ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কলাপাড়ায় দেখা মিললো বিলুপ্তপ্রায় উড়ন্ত লাউডগা সাপ

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪
  • / ৮৪৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
পটুয়াখালী কলাপাড়ায় এবার দেখা মিললো একটি মৃদু বিষধর বিলুপ্তপ্রায় উড়ন্ত লাউডগা সাপের। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ ফুট। শনিবার বেলা বারোটায় উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের হাড়িপাড়া চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন সড়কের উপর কিছুটা আহত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় ও পথচারীরা মিলে সাপচি উদ্ধার করে বালিয়াতলী বনে অবমুক্ত করেন। আহেতুলা ও নাসুটা প্রজাতির মাথা চ্যাপ্টা লম্বা আকৃতির গাড়ো সবুজ বর্নের এসব সাপ সচারচার দেখা মেলেনা বলে জানায় স্থানীয়রা। সাপটি সড়ক পার হতে গিয়ে যে কোন যানবাহনের চাকার নিচে চাপা পড়ে আহত হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
পথচারী বুলেট আকন জানান, অন্তত ২০ বছর আগে এই প্রজাতির সাপ দেখেছি। আর আজ কলাপাড়া থেকে বালিয়াতলী হয়ে কুয়াকাটা যাওয়ার পথে আবার দেখলাম। এসব সাপ প্রায় ১ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের সমান যায়গা উড়ে যেতে পারে। তবে এগুলো কতটা বিষধর সেটা বলতে পারছিনা।
এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার রাকায়েত আহসান জানান, এসব সাপ প্রায় বিলুপ্ত। আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগে সাপটি স্থানীয়রা অবমুক্ত করেন।
বেসরকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিস ইকোফিস-২ প্রকল্পের সহকারী জীব বৈচিত্র্য গবেষক সাগরিকা স্মৃতি জানান, এসব সাপ আহেতুলা ও নাসুটা প্রজাতির সাপ। মাথা চ্যাপ্টা লম্বা আকৃতির গাড়ো সবুজ বর্নের এসব সাপ সচারচার দেখা মেলেনা। এসবের প্রধান খাবার পোকা মাকড়। এসব সাপ লাউগাছ সহ বিভিন্ন সবুজ গাছের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ধ্বংস করে।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

কলাপাড়ায় দেখা মিললো বিলুপ্তপ্রায় উড়ন্ত লাউডগা সাপ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪
পটুয়াখালী কলাপাড়ায় এবার দেখা মিললো একটি মৃদু বিষধর বিলুপ্তপ্রায় উড়ন্ত লাউডগা সাপের। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ ফুট। শনিবার বেলা বারোটায় উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের হাড়িপাড়া চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন সড়কের উপর কিছুটা আহত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় ও পথচারীরা মিলে সাপচি উদ্ধার করে বালিয়াতলী বনে অবমুক্ত করেন। আহেতুলা ও নাসুটা প্রজাতির মাথা চ্যাপ্টা লম্বা আকৃতির গাড়ো সবুজ বর্নের এসব সাপ সচারচার দেখা মেলেনা বলে জানায় স্থানীয়রা। সাপটি সড়ক পার হতে গিয়ে যে কোন যানবাহনের চাকার নিচে চাপা পড়ে আহত হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
পথচারী বুলেট আকন জানান, অন্তত ২০ বছর আগে এই প্রজাতির সাপ দেখেছি। আর আজ কলাপাড়া থেকে বালিয়াতলী হয়ে কুয়াকাটা যাওয়ার পথে আবার দেখলাম। এসব সাপ প্রায় ১ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের সমান যায়গা উড়ে যেতে পারে। তবে এগুলো কতটা বিষধর সেটা বলতে পারছিনা।
এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার রাকায়েত আহসান জানান, এসব সাপ প্রায় বিলুপ্ত। আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগে সাপটি স্থানীয়রা অবমুক্ত করেন।
বেসরকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিস ইকোফিস-২ প্রকল্পের সহকারী জীব বৈচিত্র্য গবেষক সাগরিকা স্মৃতি জানান, এসব সাপ আহেতুলা ও নাসুটা প্রজাতির সাপ। মাথা চ্যাপ্টা লম্বা আকৃতির গাড়ো সবুজ বর্নের এসব সাপ সচারচার দেখা মেলেনা। এসবের প্রধান খাবার পোকা মাকড়। এসব সাপ লাউগাছ সহ বিভিন্ন সবুজ গাছের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ধ্বংস করে।
বাখ//আর