ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অনলাইন থেকে তারেক রহমানের বক্তব্য সরানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৫১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দেওয়া সব বক্তব্য সরাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৮শে আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ফেসবুক, ইউটিউবসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকা তারেক রহমানের সকল বক্তব্য সরানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আরেকটি আবেদন করেছেন আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা।

এদিকে তারেক রহমানের বক্তব্য সামাজিক মাধ্যম থেকে সরানোর আবেদনের শুনানিতে হাইকোর্টের এজলাসে হট্টগোল, হৈচৈয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিএনপিপন্থী আইনজীবিরা আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান। প্রধান বিচারপতির কাছে অনাস্থার আবেদন রয়েছে বলে এ আবেদন শুনতে পারেন না হাইকোর্ট বলেও দাবি করে তাঁরা।

বিএনপির আইনজীবীরা বলেন, বায়াসনেসের চূড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছেছেন আপনারা। আমরা অবিচারের ভুক্তভোগী হতে যাচ্ছি। আপনি অবিচার করতে পারেন না। আবেদন না শুনেই আদেশ পাস করতে পারেন না।

একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান তাঁরা। শুরু হয় তুমুল চিৎকার, চেঁচামেচি, হৈচৈ।

বিএনপির আইনজীবীরা বলেন, এটা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তির বিষয়। জুডিশিডারি টিকে থাকবে, এ অর্ডারটা থাকবে নোংরা ইমেজ হয়ে। আপনি একটা দলের প্রতি পক্ষপাত হয়ে পড়েন। বিএনপির আইনজীবীরা আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিতে বলেন। বলেন, আপনারা বিচারক নন, দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন।

হট্টগোলের মাঝে এজলাস ত্যাগ করেন বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম। এ সময় আইনজীবীদের মধ্যে থেকে ফাইল ছুঁড়ে মারা হয় তাঁদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

অনলাইন থেকে তারেক রহমানের বক্তব্য সরানোর নির্দেশ

আপডেট সময় : ১২:১৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দেওয়া সব বক্তব্য সরাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৮শে আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ফেসবুক, ইউটিউবসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকা তারেক রহমানের সকল বক্তব্য সরানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আরেকটি আবেদন করেছেন আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা।

এদিকে তারেক রহমানের বক্তব্য সামাজিক মাধ্যম থেকে সরানোর আবেদনের শুনানিতে হাইকোর্টের এজলাসে হট্টগোল, হৈচৈয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিএনপিপন্থী আইনজীবিরা আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান। প্রধান বিচারপতির কাছে অনাস্থার আবেদন রয়েছে বলে এ আবেদন শুনতে পারেন না হাইকোর্ট বলেও দাবি করে তাঁরা।

বিএনপির আইনজীবীরা বলেন, বায়াসনেসের চূড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছেছেন আপনারা। আমরা অবিচারের ভুক্তভোগী হতে যাচ্ছি। আপনি অবিচার করতে পারেন না। আবেদন না শুনেই আদেশ পাস করতে পারেন না।

একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান তাঁরা। শুরু হয় তুমুল চিৎকার, চেঁচামেচি, হৈচৈ।

বিএনপির আইনজীবীরা বলেন, এটা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তির বিষয়। জুডিশিডারি টিকে থাকবে, এ অর্ডারটা থাকবে নোংরা ইমেজ হয়ে। আপনি একটা দলের প্রতি পক্ষপাত হয়ে পড়েন। বিএনপির আইনজীবীরা আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিতে বলেন। বলেন, আপনারা বিচারক নন, দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন।

হট্টগোলের মাঝে এজলাস ত্যাগ করেন বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম। এ সময় আইনজীবীদের মধ্যে থেকে ফাইল ছুঁড়ে মারা হয় তাঁদের।