ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অভয়াশ্রমের মাছ ধরতে বাঁধা : সংঘর্ষে দু’পক্ষের আহত ৮

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩
  • / ৪৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি //
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ভোলার ছড়া মৎস্য অভয়াশ্রমে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরতে বাঁধা দিতে গেলে মৎস্য অভয়াশ্রমের ব্যবস্থাপনা কমিটির তিন সদস্যকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে ও একই এলাকার কয়েকজনের বিরুদ্ধে। আহত তিনজন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তারাও তিনজন আহত হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিসা নিচ্ছেন।
রবিবার দুপুরে উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের পাত্রখাতা ভোলা ছড়া মৎস্য অভয়াশ্রমে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ জাল আটক করেছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান খান। তিনি বলেন, সরকারি মৎস্য অভয়াশ্রমে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার খবর পেয়ে পুলিশের সহায়তায় জাল গুলো জব্দ করা হয়েছে। আহত তিন জন হলেন রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকার মো. লাল মিয়া (৬২), মো. নুর আমিন (৫৬) ও মো. লাভলু মিয়া (৩২)। অভিযুক্তরা হলেন ওই এলাকার, মাসুদ মিয়া, দুলাল মিয়া ও মাসুম সহ আরও কয়েকজন।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে ভোলার ছড়া মৎস্য অভয়াশ্রমে জোড় পূর্বক অবৈধ জাল ব্যবহার করে দেশীয় মাছের পোনা নিধন করে ওই এলাকার মাসুম মিয়া, দুলাল মিয়া সহ আরও কয়েকজন। এরপর স্থায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির ক্যাশিয়ার লাল মিয়া, সদস্য লাভলু মিয়া ও নুর আমিন বাঁধা দিতে গেলে তাদের ওপর অর্তকিত হামলা করে। এতে স্থায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির তিন সদস্য আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিলমারী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে মাসুম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যে জায়গাটিতে অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছেন সেই জায়গাটি আমি বন্দোবস্ত করে নিয়েছি। হাইকোর্টের রায়ও আছে। এখন তারা জোড়পূর্বক মাছ ধরার পায়তারা করছে। এতে আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের ওপর হামলা করেন। তিনি আরও বলেন, আমি, মাসুম ও দুলাল কুড়িগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি এবং বাড়িতেও আছেন অসুস্থ্য অবস্থায় সিদ্দিক ও বাবলু।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান খান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি মৌখিকভাবে থানায় অবগত করা হয়েছে এবং পুলিশের সহায়তার জাল জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ মো. হারেসুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এখন লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, বন্দোবস্ত বাতিল করার পর সরকারি ভাবে মৎস্য অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অভয়াশ্রমের মাছ ধরতে বাঁধা : সংঘর্ষে দু’পক্ষের আহত ৮

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩
// চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি //
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ভোলার ছড়া মৎস্য অভয়াশ্রমে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরতে বাঁধা দিতে গেলে মৎস্য অভয়াশ্রমের ব্যবস্থাপনা কমিটির তিন সদস্যকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে ও একই এলাকার কয়েকজনের বিরুদ্ধে। আহত তিনজন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তারাও তিনজন আহত হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিসা নিচ্ছেন।
রবিবার দুপুরে উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের পাত্রখাতা ভোলা ছড়া মৎস্য অভয়াশ্রমে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ জাল আটক করেছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান খান। তিনি বলেন, সরকারি মৎস্য অভয়াশ্রমে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার খবর পেয়ে পুলিশের সহায়তায় জাল গুলো জব্দ করা হয়েছে। আহত তিন জন হলেন রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকার মো. লাল মিয়া (৬২), মো. নুর আমিন (৫৬) ও মো. লাভলু মিয়া (৩২)। অভিযুক্তরা হলেন ওই এলাকার, মাসুদ মিয়া, দুলাল মিয়া ও মাসুম সহ আরও কয়েকজন।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে ভোলার ছড়া মৎস্য অভয়াশ্রমে জোড় পূর্বক অবৈধ জাল ব্যবহার করে দেশীয় মাছের পোনা নিধন করে ওই এলাকার মাসুম মিয়া, দুলাল মিয়া সহ আরও কয়েকজন। এরপর স্থায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির ক্যাশিয়ার লাল মিয়া, সদস্য লাভলু মিয়া ও নুর আমিন বাঁধা দিতে গেলে তাদের ওপর অর্তকিত হামলা করে। এতে স্থায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির তিন সদস্য আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিলমারী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে মাসুম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যে জায়গাটিতে অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছেন সেই জায়গাটি আমি বন্দোবস্ত করে নিয়েছি। হাইকোর্টের রায়ও আছে। এখন তারা জোড়পূর্বক মাছ ধরার পায়তারা করছে। এতে আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের ওপর হামলা করেন। তিনি আরও বলেন, আমি, মাসুম ও দুলাল কুড়িগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি এবং বাড়িতেও আছেন অসুস্থ্য অবস্থায় সিদ্দিক ও বাবলু।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান খান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি মৌখিকভাবে থানায় অবগত করা হয়েছে এবং পুলিশের সহায়তার জাল জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ মো. হারেসুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এখন লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, বন্দোবস্ত বাতিল করার পর সরকারি ভাবে মৎস্য অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে।