ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কয়রায় শরিফুল ইসলামের উপর অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪
  • / ৪২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কয়রায় শরিফুল ইসলামকে বেধড়ক মারপিট ও জখম করে মারাত্মক আহত করেছে দুবৃত্তরা। বর্তমানে সে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ছেলের হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে ও এ ঘটনার প্রতিবাদে সম্মেলন করেছেন উপজেলার ৫নং কয়রা গ্রামের আছাদুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ নুরুন্নাহার খাতুন।

২১ মে বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, আমার প্রতিবেশি কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিনের সাথে আমাদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত বিরোধ চলে আসছে।

তারা প্রায় সময় আমার পুত্র শরিফুল ইসলামকে ভয়ভিতসহ জীবন নাশের হুমকি দিয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে আমার পুত্র শরিফুল ইসলাম বড়বাড়ি হতে বাড়ি ফিরার পথে সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিনসহ তার সঙ্গীয় আরও কয়েক জন মিলে আমার পুত্র শরিফুলকে মেধড়ক মারপিট করে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসীর মাধ্যমে আমরা জানতে পেরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। সেখানে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্ত্যবরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। বর্তমানে আমার পুত্র সেখানে আইসিওতে মৃত্যুমুখী হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার গায়ে হাতে অসংখ্য কোপের দাগ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে আমার স্বামী আছাদুল সরদার বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে কয়রা থানায় মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং-৮/৫৩। মামলা করার পর আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। তারা প্রভাবশালী হওয়ার আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছিনা।

সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমে এ ধরনের ন্যাক্কার জনক কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যপারে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় আমি কোন প্রকার জড়িত ছিলাম না। আমাকে ফাসাতে প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানী করছে।

বাখ//আর

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কয়রায় শরিফুল ইসলামের উপর অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:২৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

কয়রায় শরিফুল ইসলামকে বেধড়ক মারপিট ও জখম করে মারাত্মক আহত করেছে দুবৃত্তরা। বর্তমানে সে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ছেলের হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে ও এ ঘটনার প্রতিবাদে সম্মেলন করেছেন উপজেলার ৫নং কয়রা গ্রামের আছাদুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ নুরুন্নাহার খাতুন।

২১ মে বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, আমার প্রতিবেশি কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিনের সাথে আমাদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত বিরোধ চলে আসছে।

তারা প্রায় সময় আমার পুত্র শরিফুল ইসলামকে ভয়ভিতসহ জীবন নাশের হুমকি দিয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে আমার পুত্র শরিফুল ইসলাম বড়বাড়ি হতে বাড়ি ফিরার পথে সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিনসহ তার সঙ্গীয় আরও কয়েক জন মিলে আমার পুত্র শরিফুলকে মেধড়ক মারপিট করে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসীর মাধ্যমে আমরা জানতে পেরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। সেখানে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্ত্যবরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। বর্তমানে আমার পুত্র সেখানে আইসিওতে মৃত্যুমুখী হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার গায়ে হাতে অসংখ্য কোপের দাগ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে আমার স্বামী আছাদুল সরদার বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে কয়রা থানায় মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং-৮/৫৩। মামলা করার পর আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। তারা প্রভাবশালী হওয়ার আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছিনা।

সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমে এ ধরনের ন্যাক্কার জনক কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যপারে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় আমি কোন প্রকার জড়িত ছিলাম না। আমাকে ফাসাতে প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানী করছে।

বাখ//আর