ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ইলনকে ভালোই বাসি, কিন্তু আমি ট্রুথেই থাকব : ট্রাম্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক টুইটারের দখল নেওয়ার পরও নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশাল’ ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

টুইটার অধিগ্রহনের আগে থেকেই মাধ্যমটিতে ট্রাম্পকে আজীবন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের সমালোচক ছিলেন মাস্ক।

“ইলনকে আমি পছন্দ করি, তবে ট্রুথেই থাকছি।” –শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন ট্রাম্প।

অ্যাকাউন্ট ফিরে আসা বা এলেও টুইটারে আর কখনও পোস্ট করবেন কি না – এসব বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, তিনি যখন নিজের প্ল্যাটফর্মে কিছু পোস্ট করেন, তা এমনিতেই অন্যান্য জায়গায় চলে যায়।

“টুইটার ও অন্যান্য জায়গায় যারা আছেন, তারা সবাই এমনিতেও সেখানে এগুলো দিয়ে দেন।”

২০২১ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সমর্থকরা ইউএস ক্যাপিটলে আক্রমণ চালানোর পর প্ল্যাটফর্ম থেকে তাকে নিষিদ্ধ করে টুইটার। মাস্ক তার অ্যাকাউন্ট ফেরানোর কথা বললেও পরবর্তীতে এতে আর না ফেরার কথা জানান তিনি।

নিজেকে বাক স্বাধীনতার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দাবি করা মাস্ক, বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) টুইটার অধিগ্রহনের পর কোম্পানির বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার চাকরী বরখাস্ত করেন। বিষয়টিকে ‘নৃশংস দক্ষতা’ বলে লিখেছে রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রভাবশালী সামাজিক প্ল্যাটফর্মে মাস্ক কীভাবে নিজের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবেন, ওই বিষয়ে কিছুটা পরিষ্কার ধারণা মিলেছে এতে।

টুইটারে মাস্কের নতুন আমল শুরুর কয়েক ঘণ্টা পরই বিভিন্ন বৈশ্বিক নেতা ও নিষিদ্ধ অ্যাকাউন্ট মালিকদের নিষেধাজ্ঞা তোলার অনুরোধ ও দাবিতে তার অ্যাকাউন্ট ‘ভেসে যায়’।

এর আগে, মাস্কের অধিগ্রহনের পর নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প বলেন, তিনি খুশি যে টুইটার এখন ‘বোধসম্পন্ন হাতে’ আছে। তবে, নিজেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া এই প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প ফিরবেন কি না, ওই বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

ট্রাম্পের বিবেচনায়, তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্মই ‘ভালো দেখায় ও কাজ করে’। “আমি ট্রুথ ভালোবাসি।” –লিখেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুইটারে যেসব অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো হয়তো শীঘ্রই উঠে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইলনকে ভালোই বাসি, কিন্তু আমি ট্রুথেই থাকব : ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৭:৪১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক টুইটারের দখল নেওয়ার পরও নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশাল’ ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

টুইটার অধিগ্রহনের আগে থেকেই মাধ্যমটিতে ট্রাম্পকে আজীবন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের সমালোচক ছিলেন মাস্ক।

“ইলনকে আমি পছন্দ করি, তবে ট্রুথেই থাকছি।” –শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন ট্রাম্প।

অ্যাকাউন্ট ফিরে আসা বা এলেও টুইটারে আর কখনও পোস্ট করবেন কি না – এসব বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, তিনি যখন নিজের প্ল্যাটফর্মে কিছু পোস্ট করেন, তা এমনিতেই অন্যান্য জায়গায় চলে যায়।

“টুইটার ও অন্যান্য জায়গায় যারা আছেন, তারা সবাই এমনিতেও সেখানে এগুলো দিয়ে দেন।”

২০২১ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সমর্থকরা ইউএস ক্যাপিটলে আক্রমণ চালানোর পর প্ল্যাটফর্ম থেকে তাকে নিষিদ্ধ করে টুইটার। মাস্ক তার অ্যাকাউন্ট ফেরানোর কথা বললেও পরবর্তীতে এতে আর না ফেরার কথা জানান তিনি।

নিজেকে বাক স্বাধীনতার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দাবি করা মাস্ক, বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) টুইটার অধিগ্রহনের পর কোম্পানির বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার চাকরী বরখাস্ত করেন। বিষয়টিকে ‘নৃশংস দক্ষতা’ বলে লিখেছে রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রভাবশালী সামাজিক প্ল্যাটফর্মে মাস্ক কীভাবে নিজের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবেন, ওই বিষয়ে কিছুটা পরিষ্কার ধারণা মিলেছে এতে।

টুইটারে মাস্কের নতুন আমল শুরুর কয়েক ঘণ্টা পরই বিভিন্ন বৈশ্বিক নেতা ও নিষিদ্ধ অ্যাকাউন্ট মালিকদের নিষেধাজ্ঞা তোলার অনুরোধ ও দাবিতে তার অ্যাকাউন্ট ‘ভেসে যায়’।

এর আগে, মাস্কের অধিগ্রহনের পর নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প বলেন, তিনি খুশি যে টুইটার এখন ‘বোধসম্পন্ন হাতে’ আছে। তবে, নিজেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া এই প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প ফিরবেন কি না, ওই বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

ট্রাম্পের বিবেচনায়, তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্মই ‘ভালো দেখায় ও কাজ করে’। “আমি ট্রুথ ভালোবাসি।” –লিখেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুইটারে যেসব অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো হয়তো শীঘ্রই উঠে যাবে।