ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

উদ্ভট কাণ্ড বন্ধ না হলে দেখা দিতে পারে যুদ্ধ পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪
  • / ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তর কোরিয়ার বেলুন কাণ্ডের পাল্টা জবাব দিতে সীমান্তে লাউড স্পিকার সম্প্রচার শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। এতে দুই কোরিয়ার মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। দু’দেশই পরস্পরকে দিচ্ছে হুমকি-হুঁশিয়ারি। বিশ্লেষকদের শঙ্কা, উদ্ভট কাণ্ড বন্ধ না হলে সত্যি সত্যি দেখা দিতে পারে যুদ্ধ পরিস্থিতি।

দক্ষিণ কোরিয়ার ভূখণ্ডে একের পর এক আবর্জনা বোঝাই বেলুন পাঠিয়ে এবার বিপাকে পড়েছে উত্তর কোরিয়া। কারণ পিয়ংইয়ং এর উদ্ভট পদক্ষেপের পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে সিউল। এরই মধ্যে সীমান্ত এলাকায় উত্তর কোরিয়াকে লক্ষ্য করে লাউড স্পিকারে সম্প্রচার চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। উচ্চস্বরে বাজানো হচ্ছে কে-পপের গান আর বিভিন্ন কোরিয়ান ড্রামা। ছড়ানো হচ্ছে উত্তর কোরিয়া বিরোধী স্লোগান।

২০১৮ সালের পর এই প্রথম আবারও এমন পদক্ষেপ নিলো দক্ষিণ কোরিয়া। এছাড়া যেকোনো উস্কানির বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার জন্য অসহনীয় হয়ে ওঠতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র কিম সু-কিয়ং বলেন, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী লাউড স্পিকার স্থাপন এবং সম্প্রচার শুরু করেছে। এর মাধ্যমে স্পষ্ট করতে চাই যে, দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে যেকোনো উত্তেজনা বাড়লে উত্তর কোরিয়া দায়ী থাকবে। আমাদের সরকার উত্তর দিক থেকে যে কোনো উসকানির বিরুদ্ধে দৃঢ় ও পুঙ্খানুপুঙ্খ জবাব দিতে প্রস্তুত। আমরা আমাদের জনগণের নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবো।’

এ অবস্থায় উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা চরমে। সিউলের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষেপেছে পিয়ংইয়ং। হুমকি দিলেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার লাউড স্পিকারে চালানো প্রচার যুদ্ধের সামিল। যার কারণে নিঃসন্দেহে নতুন প্রতিকূলতার সাক্ষী হতে হবে দক্ষিণ কোরিয়াকে।’

এভাবে দুই কেরিয়া উদ্ভট কাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকলে সত্যি সত্যি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সামরিক শান্তি চুক্তি স্থগিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। পারস্পরিক আস্থা পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

উদ্ভট কাণ্ড বন্ধ না হলে দেখা দিতে পারে যুদ্ধ পরিস্থিতি

আপডেট সময় : ০১:৪১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪

উত্তর কোরিয়ার বেলুন কাণ্ডের পাল্টা জবাব দিতে সীমান্তে লাউড স্পিকার সম্প্রচার শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। এতে দুই কোরিয়ার মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। দু’দেশই পরস্পরকে দিচ্ছে হুমকি-হুঁশিয়ারি। বিশ্লেষকদের শঙ্কা, উদ্ভট কাণ্ড বন্ধ না হলে সত্যি সত্যি দেখা দিতে পারে যুদ্ধ পরিস্থিতি।

দক্ষিণ কোরিয়ার ভূখণ্ডে একের পর এক আবর্জনা বোঝাই বেলুন পাঠিয়ে এবার বিপাকে পড়েছে উত্তর কোরিয়া। কারণ পিয়ংইয়ং এর উদ্ভট পদক্ষেপের পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে সিউল। এরই মধ্যে সীমান্ত এলাকায় উত্তর কোরিয়াকে লক্ষ্য করে লাউড স্পিকারে সম্প্রচার চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। উচ্চস্বরে বাজানো হচ্ছে কে-পপের গান আর বিভিন্ন কোরিয়ান ড্রামা। ছড়ানো হচ্ছে উত্তর কোরিয়া বিরোধী স্লোগান।

২০১৮ সালের পর এই প্রথম আবারও এমন পদক্ষেপ নিলো দক্ষিণ কোরিয়া। এছাড়া যেকোনো উস্কানির বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার জন্য অসহনীয় হয়ে ওঠতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র কিম সু-কিয়ং বলেন, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী লাউড স্পিকার স্থাপন এবং সম্প্রচার শুরু করেছে। এর মাধ্যমে স্পষ্ট করতে চাই যে, দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে যেকোনো উত্তেজনা বাড়লে উত্তর কোরিয়া দায়ী থাকবে। আমাদের সরকার উত্তর দিক থেকে যে কোনো উসকানির বিরুদ্ধে দৃঢ় ও পুঙ্খানুপুঙ্খ জবাব দিতে প্রস্তুত। আমরা আমাদের জনগণের নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবো।’

এ অবস্থায় উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা চরমে। সিউলের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষেপেছে পিয়ংইয়ং। হুমকি দিলেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার লাউড স্পিকারে চালানো প্রচার যুদ্ধের সামিল। যার কারণে নিঃসন্দেহে নতুন প্রতিকূলতার সাক্ষী হতে হবে দক্ষিণ কোরিয়াকে।’

এভাবে দুই কেরিয়া উদ্ভট কাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকলে সত্যি সত্যি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যে ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সামরিক শান্তি চুক্তি স্থগিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। পারস্পরিক আস্থা পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।