বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ১৬ বছর পর ডেনমার্ককে হারিয়ে শেষ ষোলো’তে অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়েও তিউনিসিয়ার কান্না রাউজানে ডাকাতির ঘটনায় র‌্যাবের হাতে আরো এক ডাকাত আটক রাউজানে স্কুল থেকে ফেরার পথে ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় যুবক কারাগারে রাউজানে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ‘আওয়ামী লীগ গরীব দুখী মেহনতি মানুষের কল্যানে রাজনীতি করে’ -কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুহিব ডিমলায় বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা রিজার্ভ কমে ৩৩ বিলিয়নে নেমেছে নিউজিল্যান্ডদের কাছে সিরিজ হারল ভারত তিন নারী রেফারি, ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে কাতার বিশ্বকাপ কীর্তি সুরেশের বিয়ে প্রফেসর মযহারুল ইসলাম ॥ শ্রদ্ধাঞ্জলি সিটি করপোরেশনে মহামারি বিশেষজ্ঞ পদসৃষ্টির প্রস্তাব পেয়েছি : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত

আ.লীগ সরকারের আমল ছাড়া রেলের কোনও উন্নয়ন হয়নি : রেলমন্ত্রী

আ.লীগ সরকারের আমল ছাড়া রেলের কোনও উন্নয়ন হয়নি : রেলমন্ত্রী
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
একমাত্র আওয়ামী লীগের শাসনামল ছাড়া ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশ ভুখণ্ডে রেলওয়ের কোনও উন্নয়ন হয়নি বলে জানান রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ দাবি করেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে প্রশ্নোত্তর হয়। এতে রেলপথ মন্ত্রী সুজনের অনুপস্থিতিতে কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম তার প্রশ্নে লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরেও রেলে লোকসানের রেকর্ড দাবি করে তার কারণ জানতে চান।

জবাবে রেলপথমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার প্রয়োজনে ভারতীয় উপমহাদেশে রেলওয়ের গোড়াপত্তন করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে যখন তারা বুঝতে শুরু করেছে যে, নিজেদের সাম্রাজ্যবাদের পতন হতে চলছে, তখন থেকেই বিনিয়োগ বন্ধ করে দেয়। এরপর পাকিস্তান শাসনামলেও রেলওয়ের কোনও উন্নয়ন হয়নি।

তিনি বলেন, স্বাধীনের পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলওয়ের পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরের সরকারগুলো রেলপথের উন্নয়নে কোনও ভূমিকা নেয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনার দুরদর্শিতা ও একক সিদ্ধান্তে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর রেল সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর বিএনপির শাসনামলে রেলওয়ের অগ্রযাত্রা আবারও ব্যাহত হয়।

রেলপথমন্ত্রী বলেন, ১৯১৪ সাল থেকে শুরু করে ২০০৯ পর্যন্ত সুদীর্ঘ সময়কালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়কাল ব্যতীত এবং শেখ হাসিনার আমল ছাড়া অন্য সরকারগুলোর সময়ে বাংলাদেশের রেলপথের উন্নয়নে ভূমিকা নেওয়া হয়নি। শোষণ ও বঞ্চনা করে এই খাত ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পরে রেলপথের উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়।’ যার ফল রেলওয়ে পেতে শুরু করেছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পরিপূর্ণ ফলাফল পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। বর্তমানে যে উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে, তা শেষ হলে রেলওয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান, বাংলাদেশে বাৎসরিক বস্ত্রের চাহিদা ৭ হাজার মিলিয়ন মিটার। শতভাগ বস্ত্র দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। তবে রফতানি ও অধিক মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে বিদেশ হতে বস্ত্র আমদানি করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *