ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অজ্ঞাত গাড়ীর ধাক্কায় আহত রাউজানের সাহেদের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৫৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
এম বেলাল উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
সকালে ঘর থেকে বের হয়ে মোটর বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন কর্মস্থলের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। পথিমধ্য বাঁধে বিপত্তি।কুয়াশাচ্ছন্ন চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনীয়া বুড়ির দোকান এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ি ধাক্কা দিলে মোটর বাইক সহ সাহেদ ছিটকে পড়ে সড়ক পেরিয়ে পাশের জমিনে। গাড়ির ধাক্কায় তার মাথার হেলমেট ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। স্থানিয়রা এগিয়ে এসে সাহেদকে অজ্ঞান অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরিচয় পত্র সূত্রে খবর দেওয়া হয় তার কর্মস্থলের লোকজনকে। তারা সহ মিলে তাকে দ্রুত আন্দরকিল্লাহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। চিকিৎসকদের প্রানপণ চেষ্টার পরও এক সেকেন্ডের জন্য তার জ্ঞান ফিরছিলনা।
ডাক্তারের ভাষায় তার মাথা পাটেনি, রক্ত করণও হয়নি তবে হেলমেটের চাপে তার ব্রেইন ৯৯ ভাগ ডেট হয়ে গিয়েছিল। যার কারনে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তার অবুঝ দুই শিশু কন্যা এখনো জানেনা তার বাবা দুনিয়াতে আর বেঁচে নেই! বাবার কি হয়েছিল তা বুঝার কিংবা জানারও বয়স এখনো তাদের হয়নি। পরিবারে চলছে শোকের মাতম। দু-শিশু কন্যা না কাঁদছে, না হাসছে?
গত ১০ জানুয়ারী সকালে সাহেদ আলম রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের এয়াছিন নগর ছালেহ আহমদ তালুকদার বাড়ীর নিজ বাসা থেকে এনজিও সংস্থা ইপসার একটি অনুষ্টানে যোগ দিতে রাঙ্গুনীয়া উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঘটে নির্মম এ সড়ক দূর্ঘটনা।
সাহেদ আলম সীতাকুন্ড উপজেলায় এনজিও সংস্থা ইফসার এরিয়া ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সেদিন অফিসের নির্দেশে রাঙ্গুনীয়া উপজেলা সদরে ইফসার কর্মসূচীতে যোগ দিতে বাড়ী থেকে মোটর বাইক নিয়ে সেখানে যাচ্ছিলেন। সাহেদ দীর্ঘ ৮ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে (১৮ জানুয়ারী) বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। মরহুম ইদ্রিছ মিয়ার ৫সন্তানের মধ্য সাহেদ সবার ছোট। সাহেদের স্ত্রী ও দু কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে ছায়দার বয়স মাত্র ৬ বছর, সে জুবলী সরকারী প্রাইমারিতে পড়ে ক্লাস ওয়ানে, ছোট মেয়ে ছানিমনের বয়স মাত্র ৪ বছর।
নিহতের স্কুল বন্ধু ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ স্বপন বলেন, সাহেদ অত্যন্ত সহজ-সরল, নম্র-ভদ্র, সদালাপী ছিলেন। সাহেদের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার আমাদের বন্ধুরা মিলে ৫০ হাজার টাকা আমরা মেডিকেলে দিয়ে এসেছিলাম। আল্লাহর হুকুম তাকে বাঁচানো গেল না।
বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

অজ্ঞাত গাড়ীর ধাক্কায় আহত রাউজানের সাহেদের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩
এম বেলাল উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
সকালে ঘর থেকে বের হয়ে মোটর বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন কর্মস্থলের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। পথিমধ্য বাঁধে বিপত্তি।কুয়াশাচ্ছন্ন চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনীয়া বুড়ির দোকান এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ি ধাক্কা দিলে মোটর বাইক সহ সাহেদ ছিটকে পড়ে সড়ক পেরিয়ে পাশের জমিনে। গাড়ির ধাক্কায় তার মাথার হেলমেট ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। স্থানিয়রা এগিয়ে এসে সাহেদকে অজ্ঞান অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরিচয় পত্র সূত্রে খবর দেওয়া হয় তার কর্মস্থলের লোকজনকে। তারা সহ মিলে তাকে দ্রুত আন্দরকিল্লাহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। চিকিৎসকদের প্রানপণ চেষ্টার পরও এক সেকেন্ডের জন্য তার জ্ঞান ফিরছিলনা।
ডাক্তারের ভাষায় তার মাথা পাটেনি, রক্ত করণও হয়নি তবে হেলমেটের চাপে তার ব্রেইন ৯৯ ভাগ ডেট হয়ে গিয়েছিল। যার কারনে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তার অবুঝ দুই শিশু কন্যা এখনো জানেনা তার বাবা দুনিয়াতে আর বেঁচে নেই! বাবার কি হয়েছিল তা বুঝার কিংবা জানারও বয়স এখনো তাদের হয়নি। পরিবারে চলছে শোকের মাতম। দু-শিশু কন্যা না কাঁদছে, না হাসছে?
গত ১০ জানুয়ারী সকালে সাহেদ আলম রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের এয়াছিন নগর ছালেহ আহমদ তালুকদার বাড়ীর নিজ বাসা থেকে এনজিও সংস্থা ইপসার একটি অনুষ্টানে যোগ দিতে রাঙ্গুনীয়া উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঘটে নির্মম এ সড়ক দূর্ঘটনা।
সাহেদ আলম সীতাকুন্ড উপজেলায় এনজিও সংস্থা ইফসার এরিয়া ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সেদিন অফিসের নির্দেশে রাঙ্গুনীয়া উপজেলা সদরে ইফসার কর্মসূচীতে যোগ দিতে বাড়ী থেকে মোটর বাইক নিয়ে সেখানে যাচ্ছিলেন। সাহেদ দীর্ঘ ৮ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে (১৮ জানুয়ারী) বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। মরহুম ইদ্রিছ মিয়ার ৫সন্তানের মধ্য সাহেদ সবার ছোট। সাহেদের স্ত্রী ও দু কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে ছায়দার বয়স মাত্র ৬ বছর, সে জুবলী সরকারী প্রাইমারিতে পড়ে ক্লাস ওয়ানে, ছোট মেয়ে ছানিমনের বয়স মাত্র ৪ বছর।
নিহতের স্কুল বন্ধু ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ স্বপন বলেন, সাহেদ অত্যন্ত সহজ-সরল, নম্র-ভদ্র, সদালাপী ছিলেন। সাহেদের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার আমাদের বন্ধুরা মিলে ৫০ হাজার টাকা আমরা মেডিকেলে দিয়ে এসেছিলাম। আল্লাহর হুকুম তাকে বাঁচানো গেল না।
বা/খ: এসআর।