ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ইভিএমের বিষয়টি ব্যক্তিগত নয়, হতাশার কিছু নেই : সিইসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প স্থগিত হলেও হতাশার কিছু নেই বলে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, একটা সিদ্ধান্ত এসেছে, সার্বিক অর্থনীতির কারণে সরকার ইভিএম দিতে পারছে না। এখানে আমাদের রিয়েকশনের কিছু নেই।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকল্পটি স্থগিত হওয়ায় হতাশ কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। ইভিএমের বিষয়টি আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার নয়, হতাশার কিছু নেই। একটা সিদ্ধান্ত এসছে যে সার্বিক অর্থনৈতিক কারণে সরকার ইভিএম দিতে পারছে না। এখানে আমাদের রিয়্যাকশন দেখানোর কিছু নেই। আমরা এটা বলেছিলাম অনূর্ধ্ব ১৫০টি আসনে এবং আরও বলেছিলাম প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ইভিএম ব্যবহার করবো। কাজেই এখানে হতাশ হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

সিইসি বলেন, ওই বিষয়ে আর রিয়্যাকশন দিতে চাচ্ছি না। ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়ার পর আমাদের কমিশনের পক্ষ থেকে কমিশনার (ইসি সচিবও আনুষ্ঠানিক ব্রিফ করেছেন) আপনাদের বক্তব্য দিয়েছেন।

৩০০ আসনেই ইভিএমে করতে পারলে ভোটটা বেশি সুষ্ঠু হতো এমন মন্তব্য আগে করেছিলেন, এখন কী হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাপ্যতা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইভিএম হবে। আমাদের যে ইভিএম আছে তা দিয়ে ৫০,৪০,৩০ আসনে হবে? এ বিষয়ে আমরা এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি। যে মেশিনগুলো আমাদের কাছে আছে সেগুলো যদি কার্যকর থাকে আমরা কিউসি করছি, যতটা সম্ভব আমরা নির্বাচন করবো। তবে বিষয়টা আমরা নিশ্চিত নই, আগে জানতে হবে কতগুলো ইভিএম মেশিন আছে।

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে আরও দুই লাখ ইভিএম কেনায় সরকার সায় দেয়নি। প্রকল্পটি স্থগিত হলেও তাতে হতাশ হইনি। সে সঙ্গে বিদ্যমান কার্যকর ইভিএম দিয়ে কত আসনে ইভিএমে ভোট করবে তা নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পূর্বে নির্বাচন কমিশন দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কিনেছিল বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে। সেই মেশিনগুলো দিয়েই গত পাঁচ চার জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন, উপ-নির্বাচন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। মেশিনগুলো সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কিছু কিছু মেশিন অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এগুলোর মধ্যে বেশকিছু ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে। এছাড়া সংসদের নির্বাচনের জন্য কতগুলো ব্যবহার করা যাবে তাও পরীক্ষা করে দেখছে কমিশন।

এর আগে, কমিশন থেকে সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ভোটগ্রহণ করার জন্য নতুন একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছিল। এতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮ হাজার ৭১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আর্থিক সংকটের কারণে রোববার (২২ জানুয়ারি) প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করেছে সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইভিএমের বিষয়টি ব্যক্তিগত নয়, হতাশার কিছু নেই : সিইসি

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প স্থগিত হলেও হতাশার কিছু নেই বলে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, একটা সিদ্ধান্ত এসেছে, সার্বিক অর্থনীতির কারণে সরকার ইভিএম দিতে পারছে না। এখানে আমাদের রিয়েকশনের কিছু নেই।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকল্পটি স্থগিত হওয়ায় হতাশ কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। ইভিএমের বিষয়টি আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার নয়, হতাশার কিছু নেই। একটা সিদ্ধান্ত এসছে যে সার্বিক অর্থনৈতিক কারণে সরকার ইভিএম দিতে পারছে না। এখানে আমাদের রিয়্যাকশন দেখানোর কিছু নেই। আমরা এটা বলেছিলাম অনূর্ধ্ব ১৫০টি আসনে এবং আরও বলেছিলাম প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ইভিএম ব্যবহার করবো। কাজেই এখানে হতাশ হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

সিইসি বলেন, ওই বিষয়ে আর রিয়্যাকশন দিতে চাচ্ছি না। ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়ার পর আমাদের কমিশনের পক্ষ থেকে কমিশনার (ইসি সচিবও আনুষ্ঠানিক ব্রিফ করেছেন) আপনাদের বক্তব্য দিয়েছেন।

৩০০ আসনেই ইভিএমে করতে পারলে ভোটটা বেশি সুষ্ঠু হতো এমন মন্তব্য আগে করেছিলেন, এখন কী হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাপ্যতা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইভিএম হবে। আমাদের যে ইভিএম আছে তা দিয়ে ৫০,৪০,৩০ আসনে হবে? এ বিষয়ে আমরা এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি। যে মেশিনগুলো আমাদের কাছে আছে সেগুলো যদি কার্যকর থাকে আমরা কিউসি করছি, যতটা সম্ভব আমরা নির্বাচন করবো। তবে বিষয়টা আমরা নিশ্চিত নই, আগে জানতে হবে কতগুলো ইভিএম মেশিন আছে।

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে আরও দুই লাখ ইভিএম কেনায় সরকার সায় দেয়নি। প্রকল্পটি স্থগিত হলেও তাতে হতাশ হইনি। সে সঙ্গে বিদ্যমান কার্যকর ইভিএম দিয়ে কত আসনে ইভিএমে ভোট করবে তা নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পূর্বে নির্বাচন কমিশন দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কিনেছিল বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে। সেই মেশিনগুলো দিয়েই গত পাঁচ চার জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন, উপ-নির্বাচন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। মেশিনগুলো সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কিছু কিছু মেশিন অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এগুলোর মধ্যে বেশকিছু ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে। এছাড়া সংসদের নির্বাচনের জন্য কতগুলো ব্যবহার করা যাবে তাও পরীক্ষা করে দেখছে কমিশন।

এর আগে, কমিশন থেকে সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ভোটগ্রহণ করার জন্য নতুন একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছিল। এতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮ হাজার ৭১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আর্থিক সংকটের কারণে রোববার (২২ জানুয়ারি) প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করেছে সরকার।