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া সম্মিলিত নাগরিক অধিকার জোটের সহ-সভাপতি আর্কিটেক মো. ইয়াকুব খান, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে মো. জসিম উদ্দিন, মো. শামীম, মো. বেল্লাল গাজী প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, উপরোক্ত এল,এ ও জেএল মৌজা একই দাগ-খতিয়ানে ক্ষতিগ্রস্থদের অনেকেরই তাদের বসত-বাড়ি সংলগ্ন পুকুর ও গাছের ক্ষতিপূরন সরকার দিলেও সহায়-সম্পত্তি হারানো ক্ষতিগ্রস্থরা কোন আবাসন কিম্বা পুনর্বাসন নামের তালিকায় নেই, দু:খের বিষয় এ সব সহায়-সম্বলহীন মানুষগুলো তাদের আশ্রয়স্থল  শেষ ঠিকানা হারিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে। তাই সরেজমিনে তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্থ ১২৯ পরিবারের মধ্যে অন্ত:পক্ষে কিছু সংখ্যক আবাসন কিম্বা পুনর্বাসিত হয় তাহার সু-ব্যবস্থা করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট বিনীত দাবি জানান।
বক্তারা আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে পায়রা বন্দরে ১২৯ টি পরিবার তাদের ভিটেমাটি সবকিছু দিয়ে দিয়েছে। কথা ছিলো ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর জমির মুল্যসহ আবাসন দেওয়া হবে। কিন্তু দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নানা অনিয়মের কারনে এই ১২৯ টি পরিবার এখন আবাসন বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই বক্তারা ১২৯ টি পরিবার যাতে আবাসন পায় সে বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন ১২৯ পরিবারের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩
কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন ১২৯ পরিবারের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার  বেলা ১০টায় কলাপাড়া প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে কলাপাড়া সম্মিলিত নাগরিক অধিকার জোট ও পায়রা বন্দর নির্মাণ অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন সমূহের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন সরকার তৃতীয় সমুদ্র বন্দর নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহন করায় এল এস নং ১৪/২০১৫-১৬, ১৬/২০১৫-১৬, ০৭/২০১৬-১৭-এর অধীনে  লালুয়া ইউনিয়নের নয়াকাটা, বানাতীপাড়া, চান্দুপাড়া মৌজা জেএলনং ১৫, ১৬, ১৭তে অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের  বসত ঘর-বাড়ি অন্তভূক্ত হয়, যাহা যৌথ তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। যেখানে ক্ষতিগ্রস্থদের সকল ঘর-বাড়ি বিদ্যমান ছিলো যা বিগত দিনে সরকার পায়রা বন্দর নির্মাণের জন্য অধিগ্রহন করেছে বিধায় এখন তারা খোলা আকাশের নীচে বসবাস করতেছে, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে তারা কোন ঘর বরাদ্ধ পায়নি, তাই এ সব অসহায়-গরীব লোকজনদের যদি তাদের ক্ষতিগ্রস্থ নামের পাশে পুনর্বাসন দিয়ে অসহায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাথা গোঁজার ঠাই হয়, এ জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট জোড় দাবি জানান বক্তারা। ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের শতাধিক সদস্য, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গনমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ মানববন্ধনে কলাপাড়া সম্মিলিত নাগরিক অধিকার জোটের সভাপতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক, সংবাদকর্মী সৈয়দ রাসেলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস, লালুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.তারিকুল ইসলাম খান, সাধারন সম্পাদক মো. ফোরকান প্যাদা, সিনিয়র সাংবাদিক মো. এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক ও পটুয়াখালী-৪, কলাপাড়া আসনে ১৪ দলীয় জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া সম্মিলিত নাগরিক অধিকার জোটের সহ-সভাপতি আর্কিটেক মো. ইয়াকুব খান, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে মো. জসিম উদ্দিন, মো. শামীম, মো. বেল্লাল গাজী প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, উপরোক্ত এল,এ ও জেএল মৌজা একই দাগ-খতিয়ানে ক্ষতিগ্রস্থদের অনেকেরই তাদের বসত-বাড়ি সংলগ্ন পুকুর ও গাছের ক্ষতিপূরন সরকার দিলেও সহায়-সম্পত্তি হারানো ক্ষতিগ্রস্থরা কোন আবাসন কিম্বা পুনর্বাসন নামের তালিকায় নেই, দু:খের বিষয় এ সব সহায়-সম্বলহীন মানুষগুলো তাদের আশ্রয়স্থল  শেষ ঠিকানা হারিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে। তাই সরেজমিনে তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্থ ১২৯ পরিবারের মধ্যে অন্ত:পক্ষে কিছু সংখ্যক আবাসন কিম্বা পুনর্বাসিত হয় তাহার সু-ব্যবস্থা করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট বিনীত দাবি জানান।
বক্তারা আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে পায়রা বন্দরে ১২৯ টি পরিবার তাদের ভিটেমাটি সবকিছু দিয়ে দিয়েছে। কথা ছিলো ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর জমির মুল্যসহ আবাসন দেওয়া হবে। কিন্তু দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নানা অনিয়মের কারনে এই ১২৯ টি পরিবার এখন আবাসন বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই বক্তারা ১২৯ টি পরিবার যাতে আবাসন পায় সে বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাখ//আর