ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কলমাকান্দায় উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

নাজমুল হক, কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
  • / ৪২১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় অব্যাহত ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফের উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছাড়াও উপজেলার গণেশ্বরী, মহাদেও, বাখলা, মঙ্গেলশ্বরী, বৈঠাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থায় প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু গ্রামীণ সড়ক। স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে আবারও বন্যা আতঙ্ক। জানা গেছে, গত শনিবার থেকে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে উদ্দাখালী নদীসহ সবকটি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উদ্দাখালী নদীর ডাকবাংলো পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৬ দশমিক ৫৫ মিটার।

এই পানিতে প্লাবিত হয়েছে উপজেলার কৈলাটি, বড়খাপন, পোগলা, খারনৈ, রংছাতি, কলমাকান্দা সদরের নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু গ্রাম। কলমাকান্দা- বরুয়াকোনা, বাহাদুরকান্দা-বাসাউড়া, ঘোষপাড়া-হরিণধরা, কলমাকান্দা-সাঈদপাড়া, মন্তলা-ইসবপুর, গোবিন্দপুর-রানীগাঁও, উদয়পুর-বড়খাপনসহ আরো বেশ কিছু গ্রামীণ সড়কের স্থানে স্থানে পানিতে ডুবে গেছে।

খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক বলেন, আমার ইউনিয়নের বাউসাম, লক্ষীপুর, শ্রীপুর, খাগগড়া, বিশ্বনাথপুর, সেনপাড়া, রুদ্রনগরসহ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। বেশ কিছু গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।

কয়েকটি বাড়ির উঠানে ও কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি উঠেছে। আর এক থেকে দেড় ফুট পানি বাড়লে প্রচুর বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান বলেন, ঢলের পানিতে উপজেলার কিছু নিম্নাঞ্চল আবারও নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। আমরা সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। এখনো কেউ পানি বন্দি হয়নি। জরুরি মুঠোফোন নম্বর খোলা হয়েছে। শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রস্তুত রাখা আছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুন থেকে অব্যাহত ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কলমাকান্দার উদ্দাখালীসহ সব কটি নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকে। পানি বেড়ে ১৮ জুন সন্ধ্যা থেকে উদ্দাখালী নদীর পানি ডাকবাংলো পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার অতিক্রম করে। পরে অবশ্য ২৬ জুন পানি কমে উব্দাখালী নদীর বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

কলমাকান্দায় উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় অব্যাহত ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফের উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছাড়াও উপজেলার গণেশ্বরী, মহাদেও, বাখলা, মঙ্গেলশ্বরী, বৈঠাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থায় প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু গ্রামীণ সড়ক। স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে আবারও বন্যা আতঙ্ক। জানা গেছে, গত শনিবার থেকে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে উদ্দাখালী নদীসহ সবকটি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উদ্দাখালী নদীর ডাকবাংলো পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৬ দশমিক ৫৫ মিটার।

এই পানিতে প্লাবিত হয়েছে উপজেলার কৈলাটি, বড়খাপন, পোগলা, খারনৈ, রংছাতি, কলমাকান্দা সদরের নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু গ্রাম। কলমাকান্দা- বরুয়াকোনা, বাহাদুরকান্দা-বাসাউড়া, ঘোষপাড়া-হরিণধরা, কলমাকান্দা-সাঈদপাড়া, মন্তলা-ইসবপুর, গোবিন্দপুর-রানীগাঁও, উদয়পুর-বড়খাপনসহ আরো বেশ কিছু গ্রামীণ সড়কের স্থানে স্থানে পানিতে ডুবে গেছে।

খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক বলেন, আমার ইউনিয়নের বাউসাম, লক্ষীপুর, শ্রীপুর, খাগগড়া, বিশ্বনাথপুর, সেনপাড়া, রুদ্রনগরসহ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। বেশ কিছু গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।

কয়েকটি বাড়ির উঠানে ও কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি উঠেছে। আর এক থেকে দেড় ফুট পানি বাড়লে প্রচুর বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান বলেন, ঢলের পানিতে উপজেলার কিছু নিম্নাঞ্চল আবারও নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। আমরা সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। এখনো কেউ পানি বন্দি হয়নি। জরুরি মুঠোফোন নম্বর খোলা হয়েছে। শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রস্তুত রাখা আছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুন থেকে অব্যাহত ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কলমাকান্দার উদ্দাখালীসহ সব কটি নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকে। পানি বেড়ে ১৮ জুন সন্ধ্যা থেকে উদ্দাখালী নদীর পানি ডাকবাংলো পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার অতিক্রম করে। পরে অবশ্য ২৬ জুন পানি কমে উব্দাখালী নদীর বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

 

বাখ//আর