ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

এপ্রিলে কালবৈশাখি ঝড় ও তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৮২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সারাদেশে থেমে থেমে ঝড় বৃষ্টির পাশাপাশি কয়েকটি জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের আবহাওয়া নিয়ে আরও দুঃসংবাদ দিলো সংস্থাটি। আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী, নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় ও অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে ‍যেতে পারে।

সোমবার (১ এপ্রিল) এপ্রিল মাসের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টিপাত কম হতে পারে। এ মাসে দেশে পাঁচ থেকে সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ হালকা বা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখি ঝড় হতে পারে।

চলতি এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। পাশাপাশি তীব্র কালবৈশাখি ঝড় ও অতিতীব্র (৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম বেশি) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এ মাসে দেশে দুই থেকে চারটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ) এবং এক থেকে দুটি তীব্র (৪০ থেকে ৪১. ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে অতিতীব্র (৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম বেশি) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

চলতি মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এপ্রিল মাসে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও আশেপাশের উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি উচ্চতা সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে। পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিও সৃষ্টি হতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, মার্চ ২০২৪ মাসে সার্বিকভাবে সারাদেশে স্বাভাবিক (-০৮%) বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি, চট্টগ্রাম, রাজশাহী খুলনা ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম এবং সিলেট বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পুবালি বায়ুপ্রবাহের সংযোগ ঘটায় ২-৩, ১৪-১৬ ও ১৮-৩১ মার্চ ২০২৪ সময়ে দেশের অনেক স্থানে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, সেই সঙ্গে বজ্রপাত ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিসহ হালকা অথবা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী বয়ে যায়। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটে ৮৯ মি.মি. রেকর্ড (৩১ মার্চ ২০২৪) করা হয়।

এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে (৩১ মার্চ ২০২৪) ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ মাসে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা যথাক্রমে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল এবং গড় তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল। তাপপ্রবাহ এবং কৃষি আবহাওয়া মার্চ ২০২০ মাসের পূর্বাভাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এপ্রিল ২০২৪ মাসে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে দেশে ৫ থেকে ৭ দিন বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ হালকা মাঝারি ধরনের এবং ১ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে ১টি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

এ ছাড়া এপ্রিল মাসে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি সময়বিশেষ দ্রুত বাড়তে পারে। এতে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তবে অন্যত্র, দেশের সব প্রধান নদ-নদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ থাকতে পারে বলে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অন্যদিকে সোমবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। আবার পরিবেশে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিও বৃদ্ধি পাবে।

তবে এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিও হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

অপরদিকে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এদিনও চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

অপরদিকে বুধবার (৩ এপ্রিল) সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া পাঁচ দিনের বর্ধিত আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মংলায় ও ঈশ্বরদীতে ৩৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নিকলিতে ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নিউজটি শেয়ার করুন

এপ্রিলে কালবৈশাখি ঝড় ও তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

সারাদেশে থেমে থেমে ঝড় বৃষ্টির পাশাপাশি কয়েকটি জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের আবহাওয়া নিয়ে আরও দুঃসংবাদ দিলো সংস্থাটি। আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী, নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় ও অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে ‍যেতে পারে।

সোমবার (১ এপ্রিল) এপ্রিল মাসের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টিপাত কম হতে পারে। এ মাসে দেশে পাঁচ থেকে সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ হালকা বা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখি ঝড় হতে পারে।

চলতি এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। পাশাপাশি তীব্র কালবৈশাখি ঝড় ও অতিতীব্র (৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম বেশি) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এ মাসে দেশে দুই থেকে চারটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ) এবং এক থেকে দুটি তীব্র (৪০ থেকে ৪১. ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে অতিতীব্র (৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম বেশি) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

চলতি মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এপ্রিল মাসে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও আশেপাশের উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি উচ্চতা সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে। পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিও সৃষ্টি হতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, মার্চ ২০২৪ মাসে সার্বিকভাবে সারাদেশে স্বাভাবিক (-০৮%) বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি, চট্টগ্রাম, রাজশাহী খুলনা ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম এবং সিলেট বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পুবালি বায়ুপ্রবাহের সংযোগ ঘটায় ২-৩, ১৪-১৬ ও ১৮-৩১ মার্চ ২০২৪ সময়ে দেশের অনেক স্থানে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, সেই সঙ্গে বজ্রপাত ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিসহ হালকা অথবা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী বয়ে যায়। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটে ৮৯ মি.মি. রেকর্ড (৩১ মার্চ ২০২৪) করা হয়।

এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে (৩১ মার্চ ২০২৪) ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ মাসে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা যথাক্রমে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল এবং গড় তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল। তাপপ্রবাহ এবং কৃষি আবহাওয়া মার্চ ২০২০ মাসের পূর্বাভাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এপ্রিল ২০২৪ মাসে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে দেশে ৫ থেকে ৭ দিন বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ হালকা মাঝারি ধরনের এবং ১ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে ১টি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

এ ছাড়া এপ্রিল মাসে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি সময়বিশেষ দ্রুত বাড়তে পারে। এতে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তবে অন্যত্র, দেশের সব প্রধান নদ-নদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ থাকতে পারে বলে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অন্যদিকে সোমবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। আবার পরিবেশে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিও বৃদ্ধি পাবে।

তবে এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিও হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

অপরদিকে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এদিনও চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

অপরদিকে বুধবার (৩ এপ্রিল) সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া পাঁচ দিনের বর্ধিত আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মংলায় ও ঈশ্বরদীতে ৩৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নিকলিতে ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।