ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন সেভিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩
  • / ৪৪২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্রীড়া ডেস্ক: ফাইনালে না হারার রেকর্ড ধরে রাখলো সেভিয়া, ঘরে তুললো সপ্তম শিরোপা। ইউরোপিয়ান কম্পিটিশনের ফাইনালে প্রথমবার হারের স্বাদ পেল রোমা কোচ হোসে মরিনহো। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ও ১-১ সমতা। টাইব্রেকারে রোমাকে ৪-১ গোলে হারায় সেভিয়া। নায়কের ভূমিকায় মরোক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনো।

কথায় আছে কারো পৌষ মাস-কারো সর্বনাশ। ঠিক যা হলো ইউরোপা লিগের ফাইনালে। ৭ বার ফাইনাল খেলে একবারও হারেনি সেভিয়া। ইউরোপিয়ান কম্পিটিশনের ফাইনালে ৬ষ্ঠ বার এসে হারতে হলো হোসে মরিনহোকে। রোমাকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলল সেভিয়া।

বুধবার (৩১ মে) হাঙ্গেরির পুসকাস অ্যারেনায় ম্যাচটা ছিল রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ঠাসা। রোমা এগিয়ে গিয়েও নিজেদের ভুলে নির্ধারিত সময় ১-১ সমতা। অতিরিক্ত সময়ে গড়াল খেলা। কিন্তু তাতেও দু’দল সমানে সমান। টাইব্রেকারে স্নায়ুচাপের কাছে হারলো মরিনহোর দল। হেরেছে ৪-১ গোলে।

‘স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত কোচ স্প্যানিশদের এগিয়ে রেখেছিলেন অভিজ্ঞতার কারণে। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। কিন্তু নিজেদের কিভাবে ক্ষমা করবেন ইতালিয়ানরা। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল তাদের আধিপত্য। ৩৫ মিনিটে পাওলো দিবালার গোলে এগিয়েও গিয়েছিল।

প্রথমার্ধের সাদামাটা সেভিয়া দ্বিতীয়ার্ধে আলো ছড়ায়। ভুল করে বসে রোমা। নাভাসের বিপজ্জনক ক্রস হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডিফেন্ডার মানচিনি। ম্যাচে ১-১ সমতা।

নির্ধারিত সময় আরও বেশ কিছু সুযোগ পায় দু’দল। তবে গোলের দেখা নেই। অতিরিক্ত সময়ও তাই। যোগ করা সময়ও পেরিয়ে যায় ১০ মিনিট। শেষ মুহূর্তে এগিয়ে যেতে পারত রোমা। কিন্তু ক্রিস স্মলিংয়ের হেড বারে লাগে।

৪০ ফাউলের ম্যাচে সেভিয়ার ২১, রোমার ১৯। ১৩ হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বারবার ছন্দপতন। বেড়ে যায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শুটআউটে ম্যাচের নিষ্পক্তি।

যেখানে বিশ্বকাপ রোমাঞ্চের কিছুটা ফিরিয়ে আনলেন সেভিয়ার মরক্কোন গোলকিপার ইয়াসিন বুনু আর আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড গনজালো মন্তিয়েল। সেভিয়ার ৪ জনই বল জালে পাঠায়। রোমার মাত্র ১ জন। দারুন সেভ করে নায়কের নাম ইয়াসিন বুনো।

সেভিয়া ৩-১ এ এগিয়ে থাকার পর চতুর্থ শট নেন মন্টিয়েল। পোস্টে লাগে তার শট। কিন্ত রোমা গোলকিপার শট নেয়ার আগে গোললাইন থেকে এগিয়ে যাওয়ায় আবার সুযোগ পান আর্জেন্টাইন তারকা। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি। উল্লাসে ভাসান সেভিয়াকে। যেমনটা করেছিলেন বিশ্বকাপে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন সেভিয়া

আপডেট সময় : ১২:১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩

ক্রীড়া ডেস্ক: ফাইনালে না হারার রেকর্ড ধরে রাখলো সেভিয়া, ঘরে তুললো সপ্তম শিরোপা। ইউরোপিয়ান কম্পিটিশনের ফাইনালে প্রথমবার হারের স্বাদ পেল রোমা কোচ হোসে মরিনহো। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ও ১-১ সমতা। টাইব্রেকারে রোমাকে ৪-১ গোলে হারায় সেভিয়া। নায়কের ভূমিকায় মরোক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনো।

কথায় আছে কারো পৌষ মাস-কারো সর্বনাশ। ঠিক যা হলো ইউরোপা লিগের ফাইনালে। ৭ বার ফাইনাল খেলে একবারও হারেনি সেভিয়া। ইউরোপিয়ান কম্পিটিশনের ফাইনালে ৬ষ্ঠ বার এসে হারতে হলো হোসে মরিনহোকে। রোমাকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলল সেভিয়া।

বুধবার (৩১ মে) হাঙ্গেরির পুসকাস অ্যারেনায় ম্যাচটা ছিল রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ঠাসা। রোমা এগিয়ে গিয়েও নিজেদের ভুলে নির্ধারিত সময় ১-১ সমতা। অতিরিক্ত সময়ে গড়াল খেলা। কিন্তু তাতেও দু’দল সমানে সমান। টাইব্রেকারে স্নায়ুচাপের কাছে হারলো মরিনহোর দল। হেরেছে ৪-১ গোলে।

‘স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত কোচ স্প্যানিশদের এগিয়ে রেখেছিলেন অভিজ্ঞতার কারণে। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। কিন্তু নিজেদের কিভাবে ক্ষমা করবেন ইতালিয়ানরা। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল তাদের আধিপত্য। ৩৫ মিনিটে পাওলো দিবালার গোলে এগিয়েও গিয়েছিল।

প্রথমার্ধের সাদামাটা সেভিয়া দ্বিতীয়ার্ধে আলো ছড়ায়। ভুল করে বসে রোমা। নাভাসের বিপজ্জনক ক্রস হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডিফেন্ডার মানচিনি। ম্যাচে ১-১ সমতা।

নির্ধারিত সময় আরও বেশ কিছু সুযোগ পায় দু’দল। তবে গোলের দেখা নেই। অতিরিক্ত সময়ও তাই। যোগ করা সময়ও পেরিয়ে যায় ১০ মিনিট। শেষ মুহূর্তে এগিয়ে যেতে পারত রোমা। কিন্তু ক্রিস স্মলিংয়ের হেড বারে লাগে।

৪০ ফাউলের ম্যাচে সেভিয়ার ২১, রোমার ১৯। ১৩ হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বারবার ছন্দপতন। বেড়ে যায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শুটআউটে ম্যাচের নিষ্পক্তি।

যেখানে বিশ্বকাপ রোমাঞ্চের কিছুটা ফিরিয়ে আনলেন সেভিয়ার মরক্কোন গোলকিপার ইয়াসিন বুনু আর আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড গনজালো মন্তিয়েল। সেভিয়ার ৪ জনই বল জালে পাঠায়। রোমার মাত্র ১ জন। দারুন সেভ করে নায়কের নাম ইয়াসিন বুনো।

সেভিয়া ৩-১ এ এগিয়ে থাকার পর চতুর্থ শট নেন মন্টিয়েল। পোস্টে লাগে তার শট। কিন্ত রোমা গোলকিপার শট নেয়ার আগে গোললাইন থেকে এগিয়ে যাওয়ায় আবার সুযোগ পান আর্জেন্টাইন তারকা। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি। উল্লাসে ভাসান সেভিয়াকে। যেমনটা করেছিলেন বিশ্বকাপে।