ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
ব্রেকিং নিউজ ::
চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ :: ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে যুবক নিহত :: রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বেরোবি শিক্ষার্থী নিহত :: ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন :: রণক্ষেত্র মহাখালী, পুলিশ বক্সের সামনে দুটি মোটরসাইকেলে আগুন :: চার শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ, উত্তাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা :: আজও ছাত্রলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র ঢাবি

এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ-উল আজহা’র নামাজ দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত

মোঃ খাদেমুল ইসলাম, দিনাজপুর থেকে
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪
  • / ৪২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুর সেনা ঈদগাহ বড় মাঠে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ-উল আজহা’র জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৭ জুন সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুর সদর হাসপাতালের জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুল হক কাসেমী।

সকাল সাতটা থেকে দিনাজপুরের আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে দুইটি ট্রেনে করে আসে বিপুল সংখ্যক মুসল্লী। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাসযোগে বিশাল এই জামাতে অংশগ্রহণের জন্য আসেন অসংখ্য মুসল্লী। সকাল ৮ টার বিশাল ঈদগাহ মাঠের বেশির ভাগ অংশই পুরন হয়ে যায়। দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সমন্বয়কারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে।

এ সময় দিনাজপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আবু তৈয়ব আলী দুলাল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্ববৃহৎ এই জামাত। এটি আমাদের দিনাজপুরের গর্ব। প্রধানমন্ত্রীও এই জামাতকে থেকে সর্ববৃহৎ করতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন। আগামীতে এই ঈদগাহ মাঠটির আধুনিকায়ন করা হবে। এমন ব্রত নিয়ে কাজ করছে দিনাজপুর পৌরসভা।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ বলেন, বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ-উল আজহা’র এই জামাত। এই জামাতটিকে সুষ্ঠু ও সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করতে আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, পেশাজীবী, সচেতন মহলের সাথে মতবিনিময়ে সভা করেছি। কিভাবে এই জামাতটিকে সফল পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করেছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি সব সময় বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, এশিয়ার মধ্যে সর্ববৃহৎ এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়তে পেরে আমরা পরম করুনাময় মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। জানা-অজানা সকল গুনাহ তিনি যেন আমাদের ক্ষমা করে দেন। বিশ্বব্যাপী যে অস্থিরতা চলছে তা নিরসনে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিকল্প নেই। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বিশাল এই সেনা ঈদগাহ মাঠটি কে আগামীতে সুষমা মন্ডিত করা হবে। এরই মধ্যে মাঠের চারিদিকে ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে। আগামীতে শুধু আশেপাশের জেলা নয় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেন এই জামাতে মানুষ অংশ নেয় এ নিমিত্তে এখানে আসা মুসল্লিদের শৌচাগার সহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হবে। একটি স্মার্ট ঈদগাহ মাঠ গড়ে তুলতে এই সরকার বদ্ধপরিকর।

এছাড়া জামাতে শরিক হন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, পুলিশ সুপার শাহ মো: ইফতেখার আহমেদ সহ প্রশাসনের উদ্বর্তন কর্মকর্তা ও প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ-উল আজহা’র নামাজ দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

দিনাজপুর সেনা ঈদগাহ বড় মাঠে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদ-উল আজহা’র জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৭ জুন সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুর সদর হাসপাতালের জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুল হক কাসেমী।

সকাল সাতটা থেকে দিনাজপুরের আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে দুইটি ট্রেনে করে আসে বিপুল সংখ্যক মুসল্লী। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাসযোগে বিশাল এই জামাতে অংশগ্রহণের জন্য আসেন অসংখ্য মুসল্লী। সকাল ৮ টার বিশাল ঈদগাহ মাঠের বেশির ভাগ অংশই পুরন হয়ে যায়। দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সমন্বয়কারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে।

এ সময় দিনাজপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আবু তৈয়ব আলী দুলাল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্ববৃহৎ এই জামাত। এটি আমাদের দিনাজপুরের গর্ব। প্রধানমন্ত্রীও এই জামাতকে থেকে সর্ববৃহৎ করতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন। আগামীতে এই ঈদগাহ মাঠটির আধুনিকায়ন করা হবে। এমন ব্রত নিয়ে কাজ করছে দিনাজপুর পৌরসভা।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ বলেন, বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ-উল আজহা’র এই জামাত। এই জামাতটিকে সুষ্ঠু ও সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করতে আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, পেশাজীবী, সচেতন মহলের সাথে মতবিনিময়ে সভা করেছি। কিভাবে এই জামাতটিকে সফল পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করেছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি সব সময় বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, এশিয়ার মধ্যে সর্ববৃহৎ এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়তে পেরে আমরা পরম করুনাময় মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। জানা-অজানা সকল গুনাহ তিনি যেন আমাদের ক্ষমা করে দেন। বিশ্বব্যাপী যে অস্থিরতা চলছে তা নিরসনে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিকল্প নেই। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বিশাল এই সেনা ঈদগাহ মাঠটি কে আগামীতে সুষমা মন্ডিত করা হবে। এরই মধ্যে মাঠের চারিদিকে ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে। আগামীতে শুধু আশেপাশের জেলা নয় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেন এই জামাতে মানুষ অংশ নেয় এ নিমিত্তে এখানে আসা মুসল্লিদের শৌচাগার সহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হবে। একটি স্মার্ট ঈদগাহ মাঠ গড়ে তুলতে এই সরকার বদ্ধপরিকর।

এছাড়া জামাতে শরিক হন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, পুলিশ সুপার শাহ মো: ইফতেখার আহমেদ সহ প্রশাসনের উদ্বর্তন কর্মকর্তা ও প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ।