ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে : ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ১০ দফা দাবি’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে। আজ সেই কালো দিন। বর্তমানেও তারা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালাচ্ছে। তারা দেশকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যতই বলুক তারা গণতান্ত্রিক দল, মুক্তিযুদ্ধের দল, আসলে এটা মিথ্যা। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা হয়েছে। নতুন প্রজন্ম এ ইতিহাস জানে না। তা তারা মুছে ফেলেছে। কেন গণতন্ত্র হত্যা করেছেন, আওয়ামী লীগের কাছে জিজ্ঞাসা করলেই তাদের গায়ে জ্বালা ধরে। উল্টো বলে বিএনপি নাকি গণতন্ত্র নষ্ট করেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামো তারা ভেঙে ফেলেছে। সেসময় সবাই বাকশালের বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু দুঃঃখের বিষয়, আ.লীগ ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না।

তিনি বলেন, সেদিন আপনাদের একদলীয় বাকশাল কায়েমের প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী, ব্যারিস্টার মঈনুল সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। পল্লীকবি জসিমউদ্দীন তার পদক প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই আওয়ামী লীগ কখনোই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ভিন্নমত সহ্য করে না। আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মওলানা ভাসানীকে সন্ত্রাসী কায়দায় দল থেকে বের করে দিয়েছিল। এরা সন্ত্রাসী দল।

dhakapost

আওয়ামী লীগের ইতিহাস সন্ত্রাসের ইতিহাস উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও রাজপথে দাঁড়িয়ে ভোটের অধিকার, গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতার জন্য আমাদের আন্দোলন করতে হচ্ছে। এ সরকার সব ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই তারা মানুষের আন্দোলনকে ভয় পাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। মামলা দিচ্ছে, জেলে ভরছে। আমরা অচিরেই আন্দোলনের মাধ্যমে সব নেতাকর্মীকে মুক্ত করবো। দেশে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য রাজপথে আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে। আন্দোলনের তোরে এ সরকার পালানোর পথও খুঁজে পাবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি, বিএনপি যেদিন প্রোগ্রাম দেয়, তখনি একটা পাল্টা প্রোগ্রাম দেয় আওয়ামী লীগ। আজ আমরা এখানে (নয়াপল্টন) প্রোগ্রাম করছি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অফিসেও (গুলিস্তান) তাদের কিছু একটা চলছে। নিজেদের প্রতি তাদের আস্থার অভাব। এতো ভয়, বিএনপি প্রোগ্রাম করলে না জানি কী হয়ে যাবে। ওই ভয়ে নিজেরা প্রোগ্রাম দিয়ে বসে। আওয়ামী লীগের নিজেদের ওপর কোনো আস্থা নেই। সে জন্য তারা এই সব প্রোগ্রাম দেয়।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যখনই কর্মসূচি দেই, তখনই আওয়ামী লীগ একটা পাল্টা কর্মসূচি দেয়। তাদের পার্টি অফিসের সামনে এখনো সমাবেশ চলছে। তাদের মধ্যে এত আস্থার অভাব আছে। এত ভয়, বিএনপির প্রোগ্রাম করলে না জানি কী হয়ে যায়। এই ভয়ে তারা পাল্টা কর্মসূচি দেয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রশ্ন তুলে ফখরুল বলেন, কোন রাষ্ট্রপতি? তিনি কি কিছু করতে পারেন? তিনি কি প্রধানমন্ত্রীর বাহিরে যেতে পারেন? এজন্য আমরা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য এনেছি।

ফখরুল বলেন, আজ এ সরকার সচেতনভাবে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। নির্বাচনে তামাশা তৈরি করেছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই- এই তামাশার নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। তাই এই সরকারকে সরাতে হবে।

রাজধানী ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিএনপির সমাবেশ ৪ ফেব্রুয়ারি

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় হয়ে গেছে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার। তারা আর ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। এখন দেশের মানুষ ডিম খেয়েও বাঁচতে পারছে না। গ্যাসের দাম বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। মানুষ আর এ সরকারের শোষণ নিতে পারছে না।

ফখরুল বলেন, আজকের এই দিনে আওয়ামী লীগ সরকারে হাতে গণতন্ত্র হত্যা হয়েছে। বাকশাল প্রতিষ্ঠা হয়েছে। দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে এই আওয়ামী লীগ সরকার। দেশের মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দেশের পত্রিকাগুলো বন্ধ করা দেওয়া হয়েছে। সেদিন বাকশাল প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর আমাদের দেশের তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবী সেদিন আওয়ামী লীগ সরকারকে সাপোর্ট দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ কখনোই গণতন্ত্র বিশ্বাসী নয়। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু কাজ করে উল্টো। আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে সন্ত্রাসের। আওয়ামী লীগের ইতিহাস অবৈধ ক্ষমতা দখলের। আজ অধিকারের জন্য, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আওয়ামী লীগের সরকারের হাতে প্রাণ দিচ্ছে। আমাদের নেতাকর্মীদের প্রাণ দিতে হয়েছে অসংখ্য।

পাঠ্যপুস্তকে আমাদের ঐতিহ্যবিরোধী বিষয় সংযুক্ত করা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যেগুলো আমাদের ঐতিহ্যবিরোধী, সংস্কৃতিবিরোধী সেগুলো বাতিল করে নতুন করে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতি এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও উত্তরের সদস্য আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, শামা ওবায়েদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে : ফখরুল

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ১০ দফা দাবি’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে। আজ সেই কালো দিন। বর্তমানেও তারা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালাচ্ছে। তারা দেশকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যতই বলুক তারা গণতান্ত্রিক দল, মুক্তিযুদ্ধের দল, আসলে এটা মিথ্যা। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা হয়েছে। নতুন প্রজন্ম এ ইতিহাস জানে না। তা তারা মুছে ফেলেছে। কেন গণতন্ত্র হত্যা করেছেন, আওয়ামী লীগের কাছে জিজ্ঞাসা করলেই তাদের গায়ে জ্বালা ধরে। উল্টো বলে বিএনপি নাকি গণতন্ত্র নষ্ট করেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামো তারা ভেঙে ফেলেছে। সেসময় সবাই বাকশালের বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু দুঃঃখের বিষয়, আ.লীগ ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না।

তিনি বলেন, সেদিন আপনাদের একদলীয় বাকশাল কায়েমের প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী, ব্যারিস্টার মঈনুল সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। পল্লীকবি জসিমউদ্দীন তার পদক প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই আওয়ামী লীগ কখনোই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ভিন্নমত সহ্য করে না। আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মওলানা ভাসানীকে সন্ত্রাসী কায়দায় দল থেকে বের করে দিয়েছিল। এরা সন্ত্রাসী দল।

dhakapost

আওয়ামী লীগের ইতিহাস সন্ত্রাসের ইতিহাস উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও রাজপথে দাঁড়িয়ে ভোটের অধিকার, গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতার জন্য আমাদের আন্দোলন করতে হচ্ছে। এ সরকার সব ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই তারা মানুষের আন্দোলনকে ভয় পাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। মামলা দিচ্ছে, জেলে ভরছে। আমরা অচিরেই আন্দোলনের মাধ্যমে সব নেতাকর্মীকে মুক্ত করবো। দেশে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য রাজপথে আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে। আন্দোলনের তোরে এ সরকার পালানোর পথও খুঁজে পাবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি, বিএনপি যেদিন প্রোগ্রাম দেয়, তখনি একটা পাল্টা প্রোগ্রাম দেয় আওয়ামী লীগ। আজ আমরা এখানে (নয়াপল্টন) প্রোগ্রাম করছি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অফিসেও (গুলিস্তান) তাদের কিছু একটা চলছে। নিজেদের প্রতি তাদের আস্থার অভাব। এতো ভয়, বিএনপি প্রোগ্রাম করলে না জানি কী হয়ে যাবে। ওই ভয়ে নিজেরা প্রোগ্রাম দিয়ে বসে। আওয়ামী লীগের নিজেদের ওপর কোনো আস্থা নেই। সে জন্য তারা এই সব প্রোগ্রাম দেয়।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যখনই কর্মসূচি দেই, তখনই আওয়ামী লীগ একটা পাল্টা কর্মসূচি দেয়। তাদের পার্টি অফিসের সামনে এখনো সমাবেশ চলছে। তাদের মধ্যে এত আস্থার অভাব আছে। এত ভয়, বিএনপির প্রোগ্রাম করলে না জানি কী হয়ে যায়। এই ভয়ে তারা পাল্টা কর্মসূচি দেয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রশ্ন তুলে ফখরুল বলেন, কোন রাষ্ট্রপতি? তিনি কি কিছু করতে পারেন? তিনি কি প্রধানমন্ত্রীর বাহিরে যেতে পারেন? এজন্য আমরা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য এনেছি।

ফখরুল বলেন, আজ এ সরকার সচেতনভাবে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। নির্বাচনে তামাশা তৈরি করেছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই- এই তামাশার নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। তাই এই সরকারকে সরাতে হবে।

রাজধানী ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিএনপির সমাবেশ ৪ ফেব্রুয়ারি

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় হয়ে গেছে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার। তারা আর ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। এখন দেশের মানুষ ডিম খেয়েও বাঁচতে পারছে না। গ্যাসের দাম বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। মানুষ আর এ সরকারের শোষণ নিতে পারছে না।

ফখরুল বলেন, আজকের এই দিনে আওয়ামী লীগ সরকারে হাতে গণতন্ত্র হত্যা হয়েছে। বাকশাল প্রতিষ্ঠা হয়েছে। দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে এই আওয়ামী লীগ সরকার। দেশের মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দেশের পত্রিকাগুলো বন্ধ করা দেওয়া হয়েছে। সেদিন বাকশাল প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর আমাদের দেশের তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবী সেদিন আওয়ামী লীগ সরকারকে সাপোর্ট দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ কখনোই গণতন্ত্র বিশ্বাসী নয়। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু কাজ করে উল্টো। আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে সন্ত্রাসের। আওয়ামী লীগের ইতিহাস অবৈধ ক্ষমতা দখলের। আজ অধিকারের জন্য, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আওয়ামী লীগের সরকারের হাতে প্রাণ দিচ্ছে। আমাদের নেতাকর্মীদের প্রাণ দিতে হয়েছে অসংখ্য।

পাঠ্যপুস্তকে আমাদের ঐতিহ্যবিরোধী বিষয় সংযুক্ত করা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যেগুলো আমাদের ঐতিহ্যবিরোধী, সংস্কৃতিবিরোধী সেগুলো বাতিল করে নতুন করে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতি এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও উত্তরের সদস্য আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, শামা ওবায়েদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।