ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

আমরা চাই, আমাদের দেশ এগিয়ে যাক: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‌‘আমরা চাই, আমাদের দেশ এগিয়ে যাক, এটাই আমাদের লক্ষ্য। একটা সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়নটা টেকসই হয় না, এটায় প্রমাণিত সত্য।’

আজ রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে চার দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন তিনি। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের লক্ষ্য পূরণে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিক হওয়ারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

সম্মেলনে কেউ যেন পণ্য মজুত করে জনগণকে হয়রানি করতে না পারে, সেজন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ডিসিদের জনগণের সেবক হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও নির্দেশনা দেশ সরকার প্রধান।

উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসনকে কৃষি, শিল্প, সৌর বিদ্যু্ৎ, অর্থনীতি ও গৃহায়নের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। যেকোনো দুর্যোগে জনগণের পাশে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানসিকতারও প্রশংসা করেন শেখ হাসিনা।

এসময় রমজানের আগে দ্রব্যমূল্য কমাতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে যেন তরুণেরা জড়িয়ে না পড়ে সেজন্য অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত ও সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেন সরকার প্রধান।

একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বানচাল করতে চাইলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার জাতির পিতার ইচ্ছে থাকলেও পঁচাত্তরে ঘাতকদের হাতে নির্মম হত্যাকান্ডের তা ব্যহত হয়। পরবর্তী আওয়ামী লীগ বাস্তবায়ন করে দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে কাজ করছে সরকার। একটা সরকারের ধারাবাহিকতা না উন্নয়ন টেকসই হয় না তা প্রমাণিত। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এবার সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে থাকছে ৩৫৬টি প্রস্তাব। আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদারকরণ।

এবারের সম্মেলনে মোট অধিবেশন ৩০টি। কার্য-অধিবেশন ২৫টি (একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, একটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় এবং একটি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সদয় নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা একটি।

এছাড়া অংশগ্রহণকারী কার্যালয় একটি (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)। একই সঙ্গে ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কার্যালয় ও সংস্থা সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রায় ৩৫৬টি প্রস্তাবনা জমা পড়েছে।

প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর জনসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন-কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনাসামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিবছর আয়োজন করা হয় ডিসি সম্মেলন। এবারের সম্মেলন শেষ হবে আগামী বুধবার (৬ মার্চ)।

নিউজটি শেয়ার করুন

আমরা চাই, আমাদের দেশ এগিয়ে যাক: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‌‘আমরা চাই, আমাদের দেশ এগিয়ে যাক, এটাই আমাদের লক্ষ্য। একটা সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়নটা টেকসই হয় না, এটায় প্রমাণিত সত্য।’

আজ রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে চার দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন তিনি। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের লক্ষ্য পূরণে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিক হওয়ারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

সম্মেলনে কেউ যেন পণ্য মজুত করে জনগণকে হয়রানি করতে না পারে, সেজন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ডিসিদের জনগণের সেবক হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও নির্দেশনা দেশ সরকার প্রধান।

উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসনকে কৃষি, শিল্প, সৌর বিদ্যু্ৎ, অর্থনীতি ও গৃহায়নের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। যেকোনো দুর্যোগে জনগণের পাশে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানসিকতারও প্রশংসা করেন শেখ হাসিনা।

এসময় রমজানের আগে দ্রব্যমূল্য কমাতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে যেন তরুণেরা জড়িয়ে না পড়ে সেজন্য অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত ও সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেন সরকার প্রধান।

একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বানচাল করতে চাইলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার জাতির পিতার ইচ্ছে থাকলেও পঁচাত্তরে ঘাতকদের হাতে নির্মম হত্যাকান্ডের তা ব্যহত হয়। পরবর্তী আওয়ামী লীগ বাস্তবায়ন করে দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে কাজ করছে সরকার। একটা সরকারের ধারাবাহিকতা না উন্নয়ন টেকসই হয় না তা প্রমাণিত। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এবার সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে থাকছে ৩৫৬টি প্রস্তাব। আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদারকরণ।

এবারের সম্মেলনে মোট অধিবেশন ৩০টি। কার্য-অধিবেশন ২৫টি (একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, একটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় এবং একটি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সদয় নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা একটি।

এছাড়া অংশগ্রহণকারী কার্যালয় একটি (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)। একই সঙ্গে ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কার্যালয় ও সংস্থা সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রায় ৩৫৬টি প্রস্তাবনা জমা পড়েছে।

প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর জনসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন-কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনাসামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিবছর আয়োজন করা হয় ডিসি সম্মেলন। এবারের সম্মেলন শেষ হবে আগামী বুধবার (৬ মার্চ)।