ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

উজানের ঢলে দিনাজপুরে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি

মো: খাদেমুল ইসলাম দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
  • / ৪২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের আত্রাই, পূর্ণভবা, ঢেপা, করোতোয়াসহ জেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া বেশ কয়েকটির নদীর পানি বাড়তির দিকে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বাড়ছে এসব নদীর পানি বলছে স্থানীয়রা। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে যদিও বেশ কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধির দিকে তবে এই পানি দ্রুত বেগে নেমে যাবে তাই চিন্তার কোন কারণ নেই।

কাঞ্চন ঘাট এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী বাসিন্দা লুৎফর রহমান বলেন, গেল ২৪ ঘন্টায় পুনর্ভবা নদীর পানি অনেক বেড়েছে এবং এখনো বাড়ছেই। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেলে নদী রক্ষা বাঁধের নিচে যারা অবস্থান করছে তারা বেশ বিপাকে পড়বে।

দিনাজপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গেল ৩০ জুন দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার ১ জুলাই জেলায় উজানের ঢলে দিনাজপুরে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে চিন্তার কোন কারণ নেই

কাঞ্চন ঘাট এলাকার বাসিন্দা মিষ্টি ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, গেল ২৪ ঘন্টায় পুনর্ভবা নদীর পানি অনেক বেড়েছে এবং এখনো বাড়ছেই। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেলে নদী রক্ষা বাঁধের নিচে যারা অবস্থান করছে তারা বেশ বিপাকে পড়বে।

দিনাজপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গেল ৩০ জুন দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার ১ জুলাই বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার। তবে আগামী ৩ জুলাই থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন তিনি।

দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ বলেন, জেলার আত্রাই ও করতোয়া নদীর বিপদসীমা ৩৩.০৫ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ৩৬. ২৫ মিটার উপর দিয়ে, ইছামতি ও ছোট যমুনা নদীর বিপদসীমা ২৯.৫ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ২৫.৮ মিটার উপর দিয়ে, টাঙ্গন নদীর বিপদ সীমা ৩৪ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ২৫.৮৩ মিটার উপর দিয়ে এবং করোতোয়া নদীর বিপরীত সীমা ৪৩.৭০ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ৪৪.৮ মিটার যা বিপদ সীমার ৯৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা বেশিরভাগ পানি করতোয়া নদী দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে দিনাজপুরে এর প্রভাব কম পড়ে।

এছাড়া অন্যান্য নদীর পানি বাড়ছে এবং কমছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে জেলার বিভিন্ন নদীর তলদেশে ধানের বীজ রোপন করেছিল কৃষকরা যা তোর তলিয়ে গেছে এমন তথ্য জানা গেছে বিভিন্ন উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

উজানের ঢলে দিনাজপুরে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ১২:২০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

দিনাজপুরের আত্রাই, পূর্ণভবা, ঢেপা, করোতোয়াসহ জেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া বেশ কয়েকটির নদীর পানি বাড়তির দিকে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বাড়ছে এসব নদীর পানি বলছে স্থানীয়রা। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে যদিও বেশ কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধির দিকে তবে এই পানি দ্রুত বেগে নেমে যাবে তাই চিন্তার কোন কারণ নেই।

কাঞ্চন ঘাট এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী বাসিন্দা লুৎফর রহমান বলেন, গেল ২৪ ঘন্টায় পুনর্ভবা নদীর পানি অনেক বেড়েছে এবং এখনো বাড়ছেই। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেলে নদী রক্ষা বাঁধের নিচে যারা অবস্থান করছে তারা বেশ বিপাকে পড়বে।

দিনাজপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গেল ৩০ জুন দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার ১ জুলাই জেলায় উজানের ঢলে দিনাজপুরে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে চিন্তার কোন কারণ নেই

কাঞ্চন ঘাট এলাকার বাসিন্দা মিষ্টি ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, গেল ২৪ ঘন্টায় পুনর্ভবা নদীর পানি অনেক বেড়েছে এবং এখনো বাড়ছেই। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেলে নদী রক্ষা বাঁধের নিচে যারা অবস্থান করছে তারা বেশ বিপাকে পড়বে।

দিনাজপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গেল ৩০ জুন দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার ১ জুলাই বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার। তবে আগামী ৩ জুলাই থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন তিনি।

দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ বলেন, জেলার আত্রাই ও করতোয়া নদীর বিপদসীমা ৩৩.০৫ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ৩৬. ২৫ মিটার উপর দিয়ে, ইছামতি ও ছোট যমুনা নদীর বিপদসীমা ২৯.৫ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ২৫.৮ মিটার উপর দিয়ে, টাঙ্গন নদীর বিপদ সীমা ৩৪ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ২৫.৮৩ মিটার উপর দিয়ে এবং করোতোয়া নদীর বিপরীত সীমা ৪৩.৭০ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে ৪৪.৮ মিটার যা বিপদ সীমার ৯৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা বেশিরভাগ পানি করতোয়া নদী দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে দিনাজপুরে এর প্রভাব কম পড়ে।

এছাড়া অন্যান্য নদীর পানি বাড়ছে এবং কমছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে জেলার বিভিন্ন নদীর তলদেশে ধানের বীজ রোপন করেছিল কৃষকরা যা তোর তলিয়ে গেছে এমন তথ্য জানা গেছে বিভিন্ন উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে।

 

বাখ//আর