ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

‘ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকার কোন মামলা করেনি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
  • / ৪১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকার কোন মামলা করেনি। মামলা করেছে বঞ্চিত শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে গণভবনে ভারত পরবর্তী সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন ইউনূসের পক্ষে টাকা খরচ করে যারা বিবৃতি দেয়া হয় সেগুলো বিজ্ঞাপন।

ভারত সফর নিয়ে তিনি বলেন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। এর সুফল দু দেশের জনগণ পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন মমতা ব্যানার্জীসহ ভারতের সকল রাজনৈতিক ব্যক্তির সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে।

তিনি বলেন ভারত তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারত সহযোগীতার আশ্বস দিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বন্ধ রেলপথ চালু করছে সরকার। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ এর উপকার পাচ্ছে।

এক প্রশে^র জবাবে তিনি বলেন, যারা বলে দেশে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তারা বলুক বিক্রিটা কিসের মাপে হচ্ছে? মাপটা কিসের মাধ্যমে হচ্ছে? বাংলাদেশে স্বাধীন দেশ, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছি। সারাবিশ্বে একটিমাত্র মিত্র শক্তি ভারত, যারা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন করে দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই কোন দেশ যুদ্ধে সহযোগিতা করতে এলে তারা সেখানেই থেকে যায়। বিজয়ী হওয়ার পরও তারা দেশ ছাড়ে না। এরকম অসংখ্য নজির আমরা দেখেছি। অথচ ভারত আমাদের মিত্র হিসেবে যুদ্ধ করেছে এবং জাতির পিতার আহ্বানে আবার তারা ফিরেও গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাহলে বাংলাদেশ কীভাবে বিক্রি হয়? আমি বলবো যারাই বলছে দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তারাই বরং দেশকে বিক্রি করতে চেয়েছে। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রেখেছি। এখন যারা দেশ বিক্রির কথা বলে, তারাই মুক্তিযদ্ধের সময় পাকিস্তানের দালালি করেছে।

তিনি আরও বলেন, রেলপথ ব্যবহারের ফলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হচ্ছে। ওইসব এলাকার মানুষের জন্য যোগাযোগ সহজ হচ্ছে। ইউরোপে তো বর্ডারই নেই, তারা কি তাহলে বিক্রি করে দিচ্ছে? প্রত্যেকটা দেশই তো স্বাধীন দেশ, তারা তো বিক্রি হয়নি। তাহলে সাউথ এশিয়ায় কেন এটা বাঁধা হয়ে থাকবে?

এর আগে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠনের পর ভারতেও ছিল এটি প্রথমবারের মত কোন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার-প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর।

এটি অবশ্যই আমার এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতামূলক বিশেষ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ।

ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও নিকটতম প্রতিবেশি, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সম্পর্কের সূচনা হয় তাকে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দু’দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন একই মাসে সরকার প্রধান হিসেবে দু’বার দিল্লি সফর আমার জন্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এসবই আমাদের দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করার প্রমাণ বহন করে।

এ সফরে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় আম্বাসাডর অ্যাটলার্জ, মাননীয় বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও একটি সাংবাদিক প্রতিনিধিদল আমার সফরসঙ্গী ছিলেন।

বৈঠককালে, প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী চলমান অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রতিবেশিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তাঁরা বাংলাদেশের সঙ্গে আরও গভীরভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ তাঁদের ‘প্রতিবেশি প্রথম’, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’, ‘সমুদ্র ও ইন্দো-প্যাসিফিক’ নীতির কেন্দ্রে রয়েছে। আমরা দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার পথ এবং কার্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা আমাদের দু’দেশের এবং জনগণের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার বিষয়ে সম্মত হয়েছি।

বৈঠকে আমরা অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মধ্যে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সীমান্তে হতাহতের ঘটনা শুন্যে নামিয়ে আনা, বাণিজ্য ও সংযোগ, অভিন্ন নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা ও পানি বণ্টন, জ্বালানি ও শক্তি এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

তিনি বলেন বৈঠক শেষে উভয় দেশের মধ্যে ৫টি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ও বিনিময় হয় এবং ৩টি নবায়িত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ও বিনিময় হয়। এছাড়া, ২টি রূপকল্প ঘোষণা স্বাক্ষরিত ও বিনিময় হয়। বৈঠকে ভবিষ্যত কাজের ক্ষেত্র হিসেবে ১৩টি যৌথ কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকার কোন মামলা করেনি’

আপডেট সময় : ০২:২৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকার কোন মামলা করেনি। মামলা করেছে বঞ্চিত শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে গণভবনে ভারত পরবর্তী সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন ইউনূসের পক্ষে টাকা খরচ করে যারা বিবৃতি দেয়া হয় সেগুলো বিজ্ঞাপন।

ভারত সফর নিয়ে তিনি বলেন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। এর সুফল দু দেশের জনগণ পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন মমতা ব্যানার্জীসহ ভারতের সকল রাজনৈতিক ব্যক্তির সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে।

তিনি বলেন ভারত তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারত সহযোগীতার আশ্বস দিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বন্ধ রেলপথ চালু করছে সরকার। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ এর উপকার পাচ্ছে।

এক প্রশে^র জবাবে তিনি বলেন, যারা বলে দেশে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তারা বলুক বিক্রিটা কিসের মাপে হচ্ছে? মাপটা কিসের মাধ্যমে হচ্ছে? বাংলাদেশে স্বাধীন দেশ, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছি। সারাবিশ্বে একটিমাত্র মিত্র শক্তি ভারত, যারা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন করে দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই কোন দেশ যুদ্ধে সহযোগিতা করতে এলে তারা সেখানেই থেকে যায়। বিজয়ী হওয়ার পরও তারা দেশ ছাড়ে না। এরকম অসংখ্য নজির আমরা দেখেছি। অথচ ভারত আমাদের মিত্র হিসেবে যুদ্ধ করেছে এবং জাতির পিতার আহ্বানে আবার তারা ফিরেও গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাহলে বাংলাদেশ কীভাবে বিক্রি হয়? আমি বলবো যারাই বলছে দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তারাই বরং দেশকে বিক্রি করতে চেয়েছে। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রেখেছি। এখন যারা দেশ বিক্রির কথা বলে, তারাই মুক্তিযদ্ধের সময় পাকিস্তানের দালালি করেছে।

তিনি আরও বলেন, রেলপথ ব্যবহারের ফলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হচ্ছে। ওইসব এলাকার মানুষের জন্য যোগাযোগ সহজ হচ্ছে। ইউরোপে তো বর্ডারই নেই, তারা কি তাহলে বিক্রি করে দিচ্ছে? প্রত্যেকটা দেশই তো স্বাধীন দেশ, তারা তো বিক্রি হয়নি। তাহলে সাউথ এশিয়ায় কেন এটা বাঁধা হয়ে থাকবে?

এর আগে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠনের পর ভারতেও ছিল এটি প্রথমবারের মত কোন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার-প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর।

এটি অবশ্যই আমার এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতামূলক বিশেষ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ।

ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও নিকটতম প্রতিবেশি, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সম্পর্কের সূচনা হয় তাকে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দু’দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন একই মাসে সরকার প্রধান হিসেবে দু’বার দিল্লি সফর আমার জন্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এসবই আমাদের দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করার প্রমাণ বহন করে।

এ সফরে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় আম্বাসাডর অ্যাটলার্জ, মাননীয় বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও একটি সাংবাদিক প্রতিনিধিদল আমার সফরসঙ্গী ছিলেন।

বৈঠককালে, প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী চলমান অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রতিবেশিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তাঁরা বাংলাদেশের সঙ্গে আরও গভীরভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ তাঁদের ‘প্রতিবেশি প্রথম’, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’, ‘সমুদ্র ও ইন্দো-প্যাসিফিক’ নীতির কেন্দ্রে রয়েছে। আমরা দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার পথ এবং কার্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা আমাদের দু’দেশের এবং জনগণের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার বিষয়ে সম্মত হয়েছি।

বৈঠকে আমরা অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মধ্যে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সীমান্তে হতাহতের ঘটনা শুন্যে নামিয়ে আনা, বাণিজ্য ও সংযোগ, অভিন্ন নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা ও পানি বণ্টন, জ্বালানি ও শক্তি এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

তিনি বলেন বৈঠক শেষে উভয় দেশের মধ্যে ৫টি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ও বিনিময় হয় এবং ৩টি নবায়িত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ও বিনিময় হয়। এছাড়া, ২টি রূপকল্প ঘোষণা স্বাক্ষরিত ও বিনিময় হয়। বৈঠকে ভবিষ্যত কাজের ক্ষেত্র হিসেবে ১৩টি যৌথ কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়।