শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতাদের চাহিদা পূরণে পাশে আছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ভেন্যু নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব শুক্রবার কেটে যাবে: হারুন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ম্যাচের দিন ঝড়বৃষ্টির শঙ্কা চিকিৎসকরা উপজেলায় যেতে চান না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবরা নিজেদের রাজা মনে করেন: হাইকোর্ট বিএনপি চায় কমলাপুর স্টেডিয়াম, ডিএমপি বলছে বাঙলা কলেজ নারী শিক্ষার প্রসারে বেগম রোকেয়ার অবদান অন্তহীন প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ‘বিয়ে’ করছেন শুভ-অন্তরা! দুজনেরই সিদ্ধান্ত বিয়ে করব না: নুসরাত ফারিয়া স্পিকারের সঙ্গে চীন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ হাসপাতালে রোগীদের বারবার একই টেস্ট বন্ধ কর‍তে হবে : মেয়র আতিক নয়াপল্টনে ‘সহিংসতা’র সুষ্ঠু তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র ফখরুল সাহেব, হুঁশ হারাবেন না, অবস্থা শিশুবক্তার মতো হবে: হানিফ রাঙ্গাবালীতে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ  সাঁথিয়ায় অটোবাইক চাপায় প্রাণ গেল শিশুর

ইডেন কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে আটকে ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ

ইডেন কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে আটকে ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
রাজধানীর ইডেন মহিলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্যের কক্ষে ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে এক শিক্ষার্থীকে মানসিক হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে গত সোমবার রাজধানীর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী।

নির্যাতনের শিকার ছাত্রীর নাম নুসরাত জাহান কেয়া। তিনি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। সোমবার কেয়া রাজধানীর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলন কেয়া অভিযোগ করে বলেন, আমি ১২টার সময়ে ট্রান্সক্রিপ্টের জন্য এবং অফিশিয়াল কিছু কাজে গেলে শিক্ষকেরা আমাকে অধ্যক্ষের রুমে নিয়ে যান। সেখানে আমাকে ৬ ঘণ্টা নানাভাবে হয়রানির পর জোরপূর্বক একটি অঙ্গীকারনামা নেয়। সেখানে শিক্ষকদের মানসিক নির্যাতনে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি।

কেয়া বলেন, ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও সিট বাণিজ্যের বিষয়ে আমি রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক মানববন্ধনে বক্তব্য দিয়েছিলাম; তাই আমাকে জোরপূর্বক অঙ্গীকারনামা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

তবে কলেজটির অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘ও আমাদের শিক্ষার্থী। তাকে কেন নির্যাতন করা হবে? হয়রানি, নির্যাতনের প্রশ্নই ওঠে না।’

এদিকে, কলেজ একাডেমিক কাউন্সিলের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, ‘কেয়াকে আমরা অধ্যক্ষের রুমে নিয়ে গিয়েছিলাম। তার কাছ থেকে একটি লিখিত নেয়া হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *