ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

উজিরপুরে বিয়ের নামে প্রতারণা : আ.লীগ নেত্রীর ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩
  • / ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

// আব্দর রহিম সরদার, উজিরপুর প্রতিনিধি //

বরিশাল জেলার উজিরপুরে বিয়ের নামে প্রতারণা করে আওয়ামী লীগ নেত্রীর ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক স্বামী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা করেও বিচার না পেয়ে দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ভুগছেন বামরাইল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস বেগম।

ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের মুগাকাঠী গ্রামের মৃত কাদের খানের ছেলে মোঃ শাহজাহান খান(৪৮), মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবাহান রাড়ীর মেয়ে বামরাইল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস বেগমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং ফুসলিয়ে ২০২১ সালের ২২ অক্টোবর বিবাহ করে। এরপর শুরু হয় ওই লম্পটের বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার মিশন। বিলকিস বেগম জানান শাহজাহান খান, মোবাইল ফোনে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। একপর্যায়ে তার সাথে আমার বিয়ে হয়। পরে জানতে পারি নারীলোভী শাহজাহান বহু বিবাহিতা। পূর্বের বিবাহের বিষয়টি স্বামী শাহজাহান খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি পূর্বের স্ত্রী আক্তার বানুকে তালাক দিয়েছে বলে কাগজপত্র দেখান। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে একত্রে বসবাস শুরু করেন। বিভিন্ন অজুহাতে গাড়ী কেনার কথা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৩ লক্ষ টাকা নেয় এবং বিভিন্ন সময়ে আরো ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমনকি আমার অজান্তে আমাকে তালাক দিয়ে পুনরায় দুই লক্ষ দাবি করে। কিছুদিন পরেই আমাকে ছেড়ে ওই তালাকপ্রাপ্ত আক্তার বানুকে নিয়ে সংসার শুরু করে। ছদ্মরূপী প্রতারক লোভী স্বামী পরিচয়দানকারী শাহজাহান আমাকে পূর্বেই তালাক দিয়ে বিষয়টি গোপন রেখে একই সাথে বসবাস করতে থাকি। হঠাৎ করে পোষ্ট অফিস থেকে ফোন করে তালাকের কাগজ নিতে বললে তাৎক্ষণিক স্বামীরূপী শাহজাহানকে ধরে ফেলি। তিনি আমাকে মরধর করে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্বামী শাহজাহান খানের মুন্ডপাশা গ্রামে গেলে শাহজাহান ও তার ভাই সেলিম খান, বোন তাছলিমা, ভগ্নিপতি দুলাল হাওলাদার, রুমা বেগম, স্বামী-মজিবর হাওলাদার মিলে আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমাকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয় শাহজাহান ও তার বন্ধু আনোয়ার হোসেন আকন। অভিযুক্ত শাহজাহান খানকে বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি এবং বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। ওই নারীলোভী ও প্রতারকের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নারীনেত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

উজিরপুরে বিয়ের নামে প্রতারণা : আ.লীগ নেত্রীর ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ

আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩

// আব্দর রহিম সরদার, উজিরপুর প্রতিনিধি //

বরিশাল জেলার উজিরপুরে বিয়ের নামে প্রতারণা করে আওয়ামী লীগ নেত্রীর ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক স্বামী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা করেও বিচার না পেয়ে দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ভুগছেন বামরাইল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস বেগম।

ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের মুগাকাঠী গ্রামের মৃত কাদের খানের ছেলে মোঃ শাহজাহান খান(৪৮), মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবাহান রাড়ীর মেয়ে বামরাইল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস বেগমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং ফুসলিয়ে ২০২১ সালের ২২ অক্টোবর বিবাহ করে। এরপর শুরু হয় ওই লম্পটের বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার মিশন। বিলকিস বেগম জানান শাহজাহান খান, মোবাইল ফোনে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। একপর্যায়ে তার সাথে আমার বিয়ে হয়। পরে জানতে পারি নারীলোভী শাহজাহান বহু বিবাহিতা। পূর্বের বিবাহের বিষয়টি স্বামী শাহজাহান খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি পূর্বের স্ত্রী আক্তার বানুকে তালাক দিয়েছে বলে কাগজপত্র দেখান। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে একত্রে বসবাস শুরু করেন। বিভিন্ন অজুহাতে গাড়ী কেনার কথা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৩ লক্ষ টাকা নেয় এবং বিভিন্ন সময়ে আরো ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমনকি আমার অজান্তে আমাকে তালাক দিয়ে পুনরায় দুই লক্ষ দাবি করে। কিছুদিন পরেই আমাকে ছেড়ে ওই তালাকপ্রাপ্ত আক্তার বানুকে নিয়ে সংসার শুরু করে। ছদ্মরূপী প্রতারক লোভী স্বামী পরিচয়দানকারী শাহজাহান আমাকে পূর্বেই তালাক দিয়ে বিষয়টি গোপন রেখে একই সাথে বসবাস করতে থাকি। হঠাৎ করে পোষ্ট অফিস থেকে ফোন করে তালাকের কাগজ নিতে বললে তাৎক্ষণিক স্বামীরূপী শাহজাহানকে ধরে ফেলি। তিনি আমাকে মরধর করে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্বামী শাহজাহান খানের মুন্ডপাশা গ্রামে গেলে শাহজাহান ও তার ভাই সেলিম খান, বোন তাছলিমা, ভগ্নিপতি দুলাল হাওলাদার, রুমা বেগম, স্বামী-মজিবর হাওলাদার মিলে আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমাকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয় শাহজাহান ও তার বন্ধু আনোয়ার হোসেন আকন। অভিযুক্ত শাহজাহান খানকে বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি এবং বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। ওই নারীলোভী ও প্রতারকের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নারীনেত্রী।